নিয়ে নিন একটি পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড সাথে পান ২৫ ডলার বোনাস

বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে দরকার পড়ে ইন্টারনেটে ইন্টারন্যাশনাল টাকা লেনদেনের। বিশেষ করে আমরা যারা ব্লগিং করি ও আউটসোর্সিং করি তাদের অবশ্যই একটা ইন্টারন্যাশনাল লেনদেন ব্যবস্থার দরকার পড়ে। এছাড়াও কেনাকাটা, গেমস খেলা সহ বিভিন্ন প্রয়োজনেই দরকার হয় ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট সিস্টেমের। আর বাংলাদেশীদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী পেমেন্ট সিস্টেম হল পেওনিয়ার। কেননা এসময়ে বহুল জনপ্রিয় পেপ্যাল এর অস্তিত্ব বাংলাদেশে নেই । তবে আপনার যদি একটা পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড থাকে তবে আপনি সহজেই বাংলাদেশ থেকেই একটা ভেরিফাইড পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন অনায়াসে। এছাড়াও প্রায় ৯০% অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড সাপোর্ট করে। আর এটি মাস্টার কার্ড হওয়ায় আপনি আপনার বাড়ির কাছের যেকোনো মাস্টার কার্ড সাপোর্ট করে এমন এটিএম থেকেই টাকা উঠাতে পারবেন।

 নিয়ে নিন একটি পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড সাথে পান ২৫ ডলার বোনাস


এবার মূল কাজে চলে আসি। ধাপে ধাপে কীভাবে পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড পাবেন তা উল্লেখ করছি।

...যাযা প্রয়োজন...

১। বয়স ১৮ এর উপরে হতে হবে।
     আমার মত অনেকেই আছেন যাদের বয়স ১৮ এর নিচে তাদের প্রশ্ন জাগতেই পারে যে
আমার বয়সতো ১৮ এর নিচে তাহলে আমি কি কার্ড নিতে পারবনা :( 
   তাদের জন্য আমার উত্তর হ্যাঁ অবশ্যই নিতে পারবেন তবে আপনার নামে নয় বাড়ির বড় যেকারো নামেই আপনার    কার্ডটি ইস্যু করতে পারবেন। তবে বাবা অথবা মায়ের নামে ইস্যু করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর যদি বাব অথবা      মায়ের নামে ইস্যু করতে কোন সমস্যা হয় তবে ভেবেচিন্তে খুবই বিশ্বস্ত কারো নামে ইস্যু করবেন। অর্থাৎ নাম ঠিকানা    তার হলেও মূল কার্ড ও অ্যাকাউন্ট এর প্রয়োজনীয় তথ্য আপনার কাছেই থাকবে। আর কার্ডের মেয়াদ তিন বছর        তাই তিন বছর পরে আপনার নামে আরেকটা কার্ড ইস্যু করে নিবেন ব্যাস কাজ শেষ।
২। অবশ্যই ন্যাশনাল আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে।
৩। নিজের একটা সুস্পষ্ট ঠিকানা থাকতে হবে। যেমনঃ আপনি যেখানে থাকেন সেই বাড়ির হোল্ডিং নাম্বার, রাস্তার             নাম্,রাস্তার নাম্বার, এলাকার নাম, থানা,জেলা,বিভাগ ইত্যাদি ঠিক মত জানা থাকতে হবে তা না হলে কার্ড                 এপ্রুভ হলেও পোস্টঅফিস থেকে বাসা পর্যন্ত আনতে বেগ পেতে হবে।
৪। নিজের নামে (যার নামে কার্ড রেজিস্ট্রেশন করা হবে) রেজিস্ট্রেশন করা সিমের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করতে          হবে। এতে কার্ডের সিকিউরিটি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমি মনে করি।
৫। নিজের নামে (যার নামে কার্ড রেজিস্ট্রেশন করা হবে) রেজিস্ট্রেশন করা ইমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে হবে।  
     এতে কার্ডের সিকিউরিটি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমি মনে করি। এক্ষেত্রে জিমেইল অ্যাকাউন্ট হল সবচেয়ে
     উপযোগী ।

...কীভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন...

রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন।

লিঙ্কে ক্লিক করার পর নিচের মত একটি পেজ দেখতে পাবেন...


এবার Sign Up Now এ ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত পেজ দেখতে পাবেন...


আপনি দুটো অপশন দেখতে পাচ্ছেন।
১। Local Bank Account - এই অপশন ব্যবহার করলে যখন আপনি টাকা উঠাবেন তখন তা আপনার ব্যাংক
     অ্যাকাউন্টে আসবে। আর এই পদ্ধতিতে আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট এর কার্যক্রম দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
২। Prepaid MasterCard Card - আর দ্বিতীয় অপশনটি হল মাস্টার কার্ড নেওয়ার জন্য। এই অপশনটি ব্যবহার    
     করলে আপনি পৃথিবীর যেকোনো মাস্টার কার্ড লোগো সম্বলিত এটিএম থেকেই টাকা উঠাতে পারবেন।

আমি দ্বিতীয় অপশনটি সিলেক্ট করেছি তবে আপনি চাইলে প্রথমটিও সিলেক্ট করতে পারবেন।

এবার আপনার অপশন সিলেক্ট করে Sign Up এ ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত একটা পেজ আসবে...


এবার আইডি কার্ড অনুযায়ী নাম ও জন্মতারিখ এবং আপনার ইমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে Next এ ক্লিক করুন।

এবার নিচের মত একটা পেজ আসবে...


এবার সুস্পষ্ট ভাবে আপনার ঠিকানা দিন। তা না হলে হলে আপনার অ্যাকাউন্ট টি এপ্রুভ নাও হতে পারে আর এপ্রুভ হলেও পোস্টঅফিস থেকে আপনার বাসা পর্যন্ত কার্ড পৌঁছানো নিয়ে বেগ পেতে হবে এমনকি কার্ড নাও পেতে পারনে।
আর মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করাটাই আমার কাছে বেশী যুক্তিযুক্ত। কেননা এতে যেকোনো সময় কার্ড সম্পর্কিত যেকোনো প্রকার খবর সহজেই পাওয়া যাবে।

 Next এ ক্লিক করে পরের পেজে জান।


এখানে আপনার পাসওয়ার্ড দিতে হবে ও একটা সিকিউরিটি প্রশ্ন ও এর উত্তর সেট করতে হবে। আর আপনার ইউজার নেম হবে আপনার ইমেইল অ্যাকাউন্ট।

 Next এ ক্লিক করে পরের পেজে জান।


এখানে আপনার আইডি টাইপ ঠিক করতে হবে অর্থাৎ আপনি কোন আইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে তা উল্লেখ করতে হবে এবং সবগুলো বক্সে টিক দিয়ে Order এ ক্লিক করতে হবে।

তিনটি আইডির ক্ষেত্রে কিছু ভিন্নতা থাকলেও তা প্রায় একই রকম। আপনি যে আইডি ব্যবহার করতে চান তা ঠিক করে তার জন্য চাওয়া প্রতিটি তথ্য সঠিকভাবে দিন।

তিনটি আইডির জন্য যেধরনের তথ্য চাওয়া হয় তা নিচের ছবিতে দেখে নিনঃ




Order এ ক্লিক করার পর ইমেইলে একটা Confirmation মেসেজ পাবেন।


এরপর আরেকটা মেইল আসবে যেখানে । যেখানে আপনাকে আপনার আইডি কার্ডটি আপলোড করতে বলা হবে।


আমার ঠিকানায় একটা স্কুলের নাম আসায় তা এপ্রুভ হয়েছিল না ।



তবে পরবর্তীতে আবার তাদের মেইলে ঠিকানা দিলে পরবর্তীতে আমার কার্ডটি এপ্রুভ হয়।


কার্ড পেতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ দিনের মত সময় লাগে। তবে এর আগেই আপনি আপনার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন।
আমাকে ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারির মধ্যে কার্ড পাব বলে মেইল আসবে বললেও আমি তার অনেক আগেই কার্ড পেয়ে গেছি কারন আমি আমার ঠিকানার আপাদমস্তক সম্পূর্ণটাই দিয়েছিলাম। আর হয়তোবা পোস্টঅফিসের লোকজন কাজে অগ্রগতি এনেছে তাই তাড়াতাড়ি পেয়ে গেছি।

তাই আর দেরি কেন এখনি আপনার কার্ডের জন্য রেজিস্ট্রেশন করুন। 


...কীভাবে ২৫ ডলার বোনাস পাবেন...

আপনাকে ২৫ ডলার বোনাস পেতে হলে প্রথমে আমার রেফারেল লিঙ্কের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

এজন্য রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন।

রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনি যখন প্রথম ১০০ ডলার লেনদেন করবেন তখনই আপনি ২৫ ডলার বোনাস পাবেন। অর্থাৎ প্রথমবার টাকা লেনদেন করার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১০০ ডলার লেনদেন করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

...পেওনিয়ারের ফী সমূহ...

আপনি যেকোনো জায়গা থেকে সেবা পেলে তাকে ওই সেবার মূল্য দেন। ঠিক তেমনি পেওনিয়ার কার্ড নেওয়ার জন্য আপনাকে বার্ষিক ইস্যু ফি দিতে হবে আবার টাকা উঠানোর সময়ও একটা সল্পমানের ফী দিতে হবে। তবে চিন্তা করবেননা টাকাটা আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট থেকেই কেতে নেওয়া হবে আর আপনাকে পকেট থেকে বের করে কোন টাকা দিতে হবেনা। অর্থাৎ যতদিন আপনি টাকা লোড করবেননা ততদিন আপনাকে টাকা দিতে হবেনা এমনকি আপনার কার্ডটিও একদম সচল অবস্থায় আপনার বাসায় থাকবে।
নিচে পেওনিয়ার কার্ডের ফী এর চার্ট দেওয়া হলঃ


ফী এর পরিমাণটা একটু বেশী মনে হচ্ছে আমারও তাই মনে হয়েছিল। তবে আসল কথা হল এই ফী দিলেও অতি সহজেই আর সম্পূর্ণ (১০০+%) নিরাপদে আপনার টাকা মুহূর্তেই পেয়ে যাচ্ছেন। আর তাছাড়াও তাদের রেফারেল প্রোগ্রামের মাধ্যমেও টাকা আয় করতে পারবেন যা দিয়েই আপনার এই ফী পরিশোধ করেও আরও বেশী কিছু টাকা পকেটে রাখতে পারবেন।
তাই দেরি না করে এখনই আপনার কার্ডটি সংগ্রহ করুন। আর সহজেই আপনার উপার্জিত টাকা দেশে আনুন।


পেওনিয়ার কার্ডের জন্য রেজিস্ট্রেশন করুন

পোস্টটি প্রথম প্রকাশিত এখানে


শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট