অভ্র কিবোর্ড - বাংলা ভাষার কিংবদন্তী | Avro Keyboard - Legend of Bangla

অভ্র কিবোর্ড - বাংলা ভাষার কিংবদন্তী
হ্যা, এমন কোনও বাঙালি ইন্টারনেট ইউজার খুজে পাওয়া মুশকিল যার ডিভাইজে অভ্র কিবোর্ড ইন্সটাল করা নেই।
অভ্র কী-বোর্ড হল মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ম্যাক ওএস, উবুন্টু এবং লিনাক্স-এ গ্রাফিক্যাল লেআউট পরিবর্তক এবং ইউনিকোড ও এএনএসআই সমর্থিত বাংলা লেখার বিনামূল্যের ও মুক্ত সফটওয়্যার।
অফলাইন কি অনলাইন, অফিস কি আদালত, বাসা কি সাইবার ক্যাফে, সর্বক্ষেত্রে ব্যাবহার হচ্ছে এই ওপেন সোর্স ফোনেটিক কিবোর্ড।


এখনকার প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা আর ইংরেজি কিবোর্ড শেখার পর বাংলা শেখে না, তারা ইংরেজি কিবোর্ড দিয়েই বাংলা লিখতে পারে।
অত্যন্ত দ্রুত বাংলা টাইপিং করতে জুড়ি নেই অভ্রের!
এছাড়া এটি ব্যাবহারকারি কোন শব্দ বেশি লেখেন সেটি লগ করে পরবর্তীতে ব্যাবহারকারি ওটি লেখার মুহূর্তে সাহায্য করে থাকে।
শুধু বাংলাদেশ, ভারত, আমেরিকা এবং পৃথিবীর সব প্রান্তের বাঙালি ব্যাবহার অভ্রকে করেন তাদের মাতৃভাষার হরফ লিখতে।

 এই সফটওয়্যারটির অনন্য বৈশিষ্ট্য হল এতে ফোনেটিক (ইংরেজিতে উচ্চারণ করে বাংলা লেখা) পদ্ধতিতে বাংলা লেখা যায়।

উইন্ডোজে ইউনিকোডে বাংলা লেখার জন্য ২০০৩ সালের ২৬শে মার্চ অভ্র কীবোর্ড সফটওয়্যারটি প্রকাশ পায়। মেহদী হাসান খান, যিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের একজন ছাত্র, ২০০৩ সালে অভ্র কীবোর্ড তৈরির কাজ শুরু করেন। তিনি এটি সর্বপ্রথম তৈরি করেছিলেন ভিজুয়াল বেসিক দিয়ে, পরবর্তীতে তিনি এটা ডেলফিতে ভাষান্তর করেন। এই সফটওয়্যারটির লিনাক্স সংস্করণ লেখা হয়েছে সি++ প্রোগ্রামিং ভাষায়। পরবর্তীতে রিফাত-উন-নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম, রাইয়ান কামাল, শাবাব মুস্তফা এবং নিপুন হক এই সফটওয়্যারের উন্নয়নের সাথে যুক্ত হন।

মেহদী হাসান খান


২০০৭ সালে 'অভ্র কীবোর্ড পোর্টেবল এডিশন' বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়। অভ্র কীবোর্ডের সাম্প্রতিকতম সংস্করণ ৫.৫.০ গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ এ প্রকাশিত হয়। সফটওয়্যারটির আগের সংস্করণের লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম সমর্থিত সোর্সকোড আগে থেকেই মুক্ত ছিল এবং ২০১০ সালে উইন্ডোজে অভ্র কীবোর্ডের ৫ ভার্সনের সাথে এর সোর্স কোড মোজিলা পাবলিক লাইসেন্স এর আওতায় উন্মুক্ত করা হয়।

সফটপিডিয়া তে ১০০% স্পাইওয়্যার/অ্যাডওয়্যার/ভাইরাস মুক্ত সফটওয়্যার বলে স্বীকৃত।

মাইক্রোসফটের অনলাইন সংগ্রহশালায় ইন্ডিক ভাষাসমূহের সমাধানের তালিকায় অভ্র কী-বোর্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।[৯]
জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কাজে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অভ্র ব্যবহার করে।

অভ্রকে বাংলা কীবোর্ড রিসোর্স হিসেবে ইউনিকোড সংস্থার ওয়েব সাইটে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার এনড ইনফরেমশন সার্ভিস - বেসিস বাংলা তথ্য প্রযুক্তিতে বিশেষ অবদানের জন্য 'বিশেষ অবদান পুরস্কার ২০১১' প্রদান করে।



এর আবিষ্কর্তা এবং ডেভেলপার মেহেদী হাসান কি ভাবতে পেরেছিলেন, তার ছোট্ট ওপেন সোর্স অ্যাপ্লিকেশন, বিশ্ব এভাবে মনে প্রানে গ্রহণ করে নিবে?
মেহেদী হাসানের নাম বাংলা ভাষার ইতিহাসে যেন অমর হয়ে লেখা থাকবে,
তিনি ভাষাকে উন্মুক্ত করেছেন অভ্র কিবোর্ড দিয়ে, যেখানে তিনি কোটি কোটি ডলার মূল্য অর্জন করতে পারতেন তার এই অ্যাপলিকেশন বিক্রি করে।
আমি বিজয় কিবোর্ডকে দোষ দিচ্ছি না, মন্দ গানও গাইছি না। বলছি শুধু, একটা পাইরেটেড সফটওয়ার থেকে ফ্রি ব্যাবহার অনেক ভালো।
বিজয় পাইরেসি করে ব্যাবহার না করে অভ্র ব্যাবহার করে দেখুন, আমি অভ্র ব্যাবহারে জোর দিচ্ছি না, বিজয় ব্যাবহার করা না করা আপনার ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল।


সাধারন ফিচারগুলো হল,
  1. ব্যাকগ্রাউণ্ড অ্যাপলিকেশন হিসেবে চলা
  2. স্টার্টআপের সময় চালু হয়ে যাওয়া
  3. হট-কি দিয়ে ফোনেটিক ব্যাবহার বা চালু করার সুবিধা
  4. হট-কি দিয়ে এএনএসআই ব্যাবহার বা চালু করার সুবিধা
  5. টাস্কবার ট্রে থেকে ফোনেটিক বা এএনএসআই ব্যাবহার বা চালু করার সুবিধা
  6. ফ্লোটিং উইন্ডো ব্যাবহারের সুবিধা (এতে আপনি যেখানেই কাজ করুন, আপনার স্ক্রিনে অভ্র কিবোর্ডের ছোট্ট কন্ট্রোল প্যানেল ভেসে থাকবে)


যারা ন্যাশনাল লেআউটে লিখতে পারেন না, তাদের জন্য অভ্র যেমন ফোনেটিক ব্যাবহারের সুবিধা দেয়, তেমনি ইংরেজি উচ্চারণে এএনএসআই ফন্টে লেখার সুযোগ দেয়।
এর জনপ্রিয়তা কেবল এই কয়টা ফিচারের জন্য নয়, এর আছে আরও কয়টি অসাধারন ফিচার!


অসাধারন ফিচারগুলো যেগুলো একে অন্য সকল কিবোর্ড থেকে আলাদা করেছে,
  1. ইউজার মোস্ট স্ট্রোকড কি ফিচার (সবচেয়ে বেশি লেখা শব্দ সাজেশানে সবার আগে আসবে)
  2. বাংলা স্পেলিং চেকার
  3. বাংলা স্পেলিং কারেক্টর
  4. ইমটিকন অটো কারেক্ট ( ঃভ থেকে :v )
  5. প্রিভিউ উইন্ডো (এর মাধ্যমে আপনি লিখার পর অন্যান্য সাজেশন থেকে অ্যারো কি দিয়ে সিলেক্ট করতে পারবেন)
  6. ফন্ট ফিক্সার (উইন্ডোজের ডিফল্ট বাংলা ফন্ট 'ভ্রিন্ডা' এর স্থলে অন্যান্য বাংলা ফন্ট, যেমন কালপুরুষ বা সিয়াম রুপালী সেটাপ করতে)
  7. বাংলা অন-স্ক্রিন কিবোর্ড! অভ্র মাউস!
  8. বাংলার কোনও বিশেষ যতিচিহ্ন, হরফ, অক্ষর বা যুক্তবর্ণ দিতে না পারলে লেআউট দেখে নেবার সুবিধা
  9. কাস্টম লেআউট তৈরি (আপনি সম্পূর্ণ নিজের একটি লেআউট তৈরি করে ব্যবহার করতে পারবেন এবং একজন লেআঊট ডেভেলপার হয়ে আপনার বানানো লেআউট অনলাইনে শেয়ার করতে পারবেন বা সেইভ করে রাখতে পারবেন)
  10. স্কিন ডিজাইনার (ইচ্ছামতো অভ্র কিবোর্ডের জিইউআই পরিবর্তন করুন [জিইউআই = গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেইস])
  11. ইউনিকোড থেকে বিজয় কনভার্টার (বিজয় কিবোর্ডের ফন্ট দিয়ে লিখতে বা ফটোশপে অভ্র কাজ না করলে ব্যাবহার করার আদর্শ টুল)


আসুন যদি এখনো ডাউনলোড করে না থাকি তবে ডাউনলোড করে নিই www.omicronlab.com


অ্যান্ড্রয়েডে এবং আইওএসের ফোনেটিক লেখার জন্য আছে রিদ্মিক কিবোর্ড (Ridmik keyboard) যার ডেভেলপার শামীম হাসনাত। এর সম্পরকে বিস্তারিত হবে আরেকটি লেখায়।

ম্যাকের জন্য আছে আইঅভ্র (iAvro)


এখন আসুন টুলগুলো ব্যাবহার দেখে নিই,


১। ইউনিকোড থেকে বিজয় কনভার্টার
এই টুলে আপনি ফোনেটিক কিবোর্ড দিয়ে ইউনিকোডে লিখে সেটা এএনএসআই বা বিজয় কিবোর্ডের ফন্টের জন্য পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।




২। স্কিন ডিজাইনার
এই টুলে আপনি ইচ্ছামতো অভ্র কিবোর্ডের জিইউআই পরিবর্তন করতে পারবেন। [জিইউআই = গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেইস]




৩। কাস্টম লেআউট
এই টুলে আপনি সম্পূর্ণ নিজের একটি লেআউট তৈরি করে ব্যবহার করতে পারবেন
এবং একজন লেআঊট ডেভেলপার হয়ে আপনার বানানো লেআউট অনলাইনে শেয়ার করতে পারবেন বা সেইভ করে রাখতে পারবেন।




৪। লেআউট ভিউয়ার
এই টুলে আপনি বাংলার কোনও বিশেষ যতিচিহ্ন, হরফ, অক্ষর বা যুক্তবর্ণ দিতে না পারলে লেআউট দেখে নেবার সুবিধা পাবেন।





৫। বাংলা অন-স্ক্রিন কিবোর্ড! অভ্র মাউস!
এই সম্পর্কেও কি বাড়তি কিছু বলা লাগবে? উইন্ডোজের অন স্ক্রিন কিবোর্ডের অনুকরণে বাংলা অন স্ক্রিন কিবোর্ড!




৬। ফন্ট ফিক্সার
উইন্ডোজের ডিফল্ট বাংলা ফন্ট 'ভ্রিন্ডা' এর স্থলে অন্যান্য বাংলা ফন্ট, যেমন কালপুরুষ বা সিয়াম রুপালী সেটাপ করতে পারবেন এই টুল দিয়ে!




৭। ওয়ার্ড সাজেশান
এর মাধ্যমে আপনি লিখার পর অন্যান্য সাজেশন থেকে অ্যারো কি দিয়ে সিলেক্ট করতে পারবেন



অভ্র কিবোর্ড এবং পেটেন্ট সংঘর্ষ

সম্প্রতি আমাদের প্রিয় অভ্র কিবোর্ড বেশ কিছু ঝড়ের সম্মুখীন হয়েছে। বিজয় কিবোর্ডের সিইও মোস্তফা জব্বার অভ্র কিবোর্ডের প্রতিষ্ঠাটা মেহেদি হাসানের নামে কপিরাইট ভঙ্গের নোটিস ঝুলিয়ে দিয়েছেন। এখন মেহেদি হাসানকে কারন দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে।
মোস্তফা জব্বার একজন ব্যাবসায়ি, তিনি তার বিজয়কে দিয়ে প্রচুর টাকা উপার্জন করেছেন। কিন্তু যুগ বদলায়। মেহেদি হাসান একজন ওপেন সোর্স ডেভেলপার। তিনি তার অভ্র কিবোর্ডকে অনলাইনে মুক্ত করে দিতেই একটা প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটে যায়, তার ফ্রি সফটওয়ারের দিকে মানুষ ঝুকে পড়তে থাকে। আর সম্ভবত এই বিষয়টিই জব্বার সাহেব সহ্য করতে পারেন নি, সরাসরি কপিরাইট ভঙ্গের মামলা ঠুকে দিয়েছেন। 

মেহেদি হাসান তার "ভাষা উন্মুক্ত হবেই" শীর্ষক ব্লগ পোস্টে বলেছেন,


অনুমতির প্রসঙ্গ যখন উঠলই তখন বলি, ২০০৩ সালে অভ্র ডেভেলপের পরিকল্পনা করার সময় আমি ফোনে মোস্তফা জব্বারের কাছে বিজয় লেআউট ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিলাম। তাকে পরিষ্কার ভাষায় বলা হয়েছিল, সফটওয়্যারটা যে কেউ বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবে। বিজয় তখনও ইউনিকোড সমর্থন করত না, ইউনিকোড সমর্থন দেয়ার কোন পরিকল্পনাও তার ছিল না। এই সফটওয়্যারটা ইউনিকোড সমর্থিত হবে, সুতরাং তিনি বিজয় ফন্টের অপব্যবহারের চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে পারেন। শুধুমাত্র লেআউট একই, এছাড়া সফটওয়্যার দুটোতে কোন মিল থাকবে না।
তিনিও তার জবাব জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাকে টাকা না দিলে তিনি অনুমতি দিবেন না। বেশ ভালো কথা, আমিও বিজয় কীবোর্ড অভ্রর সাথে দেইনি। জ্বী মোস্তফা জব্বার, অভ্র আপনার বিজয় কীবোর্ড ব্যবহার করে না। ইউনিবিজয় আর বিজয় কোনদিনই এক কীবোর্ড লেআউট ছিল না, এখনও নেই। যেখানে একটা কী এর পার্থক্য একটা আলাদা লেআউটের জন্ম দেয়, ইউনিবিজয়ের সাথে বিজয়ের সেখানে অন্তত ৮ টি কীতে পার্থক্য রয়েছে।

বিজয় শব্দটি আপনার রেজিস্টার্ড ট্রেডমার্ক। সেটা যাতে লঙ্ঘন করা না হয় এবং ইউনিবিজয় যে পরিষ্কারভাবে আলাদা একটা লেআউট সেটা বোঝাতেই এর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। আমরা কোনদিনই অভ্রর সাথে বিজয় নামে কোন লেআউট ব্যবহার করিনি।
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে ইউনিবিজয় বা ইউনিজয় লেআউটগুলো বের হয়েছে ২০০৩ সাল বা তারও আগে, ১৯৮৭ সালে ডিজাইন করা হলেও আপনি বিজয়ের পেটেন্ট পেয়েছেন ২০০৮/২০০৯ সালে। সেক্ষেত্রে পেটেন্টের আগের থেকেই থাকা এই লেআউটগুলো কীভাবে পেটেন্ট বিরোধী হয়ে গেল আমাদের বোঝাবেন?
নির্বাচন কমিশন ডাটা এন্ট্রি, ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করা এসবের জন্য প্রথম যে সফটওয়্যারটা ব্যবহার করেছিল সেটায় সরাসরিই বাংলা লেখা যেত, অভ্র বা বিজয়ের মত কোন কীবোর্ড ইন্টারফেস প্রয়োজন হত না। সমস্যা হল প্রতিটা ল্যাপটপের জন্য সেটার একটা আলাদা লাইসেন্স কিনতে হত, হাজার হাজার ল্যাপটপের জন্য হাজার হাজার লাইসেন্স। বুঝতেই পারছেন, বিশাল খরচের ব্যাপার। সে খরচ কমানোর জন্য কমিশন সিদ্ধান্ত নেয় এরকম একটা সফটওয়্যার তারা নিজেরাই ডেভেলপ করে নিবেন। বুয়েটের একজন শিক্ষককে সে দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা সেটাই করেন, শুধুমাত্র বাংলা লেখার অংশটা ছাড়া। যেহেতু অভ্র আগের থেকেই বিনামূল্যে পাওয়া যায় এবং ততদিনে একটা স্টেবল প্রজেক্ট হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে, তারা একই চাকা আবার আবিষ্কার করে সময় নষ্ট করতে চাইলেন না। জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরীতে তারা অভ্র ব্যবহার করলেন, বিনিময়ে তাদের কাছে আমি একটা জিনিসই চেয়েছিলাম- অভ্র যে নির্বাচন কমিশনে ব্যবহৃত হল তার একটা সনদ। সেটা তারা দিয়েছেন। এর বেশি কোন ঘটনা এখানে ঘটেনি।
আপনার ভাষ্যমতে আপনি যদি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভ্রর জন্য ৫ কোটি টাকার বিজয়ের লাইসেন্স বিক্রি করতে ব্যর্থ হন, এক কথায় বলি, আমাদের সমস্ত পরিশ্রম সার্থক। এ দেশের মানুষের ৫ কোটি টাকা নর্দমায় ভেসে যায়নি, বরং অন্য কোন কাজে লেগেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে আরেকবার কৃতজ্ঞতা জানাই তাদের সাহসী সিদ্ধান্তের জন্য।
(সচলায়তন ডট কম)


আমার মতে তাই এটি কোনো ক্রমে ক্লোন হতে পারে না।
চিত্রে সেই ৮টি কী



আজ একজন মেহেদি জব্বারদের শিকার হয়েছে, আগামিকাল আরেকজন হবে, আর এভাবেই বাংলাদেশ থেকে জোর করে মেধাগুলোকে গোঁড়া থেকে উপরে ফেলা হবে। আসুন অভ্রর পাশে থাকি, আর এই রকম ওপেন সোর্স ডেভেলপারদের সমর্থন দেই, আর বলে উঠি "জয় হোক ওপেন সোর্সের"

আজ অনেক হল, এখন আর নয়, আল্লাহ হাফেজ।

শেয়ার করুন

লেখকঃ

আমি তাওসিফ তুরাবি, অনলাইনাম (অনলাইন + নাম) ব্লগার তাওসিফ। এখন, ২০১৬ পর্যন্ত আমি ১৬ বছরের এক কিশোর। পড়াশোনা করি শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজে। টেক ব্লগ লিখতে ভালবাসি। সাইন্স ফিকশন আর গল্প লিখতে পছন্দ করি।  জিআর+ ব্লগের এর একজন প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডমিন।
আমাদের একটা ওয়েব ডেভেলপার ফার্ম আছে যার নাম জিআর+ আইটি বাংলাদেশ
এছাড়া আমার ব্যাক্তিগত ব্লগ রয়েছে। আমার ফেসবুক আইডিতে আমার সাথে সর্বক্ষণ যোগাযোগ করতে পারবেন। 


পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট