এ বিং উইথআউট সেলফি উইন্স দা রেস

একদা ছিল একটা কচ্ছপ আর একটা খরগোশ। তারা দুইজনেই একই কলেজে পড়তো। তারা দুজনেই ক্লাসমেট ও বন্ধু হলেও গতির লাগালাগি তাদের সবসময় ছিল।
প্রায় কলেজে যাওয়ার পথে কম গতির জন্য কচ্ছপকে খোঁটা দিতো খরগোশ। একদিন কচ্ছপের সীমা ছাড়িয়ে গেলো। বলল, " আয় আমার সাথে দৌড় লাগ!"
হাসতে হাসতে খরগোশ বলল, "তবে তাই হইবে"
৫ মিনিট পর খরগোশ ফেসবুকে একটা ইভেন্ট খুলে নাম দিলো, "কচ্ছপ খরগোশ প্রীতি দৌড়"
ইভেন্টের মেম্বার হয়ে গেলো ১০৫৬ জন!

যথারীতি তিন দিন পর দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হবে। কলেজের সামনের রাস্তায় সকলে ওদের ঘিরে ছিল।
রেসের আগ মুহূর্তে রেসের আবেগে খরগোশ প্রোফাইল পিকচার বদলে দিলো উসাইন বোল্টের ছবি। আর কচ্ছপ প্রোফাইল পিকচার দিলো একটা চিতা বাঘের।

বাঁশিতে ফু দেওয়ার ২ মিনিটের মধ্যে খরগশের এক কিলোমিটার শেষ। কিন্তু কচ্ছপের হয়েছে মাত্র বিশ মিটার।
এক কিলোমিটারের বেশ কিছুদূর যাওয়ার পর খরগোশ ভাবল, দুই একটা সেলফি না তুললে তো হয় না।
যে  ভাবা সেই কাজ! দৌড়ানোর ভঙ্গিতে বেশ কয়টি সেলফি তুলল খরগোশ। আর ফেসবুকে আর ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে দিলো।
আর বুঝেনই তো! ফেসবুকে ছবি আপলোড, আর সাথে সাথে হান্ড্রেড প্লাস লাইক আর কমেন্ট। আর খরগোশতো
খুশি মনে একটা গাছের ছায়ায় বসে কমেন্টের জবাব দিতে লাগলো, কমেন্টে লাইক দিতে শুরু করল।
কমেন্টের রিপ্লাই দিতে দিতে তার আর মনে নাই যে রেসে আছে।
এই ফাকে কচ্ছপের রেস শেষ। সে ফিনিশ লাইন ক্রস করে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিলো, "আমি জিতে গেছি!"
এই স্ট্যাটাসে লাইক দিলো তিন জন। কিন্তু তার ফায়দা তো লুটলো!

শিক্ষাঃ ফেসবুক মাইনসের মূল্যবান সময় খাই ফেলে।


শেয়ার করুন

লেখকঃ

আমি তাওসিফ তুরাবি, অনলাইনাম (অনলাইন + নাম) ব্লগার তাওসিফ। এখন, ২০১৬ পর্যন্ত আমি ১৬ বছরের এক কিশোর। পড়াশোনা করি শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজে। টেক ব্লগ লিখতে ভালবাসি। সাইন্স ফিকশন আর গল্প লিখতে পছন্দ করি।  জিআর+ ব্লগের এর একজন প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডমিন।
আমাদের একটা ওয়েব ডেভেলপার ফার্ম আছে যার নাম জিআর+ আইটি বাংলাদেশ
এছাড়া আমার ব্যাক্তিগত ব্লগ রয়েছে। আমার ফেসবুক আইডিতে আমার সাথে সর্বক্ষণ যোগাযোগ করতে পারবেন। 


পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট