কমদামে পোর্টেবল মিনি ট্রাইপড?

কমদামে পোর্টেবল মিনি ট্রাইপড?
Image result for camera gimbal
ক্যামেরা গিম্বল
আমরা যখন রাস্তায় কিংবা আউটডোর ইভেন্ট থেকে লাইভ স্ট্রিম করি কিংবা ভিডিও তৈরি করি তখন সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটার মুখোমুখি হই সেটা হচ্ছে শেকি ভিডিও। সামান্য হাত নড়লেই পুরো ফ্রেম কাপতে শুরু করে। এই সমস্যাটা সমাধান করতে আমরা গিম্বল ইউজ করতে পারি, কিন্তু গিম্বল একটু এক্সপেন্সিভ। বাংলাদেশে ১০ হাজার টাকার নিচে গিম্বল পাবে না। গিম্বল কি না জানলে গুগোল থেকে Camera Gimble লিখে একটি সার্চ করলেই সব জানতে পারবে। গিম্বল আসলে একটা রোবোটিক হাত যেটা এক্সেলারোমিটার ব্যবহার করে ক্যামেরাকে ব্যালেন্স করে সোজা রাখে।

কিন্তু গিম্বলের দাম যেহেতু বেশি, তাই আমাদের এটার অল্টারনেটিভ বের করে নিতে হবে। আমরা আমাদের ক্যামেরার কিংবা ফোনের সাথে সেলফি স্টিক অ্যাটাচ করে রেখে হ্যান্ডেল করলে কিন্তু শেকি ভাবটা কমে যাবে। কারন তাতে জিনিস্টার ওজন বেড়ে  যাবে, তা হাতের কাঁপনে সহজে কেঁপে উঠবে না। 

Related image
মিনি ট্রাইপড
এছাড়া আমরা ফোল্ডেবল মিনি ট্রাইপড ইউজ করতে পারি। এগুলোর দাম কোয়ালিটির উপর ডিপেন্ডেন্ট। মানে ভালো কোয়ালিটি গুলোর দাম একটু বেশি। আমি মাঝারি মানের একটা ব্যবহার করি। এতে আমার ভিডিওগুলো স্থির হয়ে থাকে, এছাড়া আমি ফিল্ড ভ্লগিং আর শর্ট ক্লিপ নেবার সময়ও এটা ব্যবহার করে থাকি। এটার দাম পড়েছে ১৮০ টাকা। দারাজের সার্ভিস ফি সহ ২২০ টাকা। সাথে তারা একটা মোবাইল মাউন্ট দিয়েছে, এতে করে ট্রাইপডে মোবাইল ফোনও ব্যাবহার করা যায়। প্রোডাক্ট লিঙ্ক রয়েছে পোস্টের শেষে। মডেলের নাম Yunteng ty-228






রিভিউ দেখতে চাইলে দেখতে পারো,


প্রোডাক্ট লিঙ্কঃ
Daraz (I think this one is original) - https://goo.gl/GqeeQx
Daraz (I think this one is a replica) - https://goo.gl/4qBjx9
  

স্কুল কিংবা কলেজের জন্য ট্রিবিউট প্রোফাইল পিকচার ডিজাইন করো!

স্কুল কিংবা কলেজের জন্য ট্রিবিউট প্রোফাইল পিকচার ডিজাইন করো!
অনেকেই আমাকে জিজ্ঞাস করছিলো যে আমি কিভাবে স্কুলের জন্য ট্রিবিউট প্রোফাইল পিকচারগুলো তৈরি করি। তাই ভাবলাম এইটা নিয়ে একটা টিউটোরিয়াল করা যেতে পারে। কিন্তু দেখলাম, ছবি দিয়ে দিয়ে এটার টিউটোরিয়াল করলে কেউই কিছু বুঝবে না। তাই আমি ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি করে রেখেছি যেটা জিআর+এর অফিশিয়াল চ্যানেল গ্রিন ল্যাবে আপলোড করা হয়েছে। চাইলে দেখতে পারো কিভাবে এই স্কুল কিংবা কলেজের জন্য ট্রিবিউট প্রফাইল পিকচার তৈরি করবে। এর জন্য ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করা হয়নি, কেবল ফটোশপের ব্যাসিক টুলগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। কারন অনেকে এখন ইলাস্ট্রেটরের থেকে ফটোশপে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। তবে আমি চেস্টা করবো ইলাস্ট্রেটরেও এটার টিউটোরিয়াল নিয়ে আসতে :)



পেঙ্গুইন (৩): পাইরেসি: কিভাবে ছাড়ব?

পেঙ্গুইন (৩): পাইরেসি: কিভাবে ছাড়ব?
আসসালামু আলাইকুম।
গত পর্ব থেকে জানতে পেরেছি, আমাদের ব্যবহৃত প্রায় সব সফটওয়্যারই পাইরেটেড। তাহলে পাইরেসি কিভাবে ছাড়ব?
উইন্ডোজ ছাড়া কম্পিউটার চালাব কিভাবে? আর অফিস ছাড়া, ফটোশপ ছাড়া তো চলবেই না। গেমিং তো আমার জীবন-মরণ। এখন উপায়?
হ্যাঁ, উপায় আছে। কারণ, পৃথিবীতে এমন অনেকেই আছেন, যারা নিজেদের অনেক কষ্টে ডেভেলোপকৃত সফটওয়্যারটি আপনার জন্য করে দিয়েছেন উম্মুক্ত। যে কেউ সেগুলো ব্যবহার করতে পারে, তার চেয়েও বড় কথা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। অর্থাৎ, আপনার যদি পাইরেসি ছাড়ার ইচ্ছা থাকে, কিন্তু পেইড সফটওয়ারগুলো কেনার মত সাধ্য অথবা সুযোগ না থাকে, তবে বিনামূল্যের সফটওয়্যারগুলো হতে পারে আপনার জন্য এক অসাধারণ সমাধান। প্রায় সব সফটওয়্যারেরই বিনামূল্যের বিকল্প রয়েছে। উইন্ডোজের বিকল্প ডিপিন (সবাই উবুন্টুর নাম বলে, ডিপিন আরেকটা ওএস, আমার সবচেয়ে প্রিয়।), মাইক্রোসফট অফিসের বিকল্প ডব্লুউপিএস অফিস ইত্যাদি।
ডব্লুউপিএস অফিস 
কি? আপনার মাইক্রোসফট অফিসের থেকে খুব মন্দ?

Deepin 
যে কোণ থেকেই দেখুন না কেন, এটা উইন্ডোজের চেয়ে অনেক সুন্দর! ♡

প্রশ্ন আসতে পারে, বিনামূল্যের সফটওয়্যার কি পেইড সফটওয়্যারের সমতূল্য হবে? আসলে, অনেক ক্ষেত্রে বিকল্প সফটওয়্যারগুলো পেইড সফটওয়্যারের চেয়েও ভাল হয়। যেমন, উবুন্টু একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী। এটি এমনিই যতটা সিকিউর, উইন্ডোজে ক্যাসপারস্কি বা ইসেট বা নরটন বা এভাস্ট লাগিয়ে দিলেও ততটা হবে না। কিন্তু সবক্ষেত্রে যে পেইড সফটওয়্যারের সব সুবিধা বিনামূল্যের সফটওয়্যারে পাবেন তা নয়। যেমন, আমি এখন লিব্রে অফিস ব্যবহার করছি। এটি একটি বিনামূল্যের ওয়ার্ড প্রসেসর। এখানে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কিছুই করা গেলেও ইউজার ইন্টারফেস খুব বেশি ফ্রেন্ডলি নয়। কিন্তু ভেবে দেখুন, মাইক্রোসফট অফিসের মূল্য যেখানে প্রায় দশ হাজার টাকা, সেখানে এটা একদমই বিনামূল্যে। এটুকু তো মেনে নিতেই হবে। দুধের সাধ ঘোলে না মিটলেও, দুধ কেনার টাকা না থাকলে যে ঘোলই খেতে হয়।
আজকের পর্ব এতটুকুই। আগামী পর্ব ইংশাআল্লাহ থাকবে লিনাক্স নিয়ে।

পেঙ্গুইন (২): পাইরেসি আমরা কিভাবে করি?

পেঙ্গুইন (২):  পাইরেসি আমরা কিভাবে করি?
আসসালামু আলাইকুম।
আসলে পাইরেসি ছাড়তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ইচ্ছা। যদি আপনি পাইরেসি ছাড়তে চান, তবে সবচেয়ে বড় প্রয়োজনটা পূরণ করে ফেলেছেন। এখন ইচ্ছার বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে। আর সেজন্য সবার আগে জানতে হবে আপনি কোন কোন ক্ষেত্রে পাইরেসি করছেন। চলুন দেখি, আমরা সাধারণত কোন কোন সফটওয়্যারগুলোর পাইরেটেড কপি ব্যবহার করছি-
কেএমএস অটো উইন্ডোজ অফিস
১। উইন্ডোজ এবং অফিস: উইন্ডোজ ১০ ও অফিস ৩৬৫ এর দাম সর্বমোট প্রায় ২০০০০(বিশ হাজার) টাকা। আমরা ব্যবহার করি পঞ্চাশ টাকা বা এরও কম দামে দুটো সিডি কিনে অথবা বিনামূল্যেই ডাউনলোড করে কেএমএস অটো দিয়ে এক্টিভ করে।
২। গেম: নীড ফর স্পীড, ফিফা, ডন ব্র্যাডম্যান ক্রিকেট, গ্রান্ড থেফট অটোর মত গেমগুলো প্রায় চার পাঁচ হাজার টাকা মূল্যের। অামরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকি, “কখন আসবে ক্র্যাক?”
৩। অন্যান্য সফটওয়্যার: ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর থেকে শুরু করে আমাদের এন্টিভাইরাস পর্যন্ত পাইরেটেড।
অর্থাৎ, আমাদের বহুল ব্যবহৃত প্রায় সব সফটওয়্যারই পাইরেটেড। তাহলে আমরা কিভাবে পাইরেসি ছাড়ব? আমরা তো গরিব বাঙালি, টাকা-পয়সা নেই। টাকা থাকলেও কেনার সুযোগ নেই। কথা সত্য, যে দেশে পেপাল আসতে জুম আসে, সেই দেশের ৯২% মানুষ পাইরেসি করলে অবাক হওয়ার কিছুই নেই।
তবে আগেই যে বলেছি, ইচ্ছা থাকাটাই আসল কথা। আপনার ইচ্ছে থেকে থাকে, তবে আপনার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছে লিনাক্সের বিশাল এক উম্মুক্ত জগৎ। যেখানে প্রায় সবই বিনামূল্যে। সে জগৎটার কথা নাহয়, পরে কোনদিন বলব?
ইংশাআল্লাহ, আগামী পোস্টে থাকবে পাইরেসি ছাড়ার উপায়।
আল্লাহ হাফেজ।

পেঙ্গুইন (১): পাইরেসি: যে কারণে করা উচিৎ নয়।

পেঙ্গুইন (১):  পাইরেসি: যে কারণে করা উচিৎ নয়।
আসসালামু আলাইকুম। এইতো! আর কয়েকদিন আগেও আমি পাইরেট ছিলাম। লিনাক্সে চলে আসার ইচ্ছা ২-৩ বছর ধরেই ছিল। এবার চলেই আসলাম। তো, এখন যেহেতু, পাইরেসি ছেড়ে দেওয়ার ডিশিসন নিয়েছি, সেহেতু এখন থেকে আর পাইরেটেড গেম বা সফট নিয়ে প্রোস্ট করব না ইংশাআল্লাহ। পাইরেসি নিয়ে অনলাইনের বিশাল জগতে অনেক পোস্ট আছে। কিন্তু তবু আমি লিখছি, কারণ এই বিষয়টা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরী। আসলে পাইরেসি সবারই ছেড়ে দেওয়া উচিৎ। কিন্তু কেন? অনেক কারণ-ই আছে।

পাইরেসি কি?

সফটওয়্যার পাইরেসি

যদি পাইরেসি শব্দটার সাথে আপনার পরিচয় না থাকে, তবে আপনি এই লেখাটা পড়ে ফেলুন। অজানা কোন লেখক এই লেখাটা লিখেছিলেন তিন বছর আগে। কিন্তু পাইরেসি নিয়ে এত সুন্দরভাবে লেখা বিস্তারিত আর কোন পোস্ট আমার চোখে পড়েনি। তাই আমিও পাইরেসি কি সেটা নিয়ে লিখলাম না। কারণ আমার পোস্টের বিষয়বস্তু হল পাইরেসি করা উচিৎ না কেন।

পাইরেসি কি চুরির সমান?

এটা একটা বড় পয়েন্ট। অনেকেই বলতে পারেন পাইরেসি চুরি না, কারণ এখানে তো আমি একটা কপি ব্যবহার করছি। আমারও তাই মনে হয়, পাইরেসি চুরির সমান হয়ত না। কিন্তু, তাই বলে পাইরেসি যে অপরাধ না তা তো কোনভাবেই বলা যাবে না।

নির্মাতার কথা ভাবুন

যার সফটওয়্যার আপনি পাইরেসি করছেন, তার কথাও তো ভাবা উচিৎ, নয় কি? একটা সফটওয়্যার বা গেমস বানাতে প্রায়সই কয়েক বছর পর্যন্ত লেগে যায়। সে যদি সফটওয়্যারটার একটা দাম নির্ধারণ করে, তবে সেটা কি তার প্রাপ্য নয়?
এখানে প্রশ্ন আসতে পারে, আমি যদি একটা সফটওয়্যার কিনতে না পারি, তবে তা পাইরেসি করলে ক্ষতি কি? কারণ আমি পাইরেসি না করলেও তো সফটওয়্যারটা কিনতে পারব না। তাহলে পাইরেসি করলে নির্মাতার ক্ষতি কি? আবার উইন্ডোজ কতজন পাইরেসি করে। কই, তাও তো বিল গেটস পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষ। তাহলে পাইরেসি না করার কারণ কি?

কারণ এটা অবৈধ

পাইরেসি নিয়ে যদি জেনে থাকেন, তবে আপনি অবশ্যই জানেন এটা অবৈধ এবং আইনত দন্ডনীয়। যদিও, পাইরেসির জন্য আমাদের দেশে সাধারণত শাস্তি পেতে হয় না, তবু এটা তো তাই বলে বৈধ হয়ে যাচ্ছে না। তাই না? আর এর চেয়েও বড় একটা কারণ আছে, সেটা কি জানেন?

ধরা পড়তেই হবে

হ্যাঁ, পাইরেসি করে যদি আপনি পৃথিবীতে ছাড় পেয়ে যান, তবুও সেদিন আপনাকে ধরা পড়তেই হবে, যেদিন বিচারকের আসনে আসীন থাকবেন আপনার সৃষ্টিকর্তা এবং তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিটা কাজের হিসাব নিবেন। সেদিন কিন্তু আপনি ছাড়া পাবেন না। অতএব, সেদিনের ভয় থাকলে অবশ্যই পাইরেসি ছেড়ে দেওয়া উচিৎ।

তাহলে করণীয়?

অবশ্যই আপনার ইচ্ছা থাকলে পাইরেসি ছেড়ে দেওয়ার উপায় আছে। তবে সে বিষয়ে এই পোস্টে কিছু লিখব না, ইংশাআল্লাহ! আগামী পোস্টে দেখা হবে।
আল্লাহ হাফেজ। বিঃদ্রঃ পোস্টে ব্যবহৃত ছবি গুগল ইমেজ সার্চের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট হতে সংগৃহীত। ইতোপূর্বে পোস্টটি

কিভাবে জানবো উইন্ডোজ কম্পিউটারের বয়স?!

কিভাবে জানবো উইন্ডোজ কম্পিউটারের বয়স?!




আমরা অনেকেই পুরাতন কম্পিউটার, নোটবুক, ল্যাপটপ কিনি বা অনেকেই মনে মনে ভাবছো পুরাতন কম্পিউটার, ল্যাপটপ, নোটবুক কিনবো। 
কিন্তু একটু সমস্যা হল এটা কতদিনের পুরাতন সেটা জানাটা একটু দরকার। তাই যারা এগুলোর বয়স জানাটা একটু জরুরি মনে করো তার জন্যই এই পোস্ট। 
কারন যে বিক্রি করবে সে সঠিক তারিখ নাও বলতে পারে। তাই আজকে যেনে নাও কিভাবে একটি কম্পিউটার এর বয়স বের করবো। তবে যারা জানো তাদের জন্য আজকের পোস্ট নয়।








নিচের ধাপ গুলো পর্যায়ক্রমে অনুসরন করঃ


    1. প্রথমে স্টার্ট মেনুতে যাও ।
    2. সার্চ অপশন থেকে cmd টাইপ করো এবং cmd.exe ফাইলটিকে run as administration হিসেবে চালু করো অথবা সরাসরি cmd চালু করো ।
    3. সেখানে টাইপ করুন নিচের কোডটি অর্থাৎ DEBUG টাইপ করে এন্টার দাও ।
    4. তারপর সেখানে টাইপ করুন DF000:FFF5 এবং এন্টার দাও ।
    5. তারপর দেখেনাও তোমার কম্পিউটারের বয়স।




    সার্চ ট্যাগঃ CMD Tricks, My Computer Age, How Old Is My Computer, Windows

    কম্পিউটার স্ক্রিনের নীল আলো চোখের জন্য ক্ষতিকর!

    কম্পিউটার স্ক্রিনের নীল আলো চোখের জন্য ক্ষতিকর!




    আমাদের এখন প্রত্যেকেরই আছে একটা করে স্মার্ট ডিভাইজ। হতে পারে সেটা ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ। অথবা একটা স্মার্টফোন হয়তো। যে যেই ডিভাইজই ব্যবহার করি না কেনো, সকলেরই জানার কথা, এখন সকল স্ক্রিনই এলইডি। এলইডি স্ক্রিন যেমন প্রতিটি ছবিকে করে তোলে জীবন্ত তেমনই এটা আমাদের চোখেরও সাধন করছে ভয়ানক ক্ষতি যা আমাদের অন্ধত্বের কারণ হয়ে দাড়াতে পারে।

    কারণ এই নীল আলোর তরঙ্গ দৌর্ঘ অনেকটাই ইউভি রশ্মির মতো যাকে আমরা  সুর্যের অতিবেগুনী রশ্মি হিসেবে চিনতে পারি। তাই রাতের বেলায় এই নীল আলো চোখে পড়লে মস্তিস্ক রাতের বেলাতেও দিনের বেলা মনে করে এবং ঘুম চক্র নষ্ট করে ফেলে।

    আমাদের ব্যবহার করা সকল প্রকার আলোতেই রয়েছে এই নীল আলোর অস্তিত্ব।
    সিএফএল বা এনার্জি সেভিং ল্যাম্পে রয়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ  নীল আলোর উপস্থিতি। এলইডি বাতিতে রয়েছে ৩৫ শতাংশ।

    স্মার্টফোন, ট্যাবের মতো ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত ব্যবহারের অভ্যাস হয়ে গেলে ঘুম এবং স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে।
    রাতে কম্পিউটারে কাজ করলে বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে ঘুম নষ্ট হয়ে যায়, এ কথা হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন কেন ঘুম নষ্ট করার জন্য দায়ী?

    এলইডি স্ক্রিন থেকে নির্গত কৃত্রিম নীল আলো ঘুমের চক্র নষ্ট করে দেয় এবং স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। মেলাটোনিন হচ্ছে দেহে ঘুম আনার জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন। এ ছাড়া ক্যানসারের মতো রোগের বিস্তারে প্রতিরোধ গড়ে তোলে মেলাটোনিন। গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন যে শরীরে মেলাটোনিন নামক উৎসেচকের উত্পাদন প্রক্রিয়ায় এলইডি স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো এই ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করে।
    আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির এক ভিডিও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় যে, নীল আলো আমাদের শরীরে এমন প্রভাব ফেলে যাতে শরীর রাতের বেলাতেও ধারণা করে নেয় সকাল হয়ে গেছে। তারা নিদ্রাহীনতার জন্য রাতের বেলা ডিজিটাল ডিভাইজের অতিরিক্ত ব্যবহারকে দায়ী করেন।
    ঘুম চক্র পরিবর্তন করার পাশাপাশি রাতের বেলা মোবাইল বা অন্যান্য যন্ত্রের ব্যবহারে আরও বেশ কিছু ক্ষতি হতে পারে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে চোখের সমস্যা।
    চোখের ক্ষতির জন্যও দায়ী করা যেতে পারে রাতের বেলা অতিরিক্ত সময় মোবাইলের ব্যবহার। চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মতে, রেটিনার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে যাতে চোখের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    মেলাটোনিনের ঘাটতিতে স্তন, গর্ভাশয় ও প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি হয়।

    গবেষকেরা দাবি করেছেন, নীল আলোর সামনে বেশি সময় থাকার ফলে মেজাজের ওপর প্রভাব পড়তে দেখা যায়। ইঁদুরের ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, মেলাটোনিনের মাত্রা কম হয়ে গেলে বিষণ্নতার মাত্রা বেড়ে যায়। মন ভালো থাকে না।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মেলাটোনিনের ঘাটতিতে এ ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব কেনো হয়? গবেষকেরা বলছেন, মেলাটোনিন যেহেতু ঘুমের সঙ্গে সম্পর্কিত তাই আমাদের হৃপিন্ডের ছন্দের ওপর এর প্রভাব রয়েছে। হৃদযন্ত্রের ছন্দের পরিবর্তন দেখা দিলে তা শরীরে বিভিন্ন উপসর্গ তৈরি করে। হৃদযন্ত্রের এই ছন্দ হচ্ছে দেহের অভ্যন্তরীণ জৈবিক ঘড়ি যা রাতের ঘুম আর দিনে জেগে থাকার বিষয়টি অনুভব করায়।

    দেহঘড়ির ওপর প্রভাবের এই বিষয়টি অন্য গবেষণাও দেখা গেছে। এর আগে ২০১২ সালে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষকেরা তাঁদের পরীক্ষায় দেখেছিলেন যে, রাতের বেলা জেগে কাজ করলে হৃদযন্ত্রের ছন্দে পরিবর্তন দেখা যায়।

    যুক্তরাজ্যের চক্ষু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, মুঠোফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে দৃষ্টি বৈকল্য সৃষ্টি হতে পারে। এতে করে মায়োপিয়া বা ক্ষীণ দৃষ্টি দেখা দিতে পারে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সাধারণত চোখ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার দূরত্ব রেখে তা ব্যবহার করেন। তবে, অনেকের ক্ষেত্রে এ দূরত্ব মাত্র ১৮ সেন্টিমিটার। সংবাদপত্র, বই বা কোনো কিছু পড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত চোখ থেকে গগে ৪০ সেন্টিমিটার দূরত্ব থাকে। চোখের খুব কাছে রেখে অতিরিক্ত সময় ধরে স্মার্টফোন ব্যবহার করলে জিনগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। ক্ষীণদৃষ্টি সৃষ্টির জন্য যা ভূমিকা রাখতে সক্ষম। গবেষকেরা একে ‘এপিজেনেটিকস’-সংক্রান্ত বিষয় বলেন।

    এই নীল আলো থেকে আমাদের নিজেদের রক্ষা করতে চাইলে আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে পারি।
    আমরা আমাদের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিনের জন্য ব্লু লাইট ফিল্টার করার অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করতে পারি। এছাড়া আমাদের অনেকের মনিটরে বিল্ট ইন নাইট মোড থাকে, সেটা আমরা ব্যবহার করতে পারি। এছাড়া  উইন্ডোজ টেনের সর্বশেষ আপডেটে নাইট মোড দেয়া হয়েছে, আমরা সেটাও ব্যবহার করতে পারি।
    আমরা আমাদের ঘরের আলো পরিবর্তন  করে ফেলতে পারি। সেক্ষেত্রে আমাদেরকে কালার টেম্পারেচার বা আলোর তাপমাত্রা মেপে আলোর উৎস নির্ধারন করতে হবে। সেক্ষেত্রে আমাদের ২৪০০কে বা কেলভিনের নিচে আলো নির্ধারন করতে হবে। ৬৪০০কে এর বাল্ব বা আলোর উৎসগুলো হবে একেবারে সাদা যাতে নীলের পরিমাণ বেশি। এবং এই কেলভিন রেটিং যত কমবে, আলোর তাপমাত্রা বাড়বে, অর্থাৎ  হলদে হবে এবং নীল আলোর পরিমাণ কমে যাবে। তাই আমরা ঘরে  হলদে আলো ব্যবহার করতে পারি।



    তথ্যসুত্রঃ প্রথম আলো, উইকিপিডিয়া, সিনেট এবং গিগাওমি

    স্মার্টফোন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করুন পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইডশো

    স্মার্টফোন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করুন পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইডশো

















    আসসালামু আলাইকুম,
    আজকের পোস্টের শিরোনাম দেখেই বোধহয় অনেকে আগ্রহী হয়েছে জানি। হবারই কথা।
    হ্যাঁ, আজকে আমরা জানবো কিভাবে আমাদের চিরপরিচিত বন্ধু শেয়ারইট দিয়ে আমাদের পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড দূর থেকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
    প্রথমেই আমাদের লাগবে শেয়ারইট ডেস্কটপ এবং অ্যান্ড্রয়েড। এই দুটি অবশ্যই থাকতে হবে। কারন আমরা এন্ড্রয়েড দিয়ে ডেস্কটপকে নিয়ন্ত্রণ করবো।
    তো আমরা চাইলে নিচের লিঙ্কগুলো থেকে শেয়ারিট ডাউনলোড করে নিতে পারি।

    Download ShareIt Desktop: http://www.ushareit.com/en/
    Download ShareIt Android: https://goo.gl/beVNMa

    এবার কাজের কথায় আসি, শেয়ারইটে বেশকিছু সুবিধা আছে, যেমন ইমেজ স্লাইডশো, পিপিটি স্লাইডশো।
    ইমেজ স্লাইডশো দিয়ে আমরা আমাদের ল্যাপটপ বা ডেস্কটপের স্ক্রিনে ফোন থেকে ছবি স্ট্রিম করে দেখাতে পারি। আর পিপিটি স্লাইড শোতে আমাদের ফোন একটা রিমোট কন্ট্রোলের কাজ করে যেটা দিয়ে আমরা আমাদের পাওয়ার পয়েন্টে ওপেন করা প্রেজেন্টেশন নিয়ন্ত্রণ করে দেখাতে পারি।

    আমাদের এখানে সবার আগে শর্ত হল একই নেটওয়ার্কে কানেক্টেড থাকা। আমরা এর জন্য রাউটার বা হটস্পট ব্যবহার করতে পারি। ল্যাপটপ হলে হটস্পট কাজ করবে, কিন্তু অধিকাংশ ডেস্কটপেই ওয়াইফাই সুবিধা নেই, তাই আমদের ওয়াইফাই রাউটার বা এডাপ্টরের সাহায্য নিতে হবে।

    আমি পুরো কাজের ধারাটি ভিডিও করে রেখেছি, চাইলে দেখতে পারো।

    নিজে নিজেই বানাও ডিজিটাল ক্যামেরার স্ট্যান্ড

    নিজে নিজেই বানাও ডিজিটাল ক্যামেরার স্ট্যান্ড
    হ্যাঁ বন্ধুরা কেমন আছো? আশা করি সকলেই ভালো আছো :) আবার আমি তাওসিফ তুরাবি তোমাদের মাঝে ফিরে এলাম।
    এবার এসেছি আমি একটা ডিআইওয়াই টিউটোরিয়াল  নিয়ে। ডিআইওয়াই বা ডু ইট ইয়োরসেলফ টিউটোরিয়াল বাংলাদেশে খুব একটা জনপ্রিয় না এবং ফিল্মেমকাররাও এদিকে মনোযোগী না খরচের কারণে।
    কিন্তু তবুও অনেকেই করছে। আর একটা ফানি ফ্লিম বা শর্টফিল্মের থেকে অনেক বেশি শিক্ষণীয়।
    আমিও ভাবলাম, কম খরচে সবার জন্য ডিআইওয়াই টিউটোরিয়াল বাংলায় শুরু করলে কেমন হয়? যে ভাবা সেই কাজ, এখন ইউটুব চ্যানেলে ডেইলি ভিজিটর ২০০ এবং সাবস্ক্রাইবার ৮৩ দুই মাসের মাঝে :)
    যাই হোক আমরা টিউটোরিয়ালে আসি।
    আমরা আজকে একটা পুরনো রিচার্জেবল ডেস্ক ল্যাম্পের বেইস ব্যবহার করে বা রিসাইক্যাল করে একটা ডিজিটাল ক্যামেরার হোল্ডার বা স্ট্যান্ড বানাবো।
    এর জন্যে আমাদের ঐ স্ট্যান্ডটি ছাড়া কিছুই লাগবে না। সেটাকেই আমরা একটা প্লায়ার্স দিয়ে ঠিক ঠাক করে ব্যবহার করতে পারবো। তো পোস্টের শেষে আমি ভিডিও টিউটোরিয়াল দিয়েছই, কারন এটা সহজে লিখে আর ছবি দিয়ে বোঝান সম্ভব না।



    WannaCry থেকে সাবধান!

    WannaCry থেকে সাবধান!

    বর্তমানে ইন্টারনেটে সবচেয়ে মারাত্মক র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের নাম WannaCry বা WannaCrypt.
    ২০১৭ সালের সবচেয়ে মারাত্মক সাইবার হামলা বলে ইতোমধ্যে অনেকগুলো আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে এর থেকে সাবধান থাকতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫০টি দেশের ৫৭,০০০টি বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার এর দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রায় ২০০,০০০ কম্পিউটার ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে।




    আচ্ছা, র‍্যানসমওয়্যার কি সেটা আগে জানিয়ে রাখি। 
    র‍্যানসমওয়্যারের র‍্যানসমের অর্থ সবার জানা, মুক্তিপন। র‍্যানসমওয়্যারের মূল কাজই হলো ব্যাবহারকারীর ফাইল "কিডন্যাপ করে" তার নিকট অর্থ দাবি করা।  
    সকল র‍্যানসমওয়্যারের চেয়ে এটির বেশি প্রলয়ঙ্করী ও মারাত্মক হবার কারন এটির এনক্রিপটি করার প্রচন্ড ক্ষমতা এবং সারা পৃথিবীতে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ভালনেরাবিলিটি। ভালনেরাবিলিটি হলো কোনো কম্পিউটার সিস্টেমের খুঁত যা ব্যাবহার করে ঐ সিস্টেমের ক্ষতি করা সম্ভব।  
    এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত পিসিতে ওয়ার্ম হিসেবে প্রবেশ করে পিসির সকল ফাইল একটা বড় "কী" দিয়ে এনক্রিপ্ট করে ফেলে যা ভাঙ্গা প্রায় অসম্ভব। তারপর সে ব্যাবহারকারীকে একটা নির্দিস্ট সময় বেধে দিয়ে তার নিকট নির্দিস্ট পরিমাণের অর্থ বিটকয়েনের মাধ্যমে পরিশোধ করতে বলে। যদি সে সেই পরিমাণ অর্থ দিতে অপারগ হয় তাহলে হয় অর্থের পরিমাণ বেড়ে যায় আরোও সময় দেরি করলে কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের সমস্ত ফাইল ডিলিট করে দেয়।

    ধারণা করা হচ্ছে, এনএসএ বা আমেরিকার সরকারী সাইবার সিকিউরিটী সংস্থা ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি থেকে আবিষ্কৃত "এটার্নাল ব্লু" নামের একটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের এক্সপ্লয়েট চুরি করে "স্যাডো ব্রোকার্স" নামের একটি হ্যাকিং টিম গত এপ্রিল মাসে অনলাইনে মুক্ত করে দেয়। এই এক্সপ্লয়েট ব্যবহার করেই WannaCry ট্রোজানটি হ্যাকাররা তৈরি করেছে।

    WannaCry প্রথম সনাক্ত হয় ১২ই মে শুক্রবার। এটি ইউরোপীয় দেশগুলোয় সবচেয়ে বেশি হামলা চালিয়েছে। 
    তার পরদিন, মার্কাস হুচিনস  নামের ২২ বছর বয়সী একজন নিরাপত্তা গবেষক এই ভাইরাসের ছড়িয়ে পরার গতি কমিয়ে আনতে সক্ষম হন। তিনি লক্ষ্য করেন, আক্রান্ত কম্পিউটার হতে ভাইরাসটি আক্রমণের সময় একটি ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। কিন্তু ঐ ওয়েবসাইটের  ডোমেইনটি রেজিস্টারই করা হয়নি। তিনি ঐ ডোমেইনটি নিজের নামে রেজিস্টার করার পর বুঝতে পারেন  কি বিশাল পরিমাণ কম্পিউটার আক্রান্ত হচ্ছে। তিনি দেখেন যে, ভাইরাসটি যখন ঐ ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করে, সে যোগাযোগ পুর্ন না হলেই ভাইরাসটি এনক্রিপ্ট করা শুরু করে। তখন তিনি ঐ ওয়েবসাইটটি রেজিস্টার করে যোগাযোগ সম্পুর্ন করার ব্যবস্থা করেন। এতে করে ভাইরাসটি আর কাজ করতে পারে না। কিন্তু তিনি একে পরিপুর্ন সমাধান বলেন নি। তিনি সকলকে সতর্ক থাকতে বলেছেন। তার ব্লগে পড়তে পারো সম্পুর্ন ঘটনা।
    উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীরা মোটামুটি সুরক্ষিত হলেও তাদের সতর্ক থাকতে বলেছে মাইক্রোসফটের কনজ্যুমার বিভাগ। এছাড়া মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৭, ভিস্টা, এক্সপি এবং সার্ভার ২০০৩ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারিদের দ্রুত এই সিকিউরিটি আপডেটটি ইন্সটল করতে বলা হয়েছে। আর প্রয়োজনীয় ডাটা দ্রুত অনলাইন কিংবা অফলাইনে কোনো এক্সটার্নাল ড্রাইভে ব্যাকআপ করে রাখাটাই এখন শ্রেয়।

    ছোট গেমস মজা বেশি(পর্ব-৩৩): মিকি আর মিনির মহান সার্কাস রহস্য

    ছোট গেমস মজা বেশি(পর্ব-৩৩): মিকি আর মিনির মহান সার্কাস রহস্য
    আসসালামু আলাইকুম। সবাই আশা করছি আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভাল আছেন।
    স্কুল আর প্রাইভেটগুলো বড্ড বেরসিক। তাই ২ মাস ১৩ দিন পর পোস্ট। অনেকটাই দেরি, তাই না? সর্বশেষ পোস্টে দিয়েছিলাম ডিজনীর ঐন্দ্রজালিক অনুসন্ধান সিরিজের প্রথম গেম। আজ থাকছে এই সিরিজের দ্বিতীয় গেম। গতকাল দীর্ঘ ভূমিকায় অনেক কঠিন কঠিন লেকচার দিয়েছি। আজ বেশি কথা বাড়াব না। তবে আগের পোস্টটা না পড়ে থাকলে আগে পড়ে নিলে ভাল হয়।

    মিকি আর মিনির মহান সার্কাস রহস্য

    ১৯৯৩ সালে সুপার নিনটেনডু এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেম (সংক্ষেপে এসনেস) ও সেগা জেনেসিসে এবং পরে ২০০৩ সালে গেম বয় এডভান্সে রিলিজ পায় এই গেমটি। গেমটির ইংরেজী নাম ছিল প্রথমে The Great Circus Mystery Starring Mickey & Minnie, পরবর্তীতে নাম দেওয়া হয় Disney's Magical Quest 2 Starring Mickey & Minnie (সহজকৃত বাংলা: মিকি মাউসের সাথে ডিজনীর জাদুকরী অনুসন্ধান ২)
    বুঝতেই পারছেন, গেমটিতে আপনাকে কোন কিছুর অনুসন্ধানে নেমে পড়তে হবে আপনাকে। কিন্তু কিসের? আচ্ছা, গেমের কাহিনী থেকে জেনে নিন।

    গল্প

    মিকি আর তার বন্ধু মিনি বাসে ভ্রমণ করে শহরের একপ্রান্তে এক সার্কাস প্রদর্শনীতে দিন কাটাতে যাচ্ছিল। বাস পৌছানোর একটু পরেই গুফির আবির্ভাব ঘটে। সে খবর দেয় রহস্যজনক ভাবে সার্কাসের তাঁবুর সবাই উধাও হয়ে যাচ্ছে। গুফির কথা শুনে ওরা কিছুটা চমকে গেলেও সার্কাসে গিয়ে নিজ চোখে সব পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়। সেখানে গিয়ে বুঝতে পারে, অন্যদের সাথে প্লুটো আর ডোনাল্ড ডাকও উধাও হয়ে গেছে। মিকি আর মিনি সিদ্ধান্ত নেয়, এই রহস্যের সমাধান করতেই হবে তাদের! খুঁজে বের করতেই হবে তাদের বন্ধুদের!
    নেমে পড়ুন মিকি অথবা মিনির সাথে। আর খুঁজে বের করুন কেনই বা উধাও হয়ে যাচ্ছে সবাই, আর কি রহস্য এই সার্কাসের!

    গেমপ্লে

    সিরিজের আগের গেমটির মতই এটিও টুডি প্লাটফর্মার গেম। আপনাকে ৬টি লেভেলের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে সব রহস্যের উম্মোচনে। আগের গেমের সব বৈশিষ্ট্যই আছে। শুধু নতুন কাহিনী, গ্রাফিক্সে কিছু পরিবর্তন, মিনিকে ক্যারেক্টার হিসেবে যুক্তকরণ এধরণের কিছু ভিন্নতা রয়েছে।

    এক নজরে

    ডেভেলোপার: ক্যাপকম, ক্লেইন কম্পিউটার, এন্টারটেইনমেন্ট
    পাবলিশার: ক্যাপকম, নিনটেনডু, ডিজনি ইন্টারএকটিভ
    প্রস্তুতকারক: নোয়া ডিউডলি
    প্লাটফর্ম: এসনেস, সেগা জেনেসিস, গেমবয় এডভান্স
    ধরণ: প্লাটফর্মার
    প্রকাশের তারিখ: ১১ নভেম্বর ১৯৯৪

    রেটিং

    স্ক্রিণশট

    ডাউনলোড

    গেমটি খেলতে প্রথমে ডাউনলোড করে নিন এসনেস ইমুলেটর (পিসি) / এসনেস ইমুলেটর (এন্ড্রয়েড) এবং রম ফাইল। এন্ড্রয়েড হলে ইমুলেটর ইন্সটল করে রম লোড করে খেলুন। পিসির ক্ষেত্রে .zip ফরমেটের ইমুলেটর এক্সট্রাক্ট করে zsnesw.exe ফাইলটি অপেন করুন। গেম>লোড>Magical Quest Starring Mickey Mouse, The (USA) সিলেক্ট করে গেমটি শুরু করুন। অ্যারো কি দিয়ে মুভমেন্ট, এন্টার স্টার্ট বান আর স্পেস সিলেক্ট বাটন হিসেবে ব্যবহার করুন। লাফ দিন Z এবং কোন কিছু ধরুন বা নিক্ষেপ করুন A কি দিয়ে।

    আমিও কিছু চাই

    সত্যি তো এটাই। মানুষ স্বার্থ ছাড়া কিছু বোঝে না। তাই, এই পোস্টটি করে আমারও একটা চাওয়া আছে। যেটা খুব ছোট্ট। শুধু নিচের কমেন্ট বক্সে গিয়ে ছোট্ট একটা কমেন্ট, এটুকুই আমার চাওয়া। নিরাশ করবেন না তো?
    ছোট গেমস মজা বেশি-এর ফেসবুক পেজে ঢুঁ মেরে আসতে পারেন।

    ফেইক একাউন্ট ক্র্যাকডাউন শুরু করলো ফেইসবুক!

    ফেইক একাউন্ট ক্র্যাকডাউন শুরু করলো ফেইসবুক!



    কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে অনেকের আইডি ফেইসবুক হতে ডিলিট হয়ে যাচ্ছে। একটা ঘাটাঘাটি করলেই জানা যাচ্ছে যে, তারা নিজেদের সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছিলো কিংবা একাধিক আইডি চলমান রেখেছিলো। ফেসবুক ঘোষনা করেছে যে তাদের ১.৮৬ বিলিয়ন ইউজার প্রতিমাসে ফেইসবুক ভিজিট করে।
    এবং প্রতি শুক্রবার তাদের এই সংখ্যা কমে যায়।

    ফেসবুক তাদের ফেইক একাউন্ট ডিলিট করা শুরু করেছে, এবং এর ফলে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া এবং সৌদি আরবের স্প্যামার নেটওয়ার্কগুলো ভেঙ্গে পড়ছে। এসকল তথ্য জানা শবনম শেখ নামের ফেইসবুকের একজন টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ম্যানেজারের ব্লগ পোস্ট থেকে থেকে। 
    এই স্যাপ্রযাম নেটওয়ার্কের মধ্যে বাংলাদেশের "সাইবার ৭১" অন্যতম বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

    সাধারণত স্প্যাম নেটওয়ার্কগুলো কাওকে হেনস্তা কিংবা কোনো পেইজের বা ব্যাক্তিগত প্রোফাইলের ফলোয়ার এবং লাইক বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া নানা মিথ্যে সংবাদ এবং স্ক্যান্ডাল ভাইরাল করার জন্যও এই স্প্যাম নেটওয়ার্কের আশ্রয় নেয়া হয়।

    ফেসবুক তাদের সোশ্যাল মার্কেটিং জন্যই ফেইক একাউন্ট ক্র্যাকডাউন শুরু করেছে বলে সংবাদমাধ্যম গুলোয় জানা গেছে। এর ফলে প্রচুর পরিমানে একাউন্ট একেবারেই ডিলিট হয়ে যাচ্ছে যার সংখ্যা ফেসবুক গোপন রেখেছে।

    ফেইক একাউন্ট এবং রোবট, সোশ্যাল নেটওয়ার্কের ডাটা ব্যাঙ্কের জন্য বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এবং ব্যবহারকারীও এতে বিরক্ত হয়ে পড়ে। ২০১৪ সালে ফেসবুক তাদের রিপোর্টে ৬৭.৭ মিলিয়ন থেকে ১৩৭.৮ মিলিয়ন একাউন্ট ভুয়া হিসেবে চিহ্নিত করে।

    ফেসবুকের পাশাপাশি টুইটারেরও একই সমস্যা রয়েছে। প্রায় ১৫% টুইটারের এক্টিভ ইউজারই রোবট বলে চিহ্নিত করেছে সাউদার্ন ক্যালিফর্নিয়া এবং ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি।

    অবশেষে এলো "রূপক"

    অবশেষে এলো "রূপক"


    বেশ প্রতীক্ষার পর প্রকাশিত হলো অনলাইন শিশু কিশোর ই-ম্যাগাজিন প্ল্যাটফর্ম "রূপক"
    জিআর+ নেটওয়ার্ক এবং টিম হাই ড্রিমার্সের সহযোগিতায় এবং হোস্ট ফরেস্ট ডট নেটের ডোমেইন এবং হোস্টিং পৃষ্টপোষকতায় রূপক হলো বাস্তব।
    প্রকাশ পাবার একদিনের মাঝেই ডাউনলোড হয়েছে ছয়শোর অধিক কপি যা পাওয়া যাচ্ছে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট rupok.net -এ একেবারেই বিনামূল্যে।
    প্রায় ১ মাসের কাউন্টডাউন গণনা করতে করতেই ১৪ই এপ্রিল নববর্ষের ভোরে সূর্যোদয়ে রূপকের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়। ওয়েবসাইট চালুও করা হয় একই সাথে।

    শুরু হচ্ছে গেইম ডেভেলপমেন্ট কন্টেস্ট "Game Jam"

    শুরু হচ্ছে গেইম ডেভেলপমেন্ট কন্টেস্ট "Game Jam"












     




    হ্যাঁ, বলতে গেলে বাংলাদেশের প্রথম সবচেয়ে বড় অ্যান্ড্রয়েড গেইম ডেভেলপমেন্ট প্রতিযোগিতা হতে 
    যাচ্ছে এটি। 
    আগামী ২৮ ও ২৯ এপ্রিল গ্রামীনফোনের উদ্যোগ এবং আইসিটি ডিভিশনের সহযোগীতায় শুরু হচ্ছে গেইম 
    জ্যাম প্রতিযোগীতা। 
    ৩৬ ঘন্টার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে পারবে যেকোনো ব্যাক্তি, সর্বোচ্চ ৬ জন এবং সর্বনিম্ন ২ জন নিয়ে একটি দল গঠন করা যাবে।

    যে দল বিজয়ী হবে তাদের প্রদান করা হবে ৫ লক্ষ টাকা পুরষ্কার এবং তাদের ডেভেলাপ করা গেইমের মার্কেটিং করার জন্য সবরকম সহযোগীতা করবে করবে আইসিটি ডিভিশন এবং হোয়াইট বোর্ড।
    প্রতিযোগিতার সহযোগী পার্টনার হিসেবে আছে স্যামসাং, ওয়াও বক্স, এম ল্যাব, অ্যাপনোমেট্রি, এবং গেমবক্স। দ্রুত নিজের আইডিয়া সাবমিট করে ৩৬ ঘন্টার মাঝে গেইম ডিজাইন করে জিতে নিতে পারো ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ টাকা পুরষ্কার।
    আইডিয়া অনুসারে নির্বাচন করে ১৭ই এপ্রিল টপ ২৫টি টিমের নাম ঘোষনা করা হবে। ২২শে এপ্রিল বুট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে এবং ২৮ এবং ২৯শে এপ্রিল "গেইম জ্যাম" অনুষ্ঠিত হবে।
    রেজিষ্ট্রেশনের সময় শেষ হবে ১৩ এপ্রিল ঠিক রাত ১২:০০ টায়
    প্রতিযোগিতা সম্পর্কে আরো জানতে এই লিঙ্কে যেতে পারো
    রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিঙ্কে যাও 

    মোটরের স্পিড বা, এলইডি-এর ব্রাইটনেস নিয়ন্ত্রণ করো একটা সার্কিট দিয়েই!

    মোটরের স্পিড বা, এলইডি-এর ব্রাইটনেস নিয়ন্ত্রণ করো একটা সার্কিট দিয়েই!
    পালস ওয়াইডথ মডুলেটর। এর নামের মাঝেই এর কাজের বিবরণ। এটা একটা ফ্রিকুয়েন্সির পালসকে মডুলেট বা, পরিবর্তন করতে পারে।
    ইলেকট্রনিক পিডব্লিউএম বা, পালস ওয়াইডথ মডুলেটর সার্কিট আসলে সেকেন্ডে লাখখানেক বা হাজারখানেক বার একটা সুইচকে অন অফ করে। এই অন অফ করার প্রতিটি পালসের মাঝের সময়ের পার্থক্যের আগপিছ হলে এলইডিএর ব্রাইটনেস বাড়াকমা করবে, তেমনি মোটরের স্পিড বাড়াকমা করবে।
    আমরা এখানে একটা ৫৫৫ আইসি মনোস্টেবল মাল্টিভাইব্রেটর মোডে ব্যবহার করবো।

    যেহেতু একটা খালি একটা পালস তৈরি করে, সুইচ অন অফ করে, তাই এটা ট্রাঞ্জিস্টর হতে কোন রকম হিট লস করে না। এতে এনার্জি লস কম হয়। আমরা সাধারণ যে ভলিউম আর ট্রাঞ্জিস্টর দিয়ে ডিমার বানি, ট্রাঞ্জিস্টর অনেক গরম হয়, এতে করে প্রচুর এনার্জি লস হয়। ব্যাটারি চালিত ডিভাইজ হলে ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
    তাই আমরা যদি আমাদের ডেস্ক ল্যাম্পের ব্রাইটনেস ঠিক করে নিতে চাই কিংবা ডিসি টেবিল ফ্যানের স্পিড নিয়ন্ত্রণ করতে চাই তবে আমরা এই পিডব্লিউএম সার্কিট ব্যাবহার করতে পারি।
    এটা বানো সোজা, মাইক্রোকন্ট্রোলার লাগে না বলে খরচ কম। এবং ৫৫৫ আইসিএর জন্য ১০ মিলি এম্পিয়ারের কম কারেন্ট লাগে এখানে। পোস্টের শেষে ডায়াগ্রাম আছে।

    এখানে প্রোজেক্ট ভিডিও রয়েছে যা আমি নিজেই করেছি,





    সহজেই বানাও ছোট একটা সাউন্ড এমপ্লিফায়ার!

    সহজেই বানাও ছোট একটা সাউন্ড এমপ্লিফায়ার!


    আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা,
    কেমন আছো সবাই?
    আজকে আমরা আমাদের ব্রেডবোর্ডেই একটা ১ ওয়াটের এমপ্লিফায়ার তৈরি করবো।
    এমপ্লিফায়ার বানানো বেশ মজার! কেনার চেয়ে নিজে একটা বানিয়ে ব্যবহার করলে মজা পাওয়া যায় অনেক! এটি ব্রেডবোর্ডে বানাবো, তাই জিনিশটা পল্কা, সহজে ব্যবহার করা যাবে না। তাই চাইলে তুমি বোর্ডে ঝালাই করে নিতে পারো। ঝালাইয়ের ব্যপারে আজ বলবো না, এর জন্য আরেকটা ভিডিও নিয়ে আসবো।




    এই এমপ্লিফায়ারটি বানাতে আমাদের এলএম৩৮৬ অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার আইসি প্রয়োজন হবে।
    আমাদের আজকের বানানো এমপ্লিফায়ারটি খুব বেশি পাওয়ার আউটপুটে দিতে পারে না, তাই একে দিয়ে জোর করে বেসি আউটপুট পাওয়ার আশা না করাই ভালো। তবে কম পাওয়ারের এমপ্লিফায়ার তৈরি করতে হলে এইটা চেষ্টা করা যেতে পারে। আর যদি আমরা ইলেকট্রনিক্সে নতুন হই, তবে এমপ্লিফায়ার তৈরি শুরু করার আগে এটা দিয়ে শুরু করা উচিত। এটা লো পাওয়ার অ্যাম্প, তাই বেশি পাওয়ার আউটপুট নেবার নেস্টা করলে নয়েজ বা হাম তৈরি হবে। এছাড়া ফিল্টার না করা ডিসি ভোল্টেজ, গ্রাউন্ড লুপ, এসি ভোল্টেজ বা কম পাওয়ারের পাওয়ার সাপ্লাইয়ের জন্য নয়েজ তৈরি হতে পারে।

    কম্পোনেন্ট গুলো হলো,
    1. LM386 Op Amp
    2. 0.1uF Ceramic Capacitor (Code 104)
    3. 1000uF Polar Capacitor
    4. 100uF Polar Capacitor
    5. 100k Ohm Potentiometer
    6. 1-5 watts Speaker
    7. 9 volts battery or power supply
    8. 3.5 mm audio jack
    9. wires

    এখানে ডায়াগ্রাম দেয়া হলো,




    অ্যাান্ড্রয়েড ফোনে ইলেক্ট্রিক গীটার কানেক্ট করো সহজেই!

    অ্যাান্ড্রয়েড ফোনে ইলেক্ট্রিক গীটার কানেক্ট করো সহজেই!




    আসসালামু আলাইকুম,
    কেমন আছেন সবাই? জিল্যাবের আরেকটি পর্বে সবাইকে স্বাগতম।
    আজকে আমি দেখাবো কিভাবে একটা নষ্ট হেডফোনের জ্যাক হ্যাক করার মাধ্যমে আমরা ওইটা দিয়ে আমাদের ইলেক্ট্রিক গিটার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে কানেক্ট করে গিটারের সাউন্ড রেকর্ড বা অ্যামপ্লিফাই করতে পারি।
    এটার জন্য আমাদের কোনো সার্কিট তৈরি করা লাগবে না। চাইলে যদিও আমরা একটা প্রি অ্যাম্প সার্কিট ব্যাবহার করতে পারি।
    এই প্রোজেক্টের জন্য আমাদের লাগবে,

    1. গীটার
    2. গিটার ক্যাবল
    3. হেডফোন জ্যাক(তারসহ) এবং 
    4. একটি স্মার্টফোন। 
    হেডফোন জ্যাকটি টিআরআরএস বা অ্যান্ড্রয়েডে সাপোর্টেড হতে হবে। এই জ্যাক আমরা কিনে নিতে পারি কিংবা পুরানো হেডফোন থেকে খুলে নিতে পারি।




    আমরা যদি হেডফোনের তার এর উপরের কভার খুলে ফেলি তবে আমরা সাধারনত চারটা তার দেখতে পাই। এই চারটা তার তাদের নির্দিস্ট টার্মিনালের সাথে ঝালাই করে লাগানো থাকে।
    আমি নিচে একটা ছবিতে টিআরআরএস কনফিগারেশন দেখিয়েছি।










    টিপের সাথে বাম কান, লাল রিং এর সাথে ডান কান, হলুদ রিং কানেক্ট হবে গ্রাউন্ড বা নেগেটিভ এবং স্লিভ কানেক্ট হবে মাইকের সাথে।
    এবং আমাদের প্রোজেক্টে কাজ হবে খালি গ্রাউন্ড এবং মাইকের তারে।


    আমার একটা অফিয়া ব্র্যান্ডের হেডপিস ছিলো যাতে চারটে তার ছিলো ভিতরে। আমি তাদের কানেকশান মাল্টিমিটার দিয়ে টেস্ট করে বের করেছি।
    অফিয়া (সাধারণ যেকোনো অ্যান্ড্রয়েড হেডফোন) হেডফোনের সবুজ তারটি বাম কানে, নীল তারটি ডান কানে, সোনালী তারটি গ্রাউন্ড বা নেগেটিভ এবং লাল তারটি মাইকের জন্য।
    তার সংযোগের আগে কিছুটা আগুনে পুড়িয়ে নিয়ে ইন্সুলেশন দূর করতে হবে। রঙ চলে গেলে বুঝবেন ইন্সুলেশন নেই।






    এবার খালি গিটারের ক্যাবলের এক মাথার সাথে ঐ জ্যাকের তার লাগাতে হবে।
    গিটারের ক্যাবলের টিপের সাথে মাইকের তার এবং স্লিভের সাথে গ্রাউন্ড বা নেগেটিভের তার লাগাতে হবে।
    জ্যাক্টি হ্যাক হয়ে গেছে।

    এবার ৩.৫ মিমি জ্যাকটি ফোনের কানেক্ট করো। এবার ফ্রিকুয়েন্সি রেস্পনস চেক করতে যেকোনো স্পেকট্রাম মনিটর অ্যাপের সাহায্য নাও। আমি এখানে অডিও স্পেকট্রাম মনিটর ব্যাবহার করেছি।




    এবার খালি বাজাও আর ফোনের রেকর্ডীং অ্যাপ দিয়ে রেকর্ড করো!

    কম্পিউটারে অডিও প্রসেসর নিয়ে যত সমস্যা!

    কম্পিউটারে অডিও প্রসেসর নিয়ে যত সমস্যা!



    অনেকের একটা ধারণা থাকে (আমারও ছিলো) যে অডিও ফ্রন্ট প্যানেল কিছুদিন পর নষ্ট হয়ে যায়।
    ধারণাটা ভুল। হ্যাঁ, আজকে নিজেই এর সমাধান করেছি। ৪ বছর আগের কেনা পিসিতে বেশ কয়েকবার উইন্ডোজ সেটাপ করেছি। আর এজন্যে যে আসল ড্রাইভারটাই ডিলিট হয়ে গেছে খেয়াল ছিলো না। :P
    আজকে পিসি খুলে পরিস্কার করবার সময় অডিও প্রসেসরটা নজরে পড়লো। ভীয়া?! (ভিআইএ)
    আমি কিন্তু এতোদিন রিয়েল্টেক ড্রাইভার ব্যাবহার করেছি। ২ বছর শুধুশুধু বোকামির মাশুল দিলাম। ফ্রন্ট প্যানেল ঠিকই ছিলো -_-

    মাদারবোর্ড ডিস্ক থেকে ভিআইএ ড্রাইভার সেটাপ করলাম। ওমা! অনেক অডিও ফাংশন ফিরে আসলো যেগুলো আগে ছিলই না!
    আগে মাইক্রোফোন বুস্ট ফাংশানটি ছিলো না, সঠিক ড্রাইভারটি দেয়ার পর সেটা এসেছে। আগে মাইক্রোফোনে প্রচুর নয়েজ রেকর্ড হতো, এখন মাইক্রোফোন বুস্ট কমিয়ে দিতেই নয়েজ একদম কমে গেলো <3 br="">

    এছাড়া এখন লাইন ইন ইনপুট কাজ করছে বেশ ভালো ভাবে! স্টেরিও মিক্স দিয়ে অনেকগুলো সাউন্ড ইনপুট একত্র করে ব্যাবহার করতে পারছি। এতে আমি গিটার রেকর্ড করতেও পারছি ;)

    আমি সাজেস্ট করবো, মাদারবোর্ডের সিডি সাথে থাকলে সেটা থেকে সাউন্ড ড্রাইভার ব্যাবহার করতে।
    এতে অসুবিধা কম তো হবেই, এছাড়া সহজে হার্ডওয়ার চালু হবে। এছাড়া কেসিং সাইড প্যানেল খুলে মাদারবোর্ডের অডিও জ্যাকের আশেপাশের বড় আইসি গুলোর যেকোনো একটি হবে অডিও আইসি বা প্রসেসর, সেটার নাম পড়ে দেখতে পারেন। তারপর ওয়েবসাইট থেকে ড্রাইভার ডাউনলোড করে সেটাপ করলেই হবে। আমি ভিআইএ বা ভিয়া এবং রিয়েল্টেকের ড্রাইভার ডাউনলোড লিঙ্ক দিচ্ছি। ভিয়া হলে ড্রাইভার সেটাপ করলে সাথে একটা কন্ট্রোল প্যানেল সেটাপ হবে।


    সেখান থেকেই সামনের জ্যাক এনাবেল করা যাবে। আরেকটা কথা, সেটাপের পর পিসি রিস্টার্ট দিতে ভুলবেন না :p নাহলে ড্রাইভার রান করবে না, হেডফোন কাজও করবে না।

    ডাউনলোড,
    1. ভিয়া টেকনোলজিস
    2. রিয়েলটেক সেমিকন্ডাক্টরস

    মেঘলা আকাশ ইফেক্ট?! Cloudy Sky Effect?!

    মেঘলা আকাশ ইফেক্ট?! Cloudy Sky Effect?!
    .

    আজকে আকাশ মেঘলা ছিলো। নাফিসা ছবিটা তোলার পর কিভাবে কি ফিল্টার দিবো সেটাই ভাবছিলাম। কিন্তু ঠিক করতে পারছিলাম না। এইচডিআর করার চেস্টা করতে করতেই এরকম হয়ে গেলো :p
    দেখাচ্ছি আপনাদের।

    আমার মূল ছবিটি এরকম


    এর রেজুলেশান বাড়িয়ে দিলাম প্রথমেই Ctrl + Alt + I চেপে, Resolution এর ঘরে 300 দিয়ে 


    এবার ওকে দিয়ে উপর থেকে Image > Adjustment > HDR Toning সিলেক্ট করতে হবে।

     





    এবার মেথড Exposure and Gamma সিলেক্ট করে Exposure এর মাণ 0.90 এবং Gamma এর মাণ 2.71 করে দিই। 
    এই মাণ ছবি মাফিক অন্য কিছুতেও ভালো লাগতে পারে, আমার জন্য আমার এটাই পারফেক্ট মনে হয়েছে


    শেষ! :3 ওকে দিয়ে ইমেজ সেভ করো।

    দাঁড়াও, একটু রিটাচ দিয়ে নিই :p
    কিছু না, ব্লার টূল দিয়ে একটু ঘষে মেজে দিতে হবে।

    শেষ এডিট করা :3

    ঘুরে আসি সৌরজগত থেকে!

    ঘুরে আসি সৌরজগত থেকে!
    আসসলামু আলাইকুম।
      Solar System Scope- screenshot
    এই মহাবিশ্বের বিশালতা, ব্যাপকতা, সৌন্দর্য্য আর আমাদের সৃষ্টিকর্তার অপূর্ব সৃষ্টি কাকে না মুগ্ধ করে? মহাবিশ্বের অতি ক্ষুদ্র জায়গা আমাদের এই সৌরজগত। আর এই সৌরজগতের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ পৃথিবীর বাংলাদেশ নামক স্বপ্নের দেশই কতই না বড়! কিন্তু আজ বিজ্ঞান আমাদের সামনে কত সহজেই না তুলে ধরেছে সৌরজগতকে। চলুন না ঘুরে আসি সেই রহস্যময় জগত থেকে।

    এখানে আপনি গ্রহগুলোর বিভিন্ন তথ্য জানতে পারবেন। দেখতে পারবেন, সৌরজগতে গ্রহ, উপগ্রহ আর গ্রহাণুর ঘূর্ণন। পৃথিবীর চারপাশে কিভাবে চাঁদ ঘুরে? অথবা, কোন অদ্ভুত কক্ষপথ প্লুটোকে আর অন্যান্য গ্রহাণুগুলোকে করেছে এত ব্যাতিক্রম? শনি, বৃহস্পতি এত উপগ্রহ নিয়ে কিভাবে চলছে? কোন মাসের, কত তারিখ, কোন সময় কেমন ছিল কোন গ্রহের অবস্থান? চলুন না একটু ঘুরে আসি!

    ডাউনলোড