ফেইক একাউন্ট ক্র্যাকডাউন শুরু করলো ফেইসবুক!

ফেইক একাউন্ট ক্র্যাকডাউন শুরু করলো ফেইসবুক!



কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে অনেকের আইডি ফেইসবুক হতে ডিলিট হয়ে যাচ্ছে। একটা ঘাটাঘাটি করলেই জানা যাচ্ছে যে, তারা নিজেদের সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছিলো কিংবা একাধিক আইডি চলমান রেখেছিলো। ফেসবুক ঘোষনা করেছে যে তাদের ১.৮৬ বিলিয়ন ইউজার প্রতিমাসে ফেইসবুক ভিজিট করে।
এবং প্রতি শুক্রবার তাদের এই সংখ্যা কমে যায়।

ফেসবুক তাদের ফেইক একাউন্ট ডিলিট করা শুরু করেছে, এবং এর ফলে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া এবং সৌদি আরবের স্প্যামার নেটওয়ার্কগুলো ভেঙ্গে পড়ছে। এসকল তথ্য জানা শবনম শেখ নামের ফেইসবুকের একজন টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ম্যানেজারের ব্লগ পোস্ট থেকে থেকে। 
এই স্যাপ্রযাম নেটওয়ার্কের মধ্যে বাংলাদেশের "সাইবার ৭১" অন্যতম বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

সাধারণত স্প্যাম নেটওয়ার্কগুলো কাওকে হেনস্তা কিংবা কোনো পেইজের বা ব্যাক্তিগত প্রোফাইলের ফলোয়ার এবং লাইক বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া নানা মিথ্যে সংবাদ এবং স্ক্যান্ডাল ভাইরাল করার জন্যও এই স্প্যাম নেটওয়ার্কের আশ্রয় নেয়া হয়।

ফেসবুক তাদের সোশ্যাল মার্কেটিং জন্যই ফেইক একাউন্ট ক্র্যাকডাউন শুরু করেছে বলে সংবাদমাধ্যম গুলোয় জানা গেছে। এর ফলে প্রচুর পরিমানে একাউন্ট একেবারেই ডিলিট হয়ে যাচ্ছে যার সংখ্যা ফেসবুক গোপন রেখেছে।

ফেইক একাউন্ট এবং রোবট, সোশ্যাল নেটওয়ার্কের ডাটা ব্যাঙ্কের জন্য বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এবং ব্যবহারকারীও এতে বিরক্ত হয়ে পড়ে। ২০১৪ সালে ফেসবুক তাদের রিপোর্টে ৬৭.৭ মিলিয়ন থেকে ১৩৭.৮ মিলিয়ন একাউন্ট ভুয়া হিসেবে চিহ্নিত করে।

ফেসবুকের পাশাপাশি টুইটারেরও একই সমস্যা রয়েছে। প্রায় ১৫% টুইটারের এক্টিভ ইউজারই রোবট বলে চিহ্নিত করেছে সাউদার্ন ক্যালিফর্নিয়া এবং ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি।

অবশেষে এলো "রূপক"

অবশেষে এলো "রূপক"


বেশ প্রতীক্ষার পর প্রকাশিত হলো অনলাইন শিশু কিশোর ই-ম্যাগাজিন প্ল্যাটফর্ম "রূপক"
জিআর+ নেটওয়ার্ক এবং টিম হাই ড্রিমার্সের সহযোগিতায় এবং হোস্ট ফরেস্ট ডট নেটের ডোমেইন এবং হোস্টিং পৃষ্টপোষকতায় রূপক হলো বাস্তব।
প্রকাশ পাবার একদিনের মাঝেই ডাউনলোড হয়েছে ছয়শোর অধিক কপি যা পাওয়া যাচ্ছে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট rupok.net -এ একেবারেই বিনামূল্যে।
প্রায় ১ মাসের কাউন্টডাউন গণনা করতে করতেই ১৪ই এপ্রিল নববর্ষের ভোরে সূর্যোদয়ে রূপকের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়। ওয়েবসাইট চালুও করা হয় একই সাথে।

শুরু হচ্ছে গেইম ডেভেলপমেন্ট কন্টেস্ট "Game Jam"

শুরু হচ্ছে গেইম ডেভেলপমেন্ট কন্টেস্ট "Game Jam"












 




হ্যাঁ, বলতে গেলে বাংলাদেশের প্রথম সবচেয়ে বড় অ্যান্ড্রয়েড গেইম ডেভেলপমেন্ট প্রতিযোগিতা হতে 
যাচ্ছে এটি। 
আগামী ২৮ ও ২৯ এপ্রিল গ্রামীনফোনের উদ্যোগ এবং আইসিটি ডিভিশনের সহযোগীতায় শুরু হচ্ছে গেইম 
জ্যাম প্রতিযোগীতা। 
৩৬ ঘন্টার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে পারবে যেকোনো ব্যাক্তি, সর্বোচ্চ ৬ জন এবং সর্বনিম্ন ২ জন নিয়ে একটি দল গঠন করা যাবে।

যে দল বিজয়ী হবে তাদের প্রদান করা হবে ৫ লক্ষ টাকা পুরষ্কার এবং তাদের ডেভেলাপ করা গেইমের মার্কেটিং করার জন্য সবরকম সহযোগীতা করবে করবে আইসিটি ডিভিশন এবং হোয়াইট বোর্ড।
প্রতিযোগিতার সহযোগী পার্টনার হিসেবে আছে স্যামসাং, ওয়াও বক্স, এম ল্যাব, অ্যাপনোমেট্রি, এবং গেমবক্স। দ্রুত নিজের আইডিয়া সাবমিট করে ৩৬ ঘন্টার মাঝে গেইম ডিজাইন করে জিতে নিতে পারো ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ টাকা পুরষ্কার।
আইডিয়া অনুসারে নির্বাচন করে ১৭ই এপ্রিল টপ ২৫টি টিমের নাম ঘোষনা করা হবে। ২২শে এপ্রিল বুট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে এবং ২৮ এবং ২৯শে এপ্রিল "গেইম জ্যাম" অনুষ্ঠিত হবে।
রেজিষ্ট্রেশনের সময় শেষ হবে ১৩ এপ্রিল ঠিক রাত ১২:০০ টায়
প্রতিযোগিতা সম্পর্কে আরো জানতে এই লিঙ্কে যেতে পারো
রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিঙ্কে যাও 

মোটরের স্পিড বা, এলইডি-এর ব্রাইটনেস নিয়ন্ত্রণ করো একটা সার্কিট দিয়েই!

মোটরের স্পিড বা, এলইডি-এর ব্রাইটনেস নিয়ন্ত্রণ করো একটা সার্কিট দিয়েই!
পালস ওয়াইডথ মডুলেটর। এর নামের মাঝেই এর কাজের বিবরণ। এটা একটা ফ্রিকুয়েন্সির পালসকে মডুলেট বা, পরিবর্তন করতে পারে।
ইলেকট্রনিক পিডব্লিউএম বা, পালস ওয়াইডথ মডুলেটর সার্কিট আসলে সেকেন্ডে লাখখানেক বা হাজারখানেক বার একটা সুইচকে অন অফ করে। এই অন অফ করার প্রতিটি পালসের মাঝের সময়ের পার্থক্যের আগপিছ হলে এলইডিএর ব্রাইটনেস বাড়াকমা করবে, তেমনি মোটরের স্পিড বাড়াকমা করবে।
আমরা এখানে একটা ৫৫৫ আইসি মনোস্টেবল মাল্টিভাইব্রেটর মোডে ব্যবহার করবো।

যেহেতু একটা খালি একটা পালস তৈরি করে, সুইচ অন অফ করে, তাই এটা ট্রাঞ্জিস্টর হতে কোন রকম হিট লস করে না। এতে এনার্জি লস কম হয়। আমরা সাধারণ যে ভলিউম আর ট্রাঞ্জিস্টর দিয়ে ডিমার বানি, ট্রাঞ্জিস্টর অনেক গরম হয়, এতে করে প্রচুর এনার্জি লস হয়। ব্যাটারি চালিত ডিভাইজ হলে ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
তাই আমরা যদি আমাদের ডেস্ক ল্যাম্পের ব্রাইটনেস ঠিক করে নিতে চাই কিংবা ডিসি টেবিল ফ্যানের স্পিড নিয়ন্ত্রণ করতে চাই তবে আমরা এই পিডব্লিউএম সার্কিট ব্যাবহার করতে পারি।
এটা বানো সোজা, মাইক্রোকন্ট্রোলার লাগে না বলে খরচ কম। এবং ৫৫৫ আইসিএর জন্য ১০ মিলি এম্পিয়ারের কম কারেন্ট লাগে এখানে। পোস্টের শেষে ডায়াগ্রাম আছে।

এখানে প্রোজেক্ট ভিডিও রয়েছে যা আমি নিজেই করেছি,





সহজেই বানাও ছোট একটা সাউন্ড এমপ্লিফায়ার!

সহজেই বানাও ছোট একটা সাউন্ড এমপ্লিফায়ার!


আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা,
কেমন আছো সবাই?
আজকে আমরা আমাদের ব্রেডবোর্ডেই একটা ১ ওয়াটের এমপ্লিফায়ার তৈরি করবো।
এমপ্লিফায়ার বানানো বেশ মজার! কেনার চেয়ে নিজে একটা বানিয়ে ব্যবহার করলে মজা পাওয়া যায় অনেক! এটি ব্রেডবোর্ডে বানাবো, তাই জিনিশটা পল্কা, সহজে ব্যবহার করা যাবে না। তাই চাইলে তুমি বোর্ডে ঝালাই করে নিতে পারো। ঝালাইয়ের ব্যপারে আজ বলবো না, এর জন্য আরেকটা ভিডিও নিয়ে আসবো।




এই এমপ্লিফায়ারটি বানাতে আমাদের এলএম৩৮৬ অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার আইসি প্রয়োজন হবে।
আমাদের আজকের বানানো এমপ্লিফায়ারটি খুব বেশি পাওয়ার আউটপুটে দিতে পারে না, তাই একে দিয়ে জোর করে বেসি আউটপুট পাওয়ার আশা না করাই ভালো। তবে কম পাওয়ারের এমপ্লিফায়ার তৈরি করতে হলে এইটা চেষ্টা করা যেতে পারে। আর যদি আমরা ইলেকট্রনিক্সে নতুন হই, তবে এমপ্লিফায়ার তৈরি শুরু করার আগে এটা দিয়ে শুরু করা উচিত। এটা লো পাওয়ার অ্যাম্প, তাই বেশি পাওয়ার আউটপুট নেবার নেস্টা করলে নয়েজ বা হাম তৈরি হবে। এছাড়া ফিল্টার না করা ডিসি ভোল্টেজ, গ্রাউন্ড লুপ, এসি ভোল্টেজ বা কম পাওয়ারের পাওয়ার সাপ্লাইয়ের জন্য নয়েজ তৈরি হতে পারে।

কম্পোনেন্ট গুলো হলো,
  1. LM386 Op Amp
  2. 0.1uF Ceramic Capacitor (Code 104)
  3. 1000uF Polar Capacitor
  4. 100uF Polar Capacitor
  5. 100k Ohm Potentiometer
  6. 1-5 watts Speaker
  7. 9 volts battery or power supply
  8. 3.5 mm audio jack
  9. wires

এখানে ডায়াগ্রাম দেয়া হলো,




অ্যাান্ড্রয়েড ফোনে ইলেক্ট্রিক গীটার কানেক্ট করো সহজেই!

অ্যাান্ড্রয়েড ফোনে ইলেক্ট্রিক গীটার কানেক্ট করো সহজেই!




আসসালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই? জিল্যাবের আরেকটি পর্বে সবাইকে স্বাগতম।
আজকে আমি দেখাবো কিভাবে একটা নষ্ট হেডফোনের জ্যাক হ্যাক করার মাধ্যমে আমরা ওইটা দিয়ে আমাদের ইলেক্ট্রিক গিটার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে কানেক্ট করে গিটারের সাউন্ড রেকর্ড বা অ্যামপ্লিফাই করতে পারি।
এটার জন্য আমাদের কোনো সার্কিট তৈরি করা লাগবে না। চাইলে যদিও আমরা একটা প্রি অ্যাম্প সার্কিট ব্যাবহার করতে পারি।
এই প্রোজেক্টের জন্য আমাদের লাগবে,

  1. গীটার
  2. গিটার ক্যাবল
  3. হেডফোন জ্যাক(তারসহ) এবং 
  4. একটি স্মার্টফোন। 
হেডফোন জ্যাকটি টিআরআরএস বা অ্যান্ড্রয়েডে সাপোর্টেড হতে হবে। এই জ্যাক আমরা কিনে নিতে পারি কিংবা পুরানো হেডফোন থেকে খুলে নিতে পারি।




আমরা যদি হেডফোনের তার এর উপরের কভার খুলে ফেলি তবে আমরা সাধারনত চারটা তার দেখতে পাই। এই চারটা তার তাদের নির্দিস্ট টার্মিনালের সাথে ঝালাই করে লাগানো থাকে।
আমি নিচে একটা ছবিতে টিআরআরএস কনফিগারেশন দেখিয়েছি।










টিপের সাথে বাম কান, লাল রিং এর সাথে ডান কান, হলুদ রিং কানেক্ট হবে গ্রাউন্ড বা নেগেটিভ এবং স্লিভ কানেক্ট হবে মাইকের সাথে।
এবং আমাদের প্রোজেক্টে কাজ হবে খালি গ্রাউন্ড এবং মাইকের তারে।


আমার একটা অফিয়া ব্র্যান্ডের হেডপিস ছিলো যাতে চারটে তার ছিলো ভিতরে। আমি তাদের কানেকশান মাল্টিমিটার দিয়ে টেস্ট করে বের করেছি।
অফিয়া (সাধারণ যেকোনো অ্যান্ড্রয়েড হেডফোন) হেডফোনের সবুজ তারটি বাম কানে, নীল তারটি ডান কানে, সোনালী তারটি গ্রাউন্ড বা নেগেটিভ এবং লাল তারটি মাইকের জন্য।
তার সংযোগের আগে কিছুটা আগুনে পুড়িয়ে নিয়ে ইন্সুলেশন দূর করতে হবে। রঙ চলে গেলে বুঝবেন ইন্সুলেশন নেই।






এবার খালি গিটারের ক্যাবলের এক মাথার সাথে ঐ জ্যাকের তার লাগাতে হবে।
গিটারের ক্যাবলের টিপের সাথে মাইকের তার এবং স্লিভের সাথে গ্রাউন্ড বা নেগেটিভের তার লাগাতে হবে।
জ্যাক্টি হ্যাক হয়ে গেছে।

এবার ৩.৫ মিমি জ্যাকটি ফোনের কানেক্ট করো। এবার ফ্রিকুয়েন্সি রেস্পনস চেক করতে যেকোনো স্পেকট্রাম মনিটর অ্যাপের সাহায্য নাও। আমি এখানে অডিও স্পেকট্রাম মনিটর ব্যাবহার করেছি।




এবার খালি বাজাও আর ফোনের রেকর্ডীং অ্যাপ দিয়ে রেকর্ড করো!

কম্পিউটারে অডিও প্রসেসর নিয়ে যত সমস্যা!

কম্পিউটারে অডিও প্রসেসর নিয়ে যত সমস্যা!



অনেকের একটা ধারণা থাকে (আমারও ছিলো) যে অডিও ফ্রন্ট প্যানেল কিছুদিন পর নষ্ট হয়ে যায়।
ধারণাটা ভুল। হ্যাঁ, আজকে নিজেই এর সমাধান করেছি। ৪ বছর আগের কেনা পিসিতে বেশ কয়েকবার উইন্ডোজ সেটাপ করেছি। আর এজন্যে যে আসল ড্রাইভারটাই ডিলিট হয়ে গেছে খেয়াল ছিলো না। :P
আজকে পিসি খুলে পরিস্কার করবার সময় অডিও প্রসেসরটা নজরে পড়লো। ভীয়া?! (ভিআইএ)
আমি কিন্তু এতোদিন রিয়েল্টেক ড্রাইভার ব্যাবহার করেছি। ২ বছর শুধুশুধু বোকামির মাশুল দিলাম। ফ্রন্ট প্যানেল ঠিকই ছিলো -_-

মাদারবোর্ড ডিস্ক থেকে ভিআইএ ড্রাইভার সেটাপ করলাম। ওমা! অনেক অডিও ফাংশন ফিরে আসলো যেগুলো আগে ছিলই না!
আগে মাইক্রোফোন বুস্ট ফাংশানটি ছিলো না, সঠিক ড্রাইভারটি দেয়ার পর সেটা এসেছে। আগে মাইক্রোফোনে প্রচুর নয়েজ রেকর্ড হতো, এখন মাইক্রোফোন বুস্ট কমিয়ে দিতেই নয়েজ একদম কমে গেলো <3 br="">

এছাড়া এখন লাইন ইন ইনপুট কাজ করছে বেশ ভালো ভাবে! স্টেরিও মিক্স দিয়ে অনেকগুলো সাউন্ড ইনপুট একত্র করে ব্যাবহার করতে পারছি। এতে আমি গিটার রেকর্ড করতেও পারছি ;)

আমি সাজেস্ট করবো, মাদারবোর্ডের সিডি সাথে থাকলে সেটা থেকে সাউন্ড ড্রাইভার ব্যাবহার করতে।
এতে অসুবিধা কম তো হবেই, এছাড়া সহজে হার্ডওয়ার চালু হবে। এছাড়া কেসিং সাইড প্যানেল খুলে মাদারবোর্ডের অডিও জ্যাকের আশেপাশের বড় আইসি গুলোর যেকোনো একটি হবে অডিও আইসি বা প্রসেসর, সেটার নাম পড়ে দেখতে পারেন। তারপর ওয়েবসাইট থেকে ড্রাইভার ডাউনলোড করে সেটাপ করলেই হবে। আমি ভিআইএ বা ভিয়া এবং রিয়েল্টেকের ড্রাইভার ডাউনলোড লিঙ্ক দিচ্ছি। ভিয়া হলে ড্রাইভার সেটাপ করলে সাথে একটা কন্ট্রোল প্যানেল সেটাপ হবে।


সেখান থেকেই সামনের জ্যাক এনাবেল করা যাবে। আরেকটা কথা, সেটাপের পর পিসি রিস্টার্ট দিতে ভুলবেন না :p নাহলে ড্রাইভার রান করবে না, হেডফোন কাজও করবে না।

ডাউনলোড,
  1. ভিয়া টেকনোলজিস
  2. রিয়েলটেক সেমিকন্ডাক্টরস

মেঘলা আকাশ ইফেক্ট?! Cloudy Sky Effect?!

মেঘলা আকাশ ইফেক্ট?! Cloudy Sky Effect?!
.

আজকে আকাশ মেঘলা ছিলো। নাফিসা ছবিটা তোলার পর কিভাবে কি ফিল্টার দিবো সেটাই ভাবছিলাম। কিন্তু ঠিক করতে পারছিলাম না। এইচডিআর করার চেস্টা করতে করতেই এরকম হয়ে গেলো :p
দেখাচ্ছি আপনাদের।

আমার মূল ছবিটি এরকম


এর রেজুলেশান বাড়িয়ে দিলাম প্রথমেই Ctrl + Alt + I চেপে, Resolution এর ঘরে 300 দিয়ে 


এবার ওকে দিয়ে উপর থেকে Image > Adjustment > HDR Toning সিলেক্ট করতে হবে।

 





এবার মেথড Exposure and Gamma সিলেক্ট করে Exposure এর মাণ 0.90 এবং Gamma এর মাণ 2.71 করে দিই। 
এই মাণ ছবি মাফিক অন্য কিছুতেও ভালো লাগতে পারে, আমার জন্য আমার এটাই পারফেক্ট মনে হয়েছে


শেষ! :3 ওকে দিয়ে ইমেজ সেভ করো।

দাঁড়াও, একটু রিটাচ দিয়ে নিই :p
কিছু না, ব্লার টূল দিয়ে একটু ঘষে মেজে দিতে হবে।

শেষ এডিট করা :3

ঘুরে আসি সৌরজগত থেকে!

ঘুরে আসি সৌরজগত থেকে!
আসসলামু আলাইকুম।
  Solar System Scope- screenshot
এই মহাবিশ্বের বিশালতা, ব্যাপকতা, সৌন্দর্য্য আর আমাদের সৃষ্টিকর্তার অপূর্ব সৃষ্টি কাকে না মুগ্ধ করে? মহাবিশ্বের অতি ক্ষুদ্র জায়গা আমাদের এই সৌরজগত। আর এই সৌরজগতের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ পৃথিবীর বাংলাদেশ নামক স্বপ্নের দেশই কতই না বড়! কিন্তু আজ বিজ্ঞান আমাদের সামনে কত সহজেই না তুলে ধরেছে সৌরজগতকে। চলুন না ঘুরে আসি সেই রহস্যময় জগত থেকে।

এখানে আপনি গ্রহগুলোর বিভিন্ন তথ্য জানতে পারবেন। দেখতে পারবেন, সৌরজগতে গ্রহ, উপগ্রহ আর গ্রহাণুর ঘূর্ণন। পৃথিবীর চারপাশে কিভাবে চাঁদ ঘুরে? অথবা, কোন অদ্ভুত কক্ষপথ প্লুটোকে আর অন্যান্য গ্রহাণুগুলোকে করেছে এত ব্যাতিক্রম? শনি, বৃহস্পতি এত উপগ্রহ নিয়ে কিভাবে চলছে? কোন মাসের, কত তারিখ, কোন সময় কেমন ছিল কোন গ্রহের অবস্থান? চলুন না একটু ঘুরে আসি!

ডাউনলোড

সল্ডারিং আয়রন যেভাবে ঠিক করবে...

সল্ডারিং আয়রন যেভাবে ঠিক করবে...
আমি আমার যন্ত্রপাতি একটু অযত্নে রাখি। আমি কোনো ফিউজ বা সিরিজে কোনো প্রোটেকশান লোড(যেমন ১০০ ওয়াট বাল্ব) ব্যাবহার করি না। ফলাফল স্বরুপ, সল্ডারিং আয়রন ফিউজড :P
এবং চাইনিজ জিনিস তো আরও খারাপ -_- 


কোন জিনিসই ভালো বা নিরাপদ না কিন্তু গায়ে সস্তা সিই ফড্ড কিউসি সার্টিফাইড লেখা স্টিকার মেরে দিচ্ছে। -_- আমার সল্ডারিং আয়রন গ্রাউন্ড করা ছিলো না, কাজেই আমার নিজেরই লাইফ রিস্ক ছিলো এখানে এরপরের বার পারলে আমি নন গ্রাউন্ড সল্ডারিং আয়রন কিভাবে গ্রাউন্ড করা যায় সেটাই দেখাবো।

filament

আসলে আমি কিছুই করি নাই, কাজ করতে ভালো লাগে না, দেখলাম, ফিউজ কেটে গেছে, আগেরটা রিসাইকেল বিনে ফেলে দিয়ে নতুন একটা ফিলামেন্ট কিনে লাগালাম। খরচও কম, মাত্র ২০ টাকা। সেটাই উত্তম সমাধান বলে মনে হলো :P

নিজেই বানাও কলার ক্লিপ মাইক

নিজেই বানাও কলার ক্লিপ মাইক


কয়দিন আগেই একটা পুরাতন হেডফোন ভাংলাম। দুইটা স্পীকার বাদেও একটা মাইক্রোফোন পেলাম।
সেটার সাউন্ড কোয়ালিটি ভালো, আকারে ছোটো, তাই ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ আসে কম।
আজকে আমরা অটা দিয়েই একটা ল্যাপেল মাইক বা কলার মাইক বানাবো।
সাউন্ড কোয়ালিটি ভালো রাখতে আমাদের গ্রাউন্ড লুপ বা হাম ফিল্টার করতে হবে।
হাম হলো ৫০ হার্জের নিচের ফ্রিকুয়েন্সি।






তাই আমরা এখানে একটা লো পাস ফিল্টার ব্যাবহার করে এই লো ফ্রিকুয়েন্সি গ্রাউন্ডে পাঠিয়ে দিবো।
তাই আমি এখানে মাইকের সাস্থে প্যারালাল করে ০.১ মাইক্রো ফ্যারাডের সিরামিক ক্যাপাসিটর লাগিয়েছি। এই ক্যাপাসিটরটিই ফিল্টারিং করবে।
যখন মাইক্টি ঝালাই করবে বা লাগাবে, এর পোলারিটী মেনে বসাবে, নাহলে নস্ট হয়ে যেতে পারে।
এখানে সার্কিট ডায়াগ্রাম দিয়েছই, নিচে তো বরাবরের মতো ভিডিও টিউওরিয়াল আছেই।
ধন্যবাদ সবাইকে।

সার্ভিস বন্ধ হবার আগেই সংগ্রহ করুন উইন্ডোজ লাইভের কপি!

সার্ভিস বন্ধ হবার আগেই সংগ্রহ করুন উইন্ডোজ লাইভের কপি!
এবছরের শুরুতেই মাইক্রসফট তাদের উইন্ডোজ লাইভের সমস্ত সার্ভিস বন্ধ করে দিয়েছে।
এর মাধ্যমে আর কোনো মাইক্রোসফটের ভোক্তা উইন্ডোজ লাইভের উপর কোনো প্রকার সাহায্য সহযোগিতা পাবেন না।
movie maker logo
মুভি মেকার লোগো




কিন্তু উইন্ডোজ লাইভের সার্ভিসগুলো ছিলো ব্যবহারবান্ধব ও জনপ্রিয়। এর কেবল মুভি মেকার সফটওয়ারটির জন্যই অনেকে ডাউনলোড করে থাকেন। তাদের জন্য এখনো খোলা আছে লাইভের ডাউনলোড অপশন। তাই দ্রি না করে এখনি সংগ্রহ করে নিন উইন্ডোজ এসেন্সিয়ালস ২০১২ সফটওয়্যার প্যাকেজ।

পেনড্রাইভে ধারন হবে 4k ভিডিও!

পেনড্রাইভে ধারন হবে 4k ভিডিও!


এক সময় কম্পিউটারের ফ্লপি ডিস্কে ১.৪৪ এমবি জায়গায় স্টোর করে রাখা হত নিদেনপক্ষে একখানি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। সাইজ একটু ছোট হলে দুটি ছবিও রাখা যেত। ক্রমে সিডিতে রাইট করার চল হল। সেখান থেকে ডিভিডি। সে সময়ও পেন ড্রাইভের চল ছিল। তবে একটু বেশি স্পেসযুক্ত পেন ড্রাইভের দাম সাধারণের আয়ত্তের মধ্যে ছিল না। ধীরে ধীরে প্রযুক্তির বিবর্তনের সাথে সাথে পেন ড্রাইভের দামও যেমন কমল, স্পেসও তেমন বাড়ল।


এখন তো ১২৮ জিবি বা ২৫৬ জিবি স্পেসের পেন ড্রাইভ প্রায়ই দেখা যাচ্ছে। কিংসটন সম্প্রতি সব পেন ড্রাইভকে টেক্কা দিয়ে ২ টেরাবাইট পেনড্রাইভ বাজারে আনল। এতে এক্সটার্নাল হার্ডডিস্কের মতো আলাদা চার্জ করার প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র ইউএসবি পোর্টে কানেক্ট করলেই হল। এ নাম দেয়া হয়েছে ডেটা ট্রাভেলার আল্টিমেট জেনারেশন টেরাবাইট। ফ্ল্যাশ ড্রাইভটি USB 3.1 জেন 1 সাপোর্ট রয়েছে সাথে।


প্রশ্ন আসতেই পরে এতে কী কী স্টোর করা যাবে? কতটা স্টোর করা যাবে? স্পেস তো আগেই জানেন। এ বার স্টোরেজের নমুনা শুনুন। ফুল HD 4K ভিডিও ৭০ ঘণ্টা পর্যন্ত স্টোর করা যাবে। ড্রাইভটি তৈরি করা হয়েছে জিঙ্ক-অ্যালয় মেটাল কেসিংয়ে। যাতে হঠাৎ করে আসা কোনো আঘাত সহজে সহ্য করতে পারে। আগামী মাস থেকে বাজারে এই পেন ড্রাইভ চলে আসবে বলে সংস্থা সূত্রে জানানো হয়েছে। 1TB এবং 2TB ক্যাপাসিটি-র দুটি পেনড্রাইভই বাজারে আসবে। এর সাথে পাঁচ বছরের ওয়ারেন্টি এবং বিনামূল্যে টেকনিকাল সাপোর্ট মিলবে।


উইন্ডোজ ১০, ৮.১, ৮, ৭ (সার্ভিস প্যাক ওয়ান), ম্যাক OS v.10.9.x+, লিনাক্স v.2.6.x+, ক্রোম অপারেটিং সিস্টেমে এই পেনড্রাইভ কাজ করবে।

সূত্র : ইন্টারনেট / নয়া দিগন্ত

আত্মহত্যা রুখতে উদ্যোগী ফেসবুকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

আত্মহত্যা রুখতে উদ্যোগী ফেসবুকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা




‌ফেসবুককে মাধ্যম করে হতাশাজনক পোস্ট বা সুইসাইড লেটার লিখে এখন অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। পুলিশ–প্রশাসন–সমাজের সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট উদ্বিগ্ন বিষয়টি নিয়ে। তবে এই সমস্যার সুরাহা বের করে নিয়েছে ফেসবুক।
ফেসবুক ব্যবহারকারী কোনো ব্যক্তির আত্মহত্যার প্রবণতা আছে কিনা তা বোঝার জন্য ‘‌আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স’‌ বা ‘‌কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা’‌–র ব্যবহার শুরু করেছে ফেসবুক। ফেসবুক ব্যবহারকারীর শেয়ার করা পোস্ট আত্মহত্যার কোনো ইঙ্গিত বহন করে কিনা তা এই বিশেষ ধরনের প্রযুক্তির মাধ্যমে বোঝা যাবে। এমনকি সব দিক বিবেচনা করে সর্তক সংকেতও দেবে এই নতুন পদ্ধতি। এরপর এই সামাজিক মাধ্যমের মানবাধিকার দল পোস্টগুলো দেখে তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন যে ফেসবুক ব্যবহারকারির কোনও সাহায্যের প্রয়োজন রয়েছে কিনা।
ইতিমধ্যেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আত্মহত্যা সর্ম্পকিত একটি হেল্পলাইনও খুলেছেন। এই হেল্পলাইনের মুখ্য আধিকারিক জানান যে, এই উদ্যোগ উপকারি ঠিকই তবে বেশ জটিলও।
ফেসবুক আত্মহত্যা প্রবণতাকারিদের জন্য বিভিন্ন পরামর্শেরও ব্যবস্থা করবে। এছাড়াও হতাশাজনক পোস্ট বা দুঃখ–কষ্টের কথাকেও ফেসবুক সর্তক সিগন্যাল বলে ধরে নেবে। তবে এই প্রযুক্তিটি এখন পরীক্ষামূলকভাবে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা রুখতে ফেসবুকের এই অভিনব প্রয়াস।

সুত্রঃ নয়া দিগন্ত

ওয়েবসাইট লোডিং স্ক্রিন বানানো কি অনেক কঠিন?

ওয়েবসাইট লোডিং স্ক্রিন বানানো কি অনেক কঠিন?
না
সোজা কথায় উত্তর, না, মোটেই কঠিন না :)

তার আগে বলে নেই ছোটো করে, লোডিং স্ক্রিন কি?

ওয়েবসাইটের ওয়েবপেইজ ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা বেশি হলে লোড হতে সময় নেয়, এই সময় ক্লায়েন্ট বিরক্ত হতে পারে, এতে পেইজ লোড করা বন্ধ করে দিতে পারেন অথবা ওয়েবসাইটের মালিক, একজন ভিজিটর হারাতে পারেন, যা আমরা কখনোই চাই না। তাই একটি মনোরম অ্যানিমেশন দেখানোর মাধ্যমে ক্লায়েন্টকে বিনোদিত করা যেতে পারে। এই লোডিং-এর সময়ের অ্যানিমশনকে বলে লোডিং স্ক্রিন।


এই লোডিং স্ক্রিন্টি একটি সাধারন সিএসএস বা জিআইএফ ফাইল দিয়ে করা হয় এবং ওয়েবপেইজের মাঝে কোড আকারে ইম্বেড করা হয়। তারপর জাভাস্ক্রিপ্ট ডোম ব্যাবহার করে তাকে show বা hide করানো হয়।
আমি এই টিউটোরিয়ালের ক্ষেত্রে অনলোড ইভেন্ট লিসেনার ব্যাবহার করবো।

প্রথমে আমাদের একটা প্রোজেক্ট ফাইল তৈরি করতে হবে এইচটিএমএল ব্যাবহার করে। বলতে গেলে, একটা ওয়েবপেজ তৈরি করতে হবে। আমরা এই নিচের ওয়েবসাইট ব্যবহার করবো। আইফ্রেম দেয়ার কারন, এতে লোড টাইম বেশি লাগবে (যেহেতু টেস্ট ওয়েবসাইট লোকাল সার্ভারে, তাই রিমোট সার্ভার আইফ্রেম করতে হবে)



পেইজের কোডঃ
<html>
<head>
<title>Test Page</title>
<style>
body {
font-family: arial;
font-size: 35px;
}
</style>
</head>
<body>
<center>Simple Test Page
</br></br>
<iframe height="500px" width="500px" src="http://blog.grplusbd.net"><iframe>
</center>
</body>
</html>

এইখানে আমাদের লোডিং স্ক্রিন লাগাতে হলে প্রথমে একটা এইচটিএমএল কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে যেটা মূল পেইজের উপরে ভেসে থাকে এবং পুরো পেইজ ঢেকে যাবে। এবং যখন সম্পূর্ণ পেজ লোড হবে, জাভাস্ক্রিপ্ট লোড ইল্ভেন্ট লিসেনার দিয়ে আমরা ঐ লোডিং অ্যানিমেশন হাইড করতে পারবো।

এবার নাও সম্পুর্ন কোড, মাঝের বড় সিএসএসটি সিএসএস অ্যানিমেশনের কোড।

<html>
<head>
<title>Test Page</title>
<style>
body {
font-family: arial;
font-size: 35px;
}
div.loader {
font-family: roboto;
position: fixed;
top: 40%;
bottom: 0px;
left: 45%;
/* width: 100%; */
/* border: none; */
/* margin: 0; */
/* padding: 0; */
/* overflow: hidden; */
/* z-index: 999999; */
/* height: 100%; */
}
div.loading{
background-color: white;
font-family: roboto;
position: fixed;
top:0px;
bottom:0px;
right:0px;
width: 100%;
border: none;
margin:0;
padding:0;
overflow: hidden;
z-index:999999;
height: 100%;
}
</style>
<script>
function loaded(){
var doc = document.getElementById('loader');
var hide = ('display: none;');
doc.style= hide;
}
</script>
</head>
<body onload="loaded()">
<div id="loader" class="loading" style="display: inline;">
<div class="loader">
<style type='text/css'>@-webkit-keyframes uil-default-anim { 0% { opacity: 1} 100% {opacity: 0} }@keyframes uil-default-anim { 0% { opacity: 1} 100% {opacity: 0} }.uil-default-css > div:nth-of-type(1){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: -0.5s;animation-delay: -0.5s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(2){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: -0.4166666666666667s;animation-delay: -0.4166666666666667s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(3){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: -0.33333333333333337s;animation-delay: -0.33333333333333337s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(4){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: -0.25s;animation-delay: -0.25s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(5){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: -0.16666666666666669s;animation-delay: -0.16666666666666669s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(6){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: -0.08333333333333331s;animation-delay: -0.08333333333333331s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(7){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: 0s;animation-delay: 0s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(8){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: 0.08333333333333337s;animation-delay: 0.08333333333333337s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(9){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: 0.16666666666666663s;animation-delay: 0.16666666666666663s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(10){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: 0.25s;animation-delay: 0.25s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(11){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: 0.33333333333333337s;animation-delay: 0.33333333333333337s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}.uil-default-css > div:nth-of-type(12){-webkit-animation: uil-default-anim 1s linear infinite;animation: uil-default-anim 1s linear infinite;-webkit-animation-delay: 0.41666666666666663s;animation-delay: 0.41666666666666663s;}.uil-default-css { position: relative;background:none;width:200px;height:200px;}</style><div class='uil-default-css' style='transform:scale(0.95);'><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(0deg) translate(0,-60px);transform:rotate(0deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(30deg) translate(0,-60px);transform:rotate(30deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(60deg) translate(0,-60px);transform:rotate(60deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(90deg) translate(0,-60px);transform:rotate(90deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(120deg) translate(0,-60px);transform:rotate(120deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(150deg) translate(0,-60px);transform:rotate(150deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(180deg) translate(0,-60px);transform:rotate(180deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(210deg) translate(0,-60px);transform:rotate(210deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(240deg) translate(0,-60px);transform:rotate(240deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(270deg) translate(0,-60px);transform:rotate(270deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(300deg) translate(0,-60px);transform:rotate(300deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div><div style='top:80px;left:93px;width:14px;height:40px;background:#00b2ff;-webkit-transform:rotate(330deg) translate(0,-60px);transform:rotate(330deg) translate(0,-60px);border-radius:10px;position:absolute;'></div></div>
</div>
</div>
<center>Simple Test Page
</br></br>
<iframe height="500px" width="500px" src="http://blog.grplusbd.net"><iframe>
</center>
</body>
</html>

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওয়েবসাইট হ্যাক !!!

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওয়েবসাইট হ্যাক !!!
সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওয়েবসাইট একজন ইরাকি হ্যাকার দ্বারা হ্যাক হয়েছে । 

ইরাকের ‘Pro_Mast3r’ নামক এক হ্যাকার আমেরিকা এর প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওয়েবসাইট হ্যাক করেছেন বলে দাবি করেছেন । 

যদিও ওয়েবসাইটটি সরাসরি ট্রাম্পের ক্যাম্পেইন ও্য়েবসাইটের সাথে সংযুক্ত নয় । এটি শুধুমাত্র একটি সাবডোমেইন ছিল । ArsTechnica এর মতে শুধুমাত্র ক্লাউডফ্লেয়ারের কনটেন্ট মেনেজমেন্ট এর একটী সাবডোমেইন । এর সাথে মূল ওয়েববসাইটের কোনো সম্পর্ক নেই ।


‘Pro_Mast3r’  নামক   উক্ত ইরানি হ্যাকার ওয়েবসাইটে নিজের ডিফেস পেজ বসিয়েছে । যাতে একজন টুপি পড়া লোক টুপি দিয়ে নিজের মুখ ঢাকছেন । ডিফেস পেজের মেসেজে বলা রয়েছে যে : 
Hacked By Pro_Mast3r ~Attacker GovNothing Is ImpossiblePeace From Iraq

উক্ত ডিফেস পেজের সোর্সকোডে কোনো প্রকার ম্যালিসিয়াস কোড পাওয়া যায় নি বলে জানিয়েছে ইতালির সেরা আইটি সাংবাদিক পাওলো আত্তিভিসোমি । তিনি তার বল্গে এটি নিছক গুজব ও একটি পাগলের কাজ বলে দাবি করেছেন । এসম্পর্ক এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায় নি ।

ড্রিল করা ছাড়াই সহজে দেয়ালে লাগাও রাউটার

ড্রিল করা ছাড়াই সহজে দেয়ালে লাগাও রাউটার
আসসালামু আলাইকুম,
কেমন আছো সবাই?
আজকের ভিডিও টিউটোরিয়ালে আমি তাওসিফ তুরাবি তোমাদের কিভাবে দেয়ালে রাউটার ঝুলাতে হয় তা দেখাবো। এজন্যে তোমাদের ড্রিল মেশিনে বা দেয়ালে ফুটো করার কাজ করা লাগবে না। কেবল টু সাইডেড ডাকট টেপ দরকার হবে।
কেনো রাউটার দেয়ালে ঝুলাবে?
  • ভালো সিগন্যাল ব্রডকাস্টিং করার জন্য
  • তারের জঞ্জাল টেবিল থেকে সরানোর জন্য
  • সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য
  • রাউটারের কোনো ক্ষতি হবার থেকে রক্ষা করার জন্য

তো আমাদের সব কাজের ধাপ সাজানো রয়েছে এই ভিডিওটিতে, ভিডিওটি ইংলিশে, কারো ব্যঝতে অসুবিধা হলে বাংলা সাবটাইটেল ব্যবহার করতে পারো। আরো প্রোজেক্ট আসছে, থাকো আমাদের সাথে সাবস্ক্রাইব করার মাধ্যমে :)



ছোট গেমস মজা বেশি(পর্ব-৩২): সেই ঐন্দ্রজালিক অন্বেষণ তারকা মিকি মাউস (অ্যান্ড্রয়েড/পিসি)

ছোট গেমস মজা বেশি(পর্ব-৩২): সেই ঐন্দ্রজালিক অন্বেষণ তারকা মিকি মাউস (অ্যান্ড্রয়েড/পিসি)
আসসালামু আলাইকুম। খুব ধীর গতিতে পোস্ট করছি, তাই না? আসলে গত বছর জানুয়ারী মাসের ২ তারিখে আমার হাতে ১৬ টা বই ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিশাপ এই বছরেও কাটেনি। তাছাড়া, পরিমাণের চেয়ে মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই্, এখন অল্প সময়েই হুট হাট করে পোস্ট আর করব না বলে ঠিক করেছি। যেমন এই পোস্টটা লিখা শুরু করেছিলাম তিন দিন আগে। প্রতিদিন পড়ার ফাঁকে একটু একটু করে লিখছি।

এই পোস্টটি মূলত উইকিপিডিয়া এবং আরো কিছু সাইট ও ম্যাগাজিনের সাহায্যে করা হয়েছে। তাই, একটু বেশি তথ্যবহুল। এত প্যাঁচ ভাল না লাগলে সোজা নিচে গেম সম্বন্ধে নামে একটা হেডিং আছে। ওখানে নেমে যান।

শিরোনাম পরে যারা দন্ত ভাঙিয়া ফেলেছেন, তারা প্রথমেই দাঁতের চেকআপ করে আসুন। সামনে আরো কঠিন শব্দ আসছে। সহজ ভাষায় বললে, শিরোনামটা একটু সহজ ভাবে বললে বলতে হবে, জাদুকরী অনুসন্ধানে মিকি মাউস। আসলে ইংরেজী নামটাও বড্ড কঠিন, The Magical Quest Starring Mickey Mouse. বিশেষ করে Starring শব্দটার সঠিক অর্থ কি বুঝতে পারছি না, এটা হতে পারে তারকামন্ডিত, হতে পারে অভিনয়, হতে পারে তারকা।তবে যাই হোক, নামটা বেশ কঠিন, এটাতে সন্দেহ নাই।

Image result for Disney Starring Mickey Snes

দাঁতের চেকআপ না করা হলে আর পড়বেন না, না হলে দাঁত ভাঙিলে নিজেই দায়ী থাকবেন। ডিজনীর ঐন্দ্রজালিক অনুসন্ধান (Disney's Magical Quest) অথবা জাপানী ভাষায় ডিজনীর ঐন্দ্রজালিক দুঃসাহসী অভিযান ( ミッキーのマジカルアドベンチャー Mikī no Majikaru dobenchā/Disney's Magical Adventure) সিরিজের প্রথম গেম এটি। সিরিজের তিনটি গেম একই গেমপ্লের উপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন কাহিনীর উপর প্রস্তুত করা হয়েছে। এই সিরিজে মিকির প্রধান শত্রু পেগ-লেগ-পেট। ওর আসল নাম ভয়ানক টম(Terrible Tom) এবং পুরো নাম Peter Pete, Sr. এছাড়াও Bad Pete, Big Pete, Big Bad Pete, Black Pete, Bootleg Pete, Dirty Pete, Mighty Pete, Pee Wee Pete, Peg-Leg Pete, Petey, Pistol Pete, Sneaky Pete, Piston Pete নামে পরিচিত। উমম, ঠিক ধরেছেন, নামগুলো উইকিপিডিয়া থেকে কপি করলাম। বাপরে! কত নাম! ভয় পাইসি। অনুবাদকের সাহায্য নিয়ে যথাক্রমে এদের অর্থ হবে খারাপ পিট, বড় পিট, বড় খারাপ পিট, কাল পিট, বুটজুতা পায়ে পিট, নোংরা পিট, শক্তিশালী পিট, পি উই পিট(অর্থ জানি না), খুঁটি পা পিট, পিটি, বন্দুক পিট, গোপন পিট, চাপদন্ড পিট। আবার ভয় খাইলাম! আবারো বলি, কারো দাঁতে সমস্যা হলে আমি দায়ী নই। যাক! পিটের নাম শুনে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, নায়ক টায়ক টাইপের কিছু ও না। হুমম, মিকি মাউসের প্রধান খলনায়ক এই পিট। পিট সম্বন্ধে আরেকটু জেনে রাখুন, ওর প্রথম আগমন ঘটে ১৯২৫ সালে, মিকি মাউসের এলিস ধাঁধার সমাধান করল(Alice Solves The Puzzle) পর্বে আর ওয়াল্ট ডিজনী আর ইউবি আইয়ুউইর্কস এর হাত ধরে। Norm Ferguson একে বিকশিত করেন। মূলত, মিকি মাউসে একটা খলনায়কের প্রয়োজন অনুভব করেই একে আনা হয়। বুঝতেই পারছেন, ইঁদুরের শত্রু বিড়াল। তাই অবশ্যই পিট একটা বিড়াল। তবে খলনায়ক হলেও ওরও একটা জীবন আছে, বউ-বাচ্চা আছে। ওর স্ত্রীর নাম পেগ। মেয়ে Pistol Pete আর ছেলে Peter "P.J." Pete, Jr.

বোধহয় ওর একটা ফাইল ফটো দেখতে ইচ্ছে করছে। প্রথম আগমনে এর চেহারা ছিল এরকম।


আর আপনি মিকি মাউসের ভক্ত হয়ে থাকলে আপনার পরিচিত পিটের চেহারা এরকম-

আচ্ছা, খলনায়কদের কথা অনেক হল, এবার মিকির কথায় আসি। ১৯২৫ সালের কথা। অফিসে কাজ করছিলেন ডিজনী। এসময় তার চোখে পড়ল এক শান্ত ভদ্র ইঁদুর। ডিজনীর পাশে থাকা হাফ হারম্যান কিছু স্কেচ এঁকে ফেললেন ইঁদুরটির। পরবর্তীতে ১৯২৮ সালে এই স্কেচগুলো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আইওয়ার্ক্স(Ub Iwerks) তৈরি করেন মিকির স্কেচ। বস ডিজনীর তা মনে ধরে। কিন্তু তিনি এর নাম নিয়ে দ্বিধায় পরে যান। প্রথমে ভেবে চিন্তে নাম দেন মার্টিমার মাউস। কিন্ত তার স্ত্রী লিলিয়ানের তা মনে না ধরায় তিনি মিকি মাউস নাম রাখতে বলেন। বুঝতেই পারছেন, ডিজনীর নাম বদলানো ছাড়া আর উপায়ই থাকে না। আর এভাবেই জন্ম হয় মিকির। মিকিই পরে হয় ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানীর অফিসিয়াল মাসকট। ওর বন্ধুদের মধ্যে আছে মিনি মাউস, ডোনাল্ড ডাক, ডেইজি ডাক, গুফি দ্য ডগ সহ আরো অনেকে। এমনকি পুরোদস্তুর মানুষের মত জুতা মোজা দস্তানা পড়া এই ছোট্ট ইঁদুরটির একটা পোষা কুকুরও আছে। নাম প্লুটো।

Image result

গেম সম্বন্ধে

মূল পোস্টে আসার আগেই অনেক কথা হয়ে গেল। এবার আসি আজকের গেম নিয়ে। আজকের গেমের নাম তো বলেছিই, The Magical Quest Starring Mickey Mouse. এই গেমটি ১৯৯২ সালে সুপার নিনটেনডু এনটারটেইনমেন্ট সিস্টেম, সংক্ষেপে সুপার নিনটেনডু, আরেকটু সংক্ষেপে সুপার নেস এবং আরো সংক্ষেপে এসনেস প্লাটফর্মে রিলিজ করা হয়। পরবর্তীতে কিছু উন্নত করে The Magical Quest Starring Mickey And Minney নামে ১৯৯৩ সালে গেম বয় এডভান্স বা জিবিএ প্লাটফর্মে এটি রিলিজ হয়। এখানে চরিত্র হিসেবে মিকির পাশাপাশি মিনি মাউস অন্তর্ভুক্ত হয়। সাধারণ প্লাটফর্মার গেম (সুপার মারিও, কন্ট্রা, মেগা ম্যান,...) গুলোর মতই এই গেমের গেমপ্লে।

কাহিনী

গেমের প্রথমে দেখা যায় পার্কে ক্যাচ খেলছিল মিকি আর তার বন্ধুরা। হঠাৎ গুফির মারা একটি বল মিকির মাথায় লাগে কিন্তু মিকি তা ধরতে ব্যার্থ হয়। এগিয়ে আসে প্লুটো। কিন্তু বল খুঁজে আনতে গিয়ে আর ফিরে আসে না সে। মিকি হয় পেয়ে যায় প্লুটোকে নিয়ে। গুফি কথা দেয় সে নিশ্চয়ই প্লুটোকে খুঁজে আনবে। কিন্তু বসে থাকে না মিকি। বেরিয়ে পড়ে প্লুটোর খোঁজে 'ঐন্দ্রজালিক অন্বেষণে'। এক সময় জানতে পারে, তার কুকুরকে ধরে নিয়ে গেছে ভয়ানক 'পেগ-লেগ-পেট', যার সম্বন্ধে উপরে বলেছি। মিকি জানতে পারে, প্লুটোকে উদ্ধারে গেলে আশংকা রয়েছে নিজ জীবনের। আত্মরক্ষা করবে না প্লুটোর খোঁজ, এ নিয়ে কোন ভাবনা বাদেই প্লুটোকে খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নেয় মিকি...

গেম প্লে

এই গেমের এসনেস ভার্সনে মিকি অথবা গেমবয় এডভান্স ভার্সনে মিকি অথবা মিনিকে নিয়ে খেলতে পারবেন। শত্রুদের উপর লাফিয়ে পড়ে অথবা কোন কিছু গ্রাব করে ছুঁড়ে মেরে তাদের শেষ করতে পারবেন। প্রতিটা লেভেলে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ পয়েন্ট আর কয়েন কালেক্ট করে এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে, পেটের প্রাসাদের দিকে...! কয়েন দ্বারা স্টোর থেকে কোন দ্রব্য ক্রয় করতে পারবেন। আর এই স্টোরগুলো লুকানো আছে কিছু জায়গায়। খুঁজে নিতে হবে আপনাকে! বিভিন্ন লেভেলে নতুন নতুন পোশাক পাবে মিকি। প্রতিটি পোশাকে মিকির থাকবে আলাদা রকম ক্ষমতা।

এক নজরে

ডেভেলোপার: ক্যাপকম

পাবলিশার: ক্যাপকম, নিনটেনডু, ডিজনি ইন্টারএকটিভ

প্রস্তুতকারক: নোয়া ডিউডলি

প্লাটফর্ম: এসনেস, গেমবয় এডভান্স

ধরণ: প্লাটফর্মার

প্রকাশের তারিখ: ২০ নভেম্বর ১৯৯২

রেটিং

গেমটির এসনেস ভার্সনটি খুব ভাল রেটিং পেয়েছে। গেম র্যাঙ্কিং-এ এর স্কোর ৮৫.৫%। ইজিএম, নিনটেনডু পাওয়ার আর সুপার প্লে যথাক্রমে রেট করেছে ৯/১০, ৪.১/৫ ও ৮৫%।

তবে গেমবয় এডভান্স ভার্সনটির রেট অনেক পিছিয়ে। গেমস্পট আর আইজিএনে এর স্কোর যথাক্রমে ৬.৬/১ ও ৬/১০

আমাকে যদি রেট করতে বলা হয় এসনেস ভার্সনকে আমি ১০ এ ৯.৫ দিব :)

স্ক্রিণশট

The Magical Quest Starring Mickey Snes এর চিত্র ফলাফল

The Magical Quest Starring Mickey Snes এর চিত্র ফলাফল

The Magical Quest Starring Mickey Snes এর চিত্র ফলাফল

The Magical Quest Starring Mickey Snes এর চিত্র ফলাফল

সম্পর্কিত চিত্র

The Magical Quest Starring Mickey Snes এর চিত্র ফলাফল


গেমটি ডাউনলোড করুন

গেমটির গেমবয় ভার্সন একটু আপডেটেড হলেও এসনেস ভার্সনটিতেই বেশি মজা পাবেন। খেলার জন্য প্রথমে দরকার হবে একটি এসনেস ইমুলেটর। এবং এরপর গেম ফাইল (রম)। দুটি একত্রে জিপ (.zip) ফরম্যাটে ডাউনলোড করতে পিসি ব্যবহারকারীরা এখানে যান। এরপর ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন। নতুন দুটি .zip ফাইল পাবেন। 'zsnesw151-402.zip' ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন। এবার zsnesw.exe ফাইলটি অপেন করুন। গেম>লোড>Magical Quest Starring Mickey Mouse, The (USA) সিলেক্ট করে গেমটি শুরু করুন। অ্যারো কি দিয়ে মুভমেন্ট, এন্টার স্টার্ট বান আর স্পেস সিলেক্ট বাটন হিসেবে ব্যবহার করুন। লাফ দিন Z এবং কোন কিছু ধরুন বা নিক্ষেপ করুন A কি দিয়ে।

আর এন্ড্রয়েড ব্যবহার করলে এখানে প্লে স্টোর থেকে ইমুলেটর ডাউনলোড করে নিন। এরপর এখানে গিয়ে ডাটা ফাইল হোস্ট থেকে রম ফাইল ডাউনলোড করুন। ইমুলেটর ইন্সটলের পর অপেন করে রম লোড করে গেমটি খেলুন।

বিদায়!

যদি পড়ার পড়ার পর এটুকুও না জানান, গেম বা পোস্টটি কেমন লাগল, তাহলে মনে হয় এই ১১২২ শব্দ লেখাই বৃথা। তাই, একটু এই পোস্ট সম্বন্ধে আপনার মতামত প্রকাশে একটা মিনিট ব্যয় করবেন। আল্লাহ হাফেজ।

ছোট গেমস মজা বেশি(পর্ব-৩১): ওয়াল্ড ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপ ২(উইন্ডোজ ৮.১/১০/উইন্ডোজ ফোন/অ্যান্ড্রয়েড)

ছোট গেমস মজা বেশি(পর্ব-৩১): ওয়াল্ড ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপ ২(উইন্ডোজ ৮.১/১০/উইন্ডোজ ফোন/অ্যান্ড্রয়েড)
আসসালামু আলাইকুম। আমার ছোট গেমস মজা বেশি একত্রিশতম পোস্টে স্বাগতম।

WCC 2 এর চিত্র ফলাফল

আমি যদিও আপাত দৃষ্টিতে একজন গেমার না, তবুও প্রতিটা মানুষেরই একাধিক পরিচয় থাকে। তাই, আমারও জীবনের একটি পরিচয় হল আমি একজন গেমার। আমার গেমিং জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃখ দুটি। প্রথমটি হল, আমাদের বিজয় দিবসে, গত বছরের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে পিএসফোর ও এক্সবক্স ৩৬০ এ রিলিজ পাওয়া ডন ব্র্যাডম্যান ক্রিকেট ১৪ এর সিক্যুয়েল, ডন ব্র্যাডম্যান ক্রিকেট ১৭, যেটি আর ৭ দিন পরেই পিসিতে রিলিজ পাওয়ার কথা, আমার পিসিতে চলবে না। ওটার আবার ৪ গিগাবাইট RAM প্রয়োজন, কিন্তু আমার পিসির RAM মাত্র ২ গিগাবাইট। তাই, ওটার পিএসফোর গেমপ্লে ভিডিও দেখেই দুঃখ ভুলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু শুধুই দুঃখ বেড়েছে। :( উঁয়া :( উঁয়া :(

আরেকটা দুঃখ ছিল, বর্তমানের সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যান্ড্রয়েড ক্রিকেট গেম, ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপ ২ খেলতে না পারা। যদিও বয়স মাত্র ১৫, তাও কেন জানি এই যুগে আমার মোবাইল ফোন নেই, এটা বললে অনেকেই ভাবে তাকে আমি আমার নাম্বার না দিতে চাওয়ার ধান্দা করছি মাত্র। যাই হোক, আমার নিজের কোন ফোন নাই। আম্মুর অ্যান্ড্রয়েডে এক-আধটু গেম খেলি মাঝে মাঝে। কিন্ত সেখানে মাত্র এবং কেবল মাত্র ৫১২ মেগাবাইট RAM বলে গেমখানা চলে না। তাই, খুব দুঃখের সাথে ব্লুস্টাক নিসিলাম। জানি, ব্লুস্টাকে গেম খেলে শান্তি নাই, তবু ব্লুস্টাক দিয়েও গেমটা খেলা গেল না।

কিন্তু দ্বিতীয় দুঃখটার সমাধান আমাকে করে দিয়েছে উইন্ডোজ স্টোর। স্টোরে যে বিনামূল্যেই গেমটি পেয়ে যাব, ভাবিনি। তাই এখন গেমিং লাইফে বড়সড় দুঃখ বলতে একটাই বাকি থাকল। আশা করি, আজ না হোক, নিশ্চয়ই কোন এক দিন আমার পিসিতে আমি ডন ব্র্যাডম্যান ক্রিকেট ১৭-ও খেলতে পারব।

আজকের গেম

হুমম, অবশ্যই আমাদের আজকের গেম ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপ ২। এই গেমটি আপনি এন্ড্রয়েড ও উইন্ডোজ ফোন এবং উইন্ডোজ ১০ ও উইন্ডোজ ৮.১ পিসিতে খেলতে পারবেন। তবে দুঃখের বিষয় হল, উইন্ডোজ XP/7/8 এ চলবে না এই গেমটি।

গেম সম্বন্ধে

একজন ক্রিকেট ফ্যান হিসেবে এই দুঃখবোধটা থাকবেই, বছর বছর ফিফা, পেস ইত্যাদি ফুটবল গেম অ্যান্ড্রয়েড আর পিসির জন্য নিয়মিত বের হলেও আমাদের এক-একটা গেমের জন্য অনেক অপেক্ষা করতে হয় অনেক দিন। এন্ড্রয়েড এবং পিসির ফুটবল গেমের অভাব নেই সত্য, কিন্তু ক্রিকেট গেমের অভাব বড়ই বেশি। তাই, এক-একটা ক্রিকেট গেমের মূল্যই আমাদের কাছে অন্যরকম। তাই, নেক্সট ওয়েভ মাল্টিমিডিয়ার এই গেমটি গ্রাফিক্স কোয়ালিটি, সাউন্ড ইত্যাদি খুব বেশি উৎকৃষ্ট (যুগের তুলনায়) না হলেও আমাদের জন্য যথেষ্ট :) গেমটিতে মূলত চার ধরণের গেম মোড আছে, প্রাকটিস মোড, কুইক প্লে, টুর্ণামেন্ট আর টেস্ট। আরো আছে চ্যালেঞ্জ এ ফ্রেন্ড, হট ইভেন্টস ইত্যাদি। গেমটির মেনুতে ব্যবহৃত হয়েছে উইন্ডোজ ৮ এর মত টাইলস, অবশ্য সেগুলো লাইভ না :(

WCC2 এর চিত্র ফলাফল

প্রাকটিস মোডে আপনি বিভিন্ন শটের অনুশীলন করতে পারবেন। কুইক প্লেতে কনফিগারেশন করে নিয়ে খেলতে পারবেন পছন্দ মত ম্যাচ। টুর্নামেন্ট আছে ৫ ধরণের। তবে গেমের সবচেয়ে বড় ফিচার হল টেস্ট ক্রিকেট। শর্টার এডিশনে ৬ বলে ৫ টা ৬ আমি দুই-তিন বার মেরেছি, কিন্তু টেস্টে কিন্তু এসব খাটবে না!

WCC2 এর চিত্র ফলাফল

টেস্ট ক্রিকেটে লফট মিটার পূর্ণ না হলে আপনি উড়িয়ে মারতে পারবেন না বল। এটা বেশ মজার করেছে গেমটাকে। এর ফলে টেস্ট খেলতে গেলে আপনাকে টেস্ট মেজাজেই খেলতে হবে।

গেমটিতে আছে থার্ড আম্পায়ার ডিশিসন, কমেন্টি, ছয় দুরত্ব মাপক, দুই ধরণের ক্যামেরা মোড সহ বিভিন্ন ফিচার। গেমটার এন্ড্রয়েড ভার্সনে ডিআরএস থাকলেও পিসি ভার্সনে এখনও নেই 🙁

  World Cricket Championship 2- screenshot

  World Cricket Championship 2- screenshot

  World Cricket Championship 2- screenshot

  World Cricket Championship 2- screenshot



গেমটার পূর্ণ মজা পেতে হলে পিসিতে অবশ্যই সাইন ইন করে নিতে হবে। নাহলে অনেক ফিচার পাবেন না। সাইন ইন করতে মাইক্রোসফট একাউন্ট লাগবে। ওটা বিনামূল্যে করে নিতে পারবেন। তবে এসময় শুধু মাথায় রাখবেন, সাইন ইন করার সময় একসময় একটা অপশন পাবেন জাস্ট সাইন ইন ফর দিস অ্যাপ। ওটায় মার্ক না করলে পরবর্তীবার থেকে আপনার পিসিতে ঢুকতে সাইন ইন করার প্রয়োজন হবে।

কন্ট্রোল

মোবাইলের কন্ট্রোল হল সোয়াইপ করে বলে পাঠাতে হবে। লফট বাটনে ক্লিক করে লফটেড শট খেলা যাবে। রান এবং ক্যানসেল রান বাটনে ক্লিক করে রান নিতে হবে। আর বল করার জন্য গতি এবং সুইং বা স্পিনের দিক ট্যাপ করে ঠিক করে নিয়ে সোয়াইপ করে বল ফেলার পজিশন ঠিক করতে হবে।

পিসির ক্ষেত্রে অ্যারো কি দিয়ে শটের দিক বা ব্যাটসম্যানের পজিশন ঠিক করতে হবে। শট করতে হবে ‘S’ চেপে। লফট খেলার জন্য ‘A’ চেপে রাখতে হবে। ‘D’ দিয়ে রান নিতে পারবেন এবং ‘C’ দিয়ে রান নেওয়া ক্যানসেল করা যাবে। বোলিংয়ের গতি, স্পিন বা সুইংয়ের দিক বুঝে ‘S’ চেপে নির্ধারণ করে অ্যারো কি দিয়ে বল ফেলার পজিশন ঠিক করতে হবে।

ডাউনলোড

পিসিতে খেলার জন্য উইন্ডোজ স্টোরে সার্চ দিয়ে বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিন। তবে এই স্টোরটি কেবল উইন্ডোজ ৮.১/১০ এই পাবেন। স্টোর ছাড়া আর কোথাও গেমটি পাবেন না।

আর এন্ড্রয়েডের জন্য তো প্লে স্টোরে গেমটি থাকছেই!

বিদায়!

পোস্টটি আপনার ভাল লাগলে কমেন্ট করুন, শেয়ার করুন। আর অামাদের সাথেই থাকুন।
আমার ব্লগ: গ্রিন রেঞ্জারস+