তিন গোয়েন্দা রিভিউ (পর্ব-৭): মমি রিভিউ+পিডিএফ

আসসালামু আলাইকুম।
তিন গোয়েন্দাকে নিয়ে "অনিয়মিতভাবে" লিখে চলেছি আমি। তবে এখন থেকে নিয়মিত লেখার চেষ্টা করবো। এছাড়াও চেষ্টা করবো আমার ভবিষ্যতের পোস্টগুলো আগের চেয়ে ভালো করতে। এজন্য একটি মন্তব্যও অনেক সহায়তাপূর্ণ হবে। অতএব, পোস্ট খারাপ লাগলে মন্তব্য করবেন পোস্টের কোন অংশটা আরো উন্নতি করতে হবে। আর কেন ভালো লাগেনি। আর ভালো লাগলে অবশ্যই সেটাও মন্তব্যে জানাবেন। আপনি যদি অসংখ্য গালি দিয়েও আমাকে একটা ছোট্ট উপদেশ দেন তাও সেটা আমার জন্য লাভজনক হবে ভবিষ্যৎ উন্নতির জন্য। তাই অনুগ্রহ করে পোস্ট সম্পূর্ণ পড়ে এই পোস্ট সম্বন্ধে মন্তব্য করবেন। ১, ২... এভাবে ধাপে ধাপে আজ লিখবো। তবে এটার সাথে গল্পের ভাগগুলোর মিল খুঁজবেন না।
আর বইটি ডাউনলোড করতে চাইলে পাশের ছবিতে ক্লিক করুন।

প্রফেসর বেনজামিন, একজন বিখ্যাত ইগিপ্টোলজিস্ট অর্থাৎ, মিশর-তত্ববিদ। আর মিশর মানেই পিরামড আর মমি। তেমনি একটা মমির কাহিনী নিয়ে এই উপন্যাস, যে মমিটা কথা বলে! রা-অরকানের মমি! মমিটা অতি সাধারণ কাঠে রাখা। কোন আড়ম্বরতা নেই। আর শুধু তখনই কথা বলে যখন একা থাকেন প্রফেসর বেনজামিন! কথাটা বিশ্বাস করলেন না আরেকজন প্রফেসর উইলসন, যার বাবা প্রফেসর বেনজামিনের সাথেই ছিলেন মমি আবিষ্কারের সময় এবং মারা গেছেন মমি উদ্ধারের ১ সপ্তাহ পরেই, মমির অভিশাপে বলেই ধারণা করা হচ্ছে! তাই আর কোন বিজ্ঞানীকে কথা বলার খবর বলবেন না ঠিক করে প্রফেসর বেনজামিন খবর দিলেন ডেভিড ক্রিস্টোফারকে। তিন গোয়েন্দাকে চিঠি পাঠালেন তিনি। তিন গোয়েন্দার হাতে যখন চিঠিটা পৌছালো কিশোর না থাকায় পেলো রবিন আর মুসার হাতে। আর সাথে পেলো আরেকটা চিঠি, এক মহিলার হারানো বিড়ালের খুজেঁ দেওয়ার অনুরোধ। দ্বিতীয় চিঠিটি আগে খুলে দেখলো রবিন আর মুসা, তারপর ডেভিড ক্রিস্টোফারের চিঠি পড়ে হা হয়ে গেলো, এটা কি করে সম্ভব!!?!!
কিছুদিন আগেই একটি ভৌতিক কেস সমাধান করেছে তিন গোয়েন্দা। তাই কেসটা নিতে আগ্রহী হলো না সহকারী গোয়েন্দা আর নথি গবেষক। তারা লুকিয়ে রাখতে চাইলো কিশোর পাশার কাছ থেকে। কিন্তু ঠিকই জেনে গেলো কিশোর পাশা। কিভাবে? বলে দিলে মজা নষ্ট হবে। বরং স্ক্রিণশট দিই। পড়ে নিন। ছবিটা লেফট ক্লিক করে ভিউ ইমেজ দিয়ে বড় করে পড়তে পারেন। তবে আমি বলবো এখন পড়ে মজা নষ্ট করবেন না। আর আমি শুধু কিছু কাটসিন দিয়েছি। পড়ে নিলেও যাতে ৭৫% মজাটা গল্পেই পান সেজন্য। কি ডিডাকশন! বাপরে!
মমি কথা বলে, কিভাবে সম্ভব? আসলেই কি এটা মমির অভিশাপের জন্য? মমিটার একটা অভিশাপও আছে। সেই অভিশাপেই কি সত্যিই মারা গেছেন প্রফেসর উইলসন? প্রফেসর বেনজামিনের বাসায়ও অদ্ভুত কিছু ঘটতে থাকলো। আর সবচেয়ে বড় রহস্য হয়ে থাকলো কথা বলা মমি। সেই প্রশ্নের সমাধান কি? আসলেই ভৌতিক কিছু? নাকি কোন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রের সাহায্যে হচ্ছে এসব? আশেপাশে কি কেউ লুকিয়ে ভেন্ট্রিলোকুইজম করছে? আশেপাশে কাউকে পাওয়া গেলো না। মুসা আমানের আর ইচ্ছা হচ্ছে না এই রহস্য নিয়ে মাথা ঘামাতে। তাই সে ঠিক করলো রবিন আর মুসা রা-অরকানের রহস্য সমাধান করবে আর সে আবসানিয়ান বেড়ালের। কিন্তু সারাদিন খুজেঁও বেড়ালকে না পেয়ে প্রফেসরের বাড়ি আসলো সে। আর প্রফেসরের বাড়িতেই দেখা হলো একটা মহিলার বর্ণনা মোতাবেক বেড়াল আর জামান নামের এক ছেলের সাথে যে দাবি করছে বেড়ালটার মধ্যে আছে রা-অরকানের আত্মা আর রা-অরকান তার পূর্বপুরুষ! আর মুসাও দেখলো, এই বেড়ালের পায়ের রং কালো, যা মহিলার বর্ণনানুযায়ী সাদা হওয়ার কথা! জামানকে সন্দেহভাজনের তালিকায় রাখতে পারলো না তিন গোয়েন্দা। আরো জট বাড়ছে রহস্যের।
আমার মতামত: গল্পটা আমার ভালো লেগছে। আশা করি সব পাঠকেরই ভালো লাগবে। আর সেজন্য প্রকাশনার দিকটাও সবাইকে চিন্তা করতে বলবো। বাজারের যেকোন বইয়ের তুলনায় খুব কম দামে ২৫-৩০০ পৃষ্ঠার তিন গোয়েন্দার একেকটি ভলিউম মাত্র ৫০-৮০ টাকার মধ্যে পাবেন। বাজারে না পেলে রকমারি ডট কম বা অন্যান্য অনলাইন দোকান থেকেও কিনতে পারবেন। অতএব, পিডিএফ ভালো লাগলে বইটি কিনে নিবেন। এই গল্পটি ভলিউম ১.২ এর ২য় গল্প।

শেয়ার করুন

লেখকঃ

আমি দুইটি করে হাত, পা কান, চোখ বিশিষ্ট একজন মানুষ। নাম তাহমিদ হাসান মুত্তাকী। আমি একজন মুসলিম। বাংলাদেশের অধিবাসী। বয়স ১৫ বছর। নবম শ্রেণিতে পড়ি।। গ্রিন রেঞ্জারস+ এর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। আমাকে ফেসবুকে পেতে এখানে যান।

Image result for facebook.icon 30x30   Image result for Google Plus.icon 30x30

পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট
6:43 PM

সেই! তবে পড়ার টাইম নাই

Reply
avatar