রোড রাশ থেকে রোড রিডিম্পশন, একটি সময় যন্ত্র(১৯৯১-২০১৬)

আসসালামু আলাইকুম।
বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ভবিষ্যৎ ভ্রমণের। তারা চেষ্টা চালিয়ে যাক সময়ের মাত্রাকে ছিন্নভিন্ন করার, ওদিকে আমি আপনাদের নিয়ে একটু অতীতে ঘুরে আসি। আমি রোড রাশের টাইমলাইন নিয়ে লিখবো।
কিন্তু তার আগে কিছু কথা বলে নিতে চাই, আমার এই পোস্টটা কোন স্থান থেকে কপিকৃত নয়। কোথাও থেকে সরাসরি অনুবাদকৃত নয়। তবে গুগল, উইকিপিডিয়া, বিভিন্ন ওয়েবসাইটের আর্টিকেল আমাকে সাহায্য করেছে। বিশেষত আমি একটা সাইটকে খুব ধন্যবাদ দিবো, রেট্রো স্পিরিট গেমস।
এই পোস্টটির সূচিপত্র(পৃষ্ঠা নং ছাড়া)
রোড রাশ
রোড রাশ (১)
রোড রাশ ২
রোড রাশ ৩
রোড রাশ ৩২ বিট
রোড রাশ এডিশন ২০১৬
রোড রাশ ৩ডি
রোড রাশ ৬৪
রোড রাশ জেইল ব্রেক
ফিরে এলো রোড রাশ?
রোড রিডেম্পটিশন


রোড রাশ

রোড রাশ গেমটি ইলেক্ট্রনিক্স আর্টের একটি অসাধারণ সিরিজ। এই সিরিজে আপনি একজন বেআইনী রেসারের ভূমিকায় খেলবেন। ফলে যদি আপনি থেমে যান বা যদি পড়ে যান আর পুলিশ এসে পড়ে, তারা আপনাকে ধরে নিয়ে যাবে  ;-( ।
আমরা বাংলাদেশীরা সাধারণত রোড রাশের মাত্র একটি ভার্সন খেলেছি। এটার নাম শুধু রোড রাশ। তবে শুধু রোড রাশ নামে ১৯৯১ সালে ও ১৯৯৬ সালে পৃথক দুইটি গেম রিলিজ পেয়েছে। তাই চিহ্নিত করার জন্য এটাকে অনেক সময় রোড রাশ ৩২ বিট বলা হয়। যারা এই গেমটার ফুল ভার্সন বিগ গেম মোডে খেলেছেন তারা এই আর্টিকেলটা ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।

রোড রাশ (১)

আজ আমি প্রথমেই ঘুরে আসতে চাই ২৫ বছর আগে-
২০১৬...,২০১৫...,২০১৪...,২০১৩...,২০১২...,২০১১...,২০১০...,২০০৯...,২০০৮...,২০০৭...,২০০৬...,২০০৫...,২০০৪...,২০০৩...,২০০২...,২০০১...,২০০০...,১৯৯৯...,১৯৯৮...,১৯৯৭...,১৯৯৬...,১৯৯৫...,১৯৯৪...,১৯৯৩...,১৯৯২...,১৯৯১.......ব্রেইইক!

আমরা পৌছে গেছি ১৯৯১ সালে! এখন আমরা টাইম মেশিনে করে ১৯৯১ সালে পৌছে গেছি। ১৯৯১ সালে রিলিজ পায় রোড রাশ সিরিজের প্রথম গেম। 

গেমটার নাম শুধু রোড রাশ। চিহ্নিত করার জন্য (১) লিখে দিয়েছি। এটি সেগা জেনেসিস প্লাটফর্মে রিলিজ পেয়েছিলো। তবে পরে আরো অনেক প্লাটফর্মে এটা ছড়িয়ে পড়েছে। এটি সে সময়ের সেরা গ্রাফিক্মের রেসিং গেমই হয়ত ছিলো। আর তাই তো প্রচুর জনপ্রিয় হয়েছিল এই গেম। তবে বর্তমানে হয়ত আপনার ভালো নাও লাগতে পারে। আসলে সেই সময়ের গ্রাফিক্স এই ২০১৬-তে এসে ভালো না লাগাই স্বাভাবিক। তবে আমার ওভারঅলে ভালোই লেগেছে। সেসময়ের গ্রাফিক্স হিসেবে গ্রাফিক্সকেও খারাপ বলবো না। আমি বলবো, আপনার শৈশব অথবা কৈশোরের স্মৃতিময় গেম রোড রাশের স্মৃতিকে আবার নতুন ভাবে আস্বাদন করতে আপনার রোড রাশ সিরিজের সব গেম খেলে দেখা উচিৎ এবং এটা দিয়েই শুরু করা উচিৎ। গেমটা ততটাও খারাপ লাগার কথা না।
গেম সম্বন্ধে
Genre: Racing video game
Platform: Game Boy, Sega, Amiga, Master System

৫টি ট্রাক, আর ৫টি লেভেল। গাড়িও কিনতে পারবেন। আর লাথি-ঘুষি মেরে গাড়ি থেকে অন্য খেলোয়াড়কে ফেলে দেওয়ার পৈশাচিক আনন্দও আপনাকে হারাতে হবে না। আছে সবার প্রিয় মামাও(পুলিশ)। সে আপনাকে অ্যারেস্ট করতে প্রস্তুত। তবে এখানে আপনি বাদে বাকি রেসারদের গাড়ি একই রকম থাকবে।
গেমটির ট্র্যাকগুলো হলো-
১। সিয়েরা নেভাডা
২। পেসিফিক কোস্ট
৩। রেডউড ফরেস্ট
৪। পাম ডেজার্ট
৫। গ্রাস ভ্যালি
স্ক্রিণশট
এবার কিছু স্ক্রিণশট দেখে আসি-
একটু বাড়িতে ঘুরে আসি
রাস্তার মধ্যে হরিণ!

উহ! আউ! আউচ!
ডাউনলোড
গেমটি ডাউনলোড করেও খেলতে পারবেন আবার অনলাইনেও খেলা যাবে। নিচের বাটনগুলোতে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন অথবা খেলুন। সাইজ ১.৫ মেগাবাইট। অনলাইনে খেলতে সমস্যা হলে জুম বাড়িয়ে/কমিয়ে নিবেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমলের পিসি থেকে সুপার কম্পিউটারেও খেলা যাবে।
ইন্সটলের নিয়ম
স্বাভাবিক নিয়মে ইন্সটল করুন। শুধুমাত্র মাথায় রাখবেন, ডেস্কটপ শর্টকাট তৈরি করতে ভুলবেন না। নাহলে পরে সমস্যা হবে। বারবার লোড করে খেলতে হবে। ডেস্কটপে যদি শর্টকাট দেখতে ভালো না লাগে তবে কাট করে অন্য কোথাও রেখে দিন।
খেলার নিয়ম
গেমটা সেগা জেনেসিসের গেম। অনলাইনে খেলুন বা ডাউনলোড করে, এটা ইমুলেটরের সাহায্যে খেলতে হবে। তাই কি গুলো একটু ভিন্ন হবে।
ডাউনলোড করে খেললে:
মেইন মেনু
সাউন্ড অন/অফ: স্পেস
নাম পরিবর্তন: শিফট চাপুন। এরপর অ্যারো কি দিয়ে বর্ণ সিলেক্ট করুন। কন্ট্রোল আর স্পেসের সাহায্যে বর্ণ পরিবর্তন করুন। শেষ হলে এন্টার দিন।
ট্রাক সিলেক্ট: অ্যারো কি দিয়ে সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন।

গেমের মধ্যে-
এক্সেলারেশন: স্পেস
লেফট রাইট অ্যারো
ঘুষি: শিফট
লাথি: ডাউন অ্যারো+শিফট

গাড়ি ক্রয়
আপনার বাজেটে কোন গাড়ি কেনা গেলে এই অপশন গেম শেষে পাবেন।

গেম সেভ
গেম যদি আপনি সেভ না করেন তাহলে আপনি লেভেল আপ হতে পারবেন না। বারবার শুরু থেকে শুরু করতে হবে। সেভ করার জন্য মেনু থেকে সেভ স্টেট এ ক্লিক করে সেভ করুন। আর পরে লোড স্ট্যাটে ক্লিক করে সেটি লোড করে খেলুন।
অনলাইনে খেললে:
মেইন মেনু
সাউন্ড অন/অফ: X
নাম পরিবর্তন: C চাপুন। এরপর অ্যারো কি দিয়ে বর্ণ সিলেক্ট করুন। Z আর X-এর সাহায্যে বর্ণ পরিবর্তন করুন। শেষ হলে এন্টার দিন।
ট্রাক সিলেক্ট: অ্যারো কি দিয়ে সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন।

গেমের মধ্যে-
এক্সেলারেশন: X
লেফট রাইট অ্যারো
ঘুষি: C
লাথি: ডাউন অ্যারো+C

গাড়ি ক্রয়
আপনার বাজেটে কোন গাড়ি কেনা গেলে এই অপশন গেম শেষে পাবেন।

গেম সেভ
গেম যদি আপনি সেভ না করেন তাহলে আপনি লেভেল আপ হতে পারবেন না। বারবার শুরু থেকে শুরু করতে হবে। সেভ করার জন্য F5 চেপে কম্পিউটারে সেভ করে রাখবেন। আর পরে F8 চেপে লোড করে সেখান থেকে খেলতে পারবেন।
আমার রেটিং
গ্রাফিক্স: ৬/১০
গেমপ্লে: ৮/১০
কন্ট্রোল: ৮/১০
অন্যান্য: ৬/১০
ওভারঅল: ৭/১০

রোড রাশ ২

এখন আমরা ১৯৯২ সালে যাচ্ছি। ১৯৯১,...১৯৯২,...ব্রেইইক!  পৌছে গেছি!
রোড রাশ রিলিজের ১ বছর পরে ১৯৯২ সালে এই গেম রিলিজ পায়। ১ বছরের মধ্যেই অবশ্য বেশ কিছু পরিবর্তন আসে রোড রাশ ২-এ। গ্রাফিক্স বেশ উন্নত মনে হয়েছে। ট্র্যাকগুলো আগের চেয়ে ভালো লেগেছে। তবে কন্ট্রোলিংটা একটু কেমন কেমন জানি লেগেছে।
গেম ডিটেইলস
Genre: Racing video game
Platform: Game Boy, Sega, Amiga, Master System
এই গেমেও ৫টি ট্রাক ও ৫টি লেভেল। ট্র্যাকগুলো এবার বাস্তবের বিভিন্ন এরিয়া। ট্র্যাকগুলো আমার বেশ ভালো লেগেছে রোড রাশ (১) এর তুলনায়। নিউটনের সম্মানে তার তৃতীয় সূত্রের প্রয়োগ ঘটানো হয়েছে। ফলে, কাউকে ঘুষি মারলে আপনার উপরেও প্রতিক্রিয়া হবে। আবার এক ঘুষিতে সহজে কাউকে ফেলতে পারবেন না। দুই-তিন ঘুষি লাগবে। বিভিন্ন খেলোয়াড়দের কাছে চাবুক আর বেত তুলে দেওয়া হয়েছে (আপনি এর দ্বারা আহত হতে পারেন)।  রোড রাশ (১) এর তুলনায় প্রথম হওয়া কিছুটা শক্ত মনে হয়েছে। অবশ্য লেভেল বাড়লে আপনাকে রোড রাশের যেকোন গেমেই ঘাম ঝরিয়ে খেলতে হবে জিততে চাইলে। তবে আমরা সাধারণত প্রথম লেভেলেই অভ্যস্ত হয়ে গেছি বলে রোড রাশ ইজি লাগে। বাইক শপকে আরো উন্নত করা হয়েছে। ৩টি ডিপার্টমেন্টে গাড়িগুলোকে ভাগ করা হয়েছে। গেমের ট্র্যাকগুলো হলো-
১। অ্যালাস্কা (গোল্ড রাশ) 
২। টেনেসসি (স্মোক ইন' মাউন্টেন)
৩। ভারমন্ট (ম্যাপল রান)
৪। হাওয়াই (মলোকাই এক্সপ্রেস)
৫। অ্যারিজোনা (হুডু'জ রিভেঞ্জ)
এগুলো সম্বন্ধেও লেখা আছে গেমের ভেতরে। স্ক্রিণশট দেখে নিই-



স্ক্রিণশট
এবার গেমের ভেতরের কিছু স্ক্রিণশট দেখে আসি-
আব্বু আমাকে চাবুক কিনে দিয়েছে

রাস্তায় হরিণ আসলো কেমনে?

উড়ছি! আমি উড়ছি!
এমন জায়গায় রেস খেলার মজাই আলাদা।
ডাউনলোড
এই গেমটিও ডাউনলোড করে খেলতে পারবেন আবার অনলাইনেও খেলা যাবে। নিচের বাটনগুলোতে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন অথবা খেলুন। এটার সাইজ ১.১ মেগাবাইট। অনলাইনে খেলতে সমস্যা হলে জুম বাড়িয়ে/কমিয়ে নিবেন। এটাও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমলের পিসি থেকে সুপার কম্পিউটারেও খেলা যাবে।

ইন্সটলের নিয়ম
স্বাভাবিক নিয়মে ইন্সটল করুন। শুধুমাত্র মাথায় রাখবেন, ডেস্কটপ শর্টকাট তৈরি করতে ভুলবেন না। নাহলে পরে সমস্যা হবে। বারবার লোড করে খেলতে হবে। ডেস্কটপে যদি শর্টকাট দেখতে ভালো না লাগে তবে কাট করে অন্য কোথাও রেখে দিন।
খেলার নিয়ম
মূল গেমের রোড রাশ (১) এর মতই। তবে মেনুর কি গুলো একটু ভিন্ন।
ডাউনলোড করে খেললে:
মেইন মেনু
সাউন্ড অন/অফ: স্পেস
নাম পরিবর্তন: অ্যারো কি দিয়ে গেম অপশন সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন। লেফট আর রাইট অ্যারোর সাহায্যে বর্ণ সিলেক্ট করুন। আপ আর ডাউন অ্যারোর সাহায্যে বর্ণ পরিবর্তন করুন। শেষ হলে এন্টার দিন।
ট্র্যাক সিলেক্ট: সিলেক্ট ট্র্যাকে যান। অ্যারো কি দিয়ে সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন। এবার আরো একবার এন্টার চাপলে মেইন মেনুতে ফিরবেন।

গেমের মধ্যে-
এক্সেলারেশন: স্পেস
লেফট রাইট অ্যারো
ঘুষি: শিফট
লাথি: ডাউন অ্যারো+শিফট

গাড়ি ক্রয়
মেইন মেনু থেকে অ্যারো কি দিয়ে বাইক শপ সিলেক্ট করে এন্টার চেপে বাজেট বাইক থাকলে ক্রয় করুন।

গেম সেভ
গেম যদি আপনি সেভ না করেন তাহলে আপনি লেভেল আপ হতে পারবেন না। বারবার শুরু থেকে শুরু করতে হবে। সেভ করার জন্য মেনু থেকে সেভ স্টেট এ ক্লিক করে সেভ করুন। আর পরে লোড স্ট্যাটে ক্লিক করে সেটি লোড করে খেলুন।
অনলাইনে খেললে:
মেইন মেনু
সাউন্ড অন/অফ: X
নাম পরিবর্তন: অ্যারো কি দিয়ে গেম অপশন সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন। লেফট আর রাইট অ্যারোর সাহায্যে বর্ণ সিলেক্ট করুন। আপ আর ডাউন অ্যারোর সাহায্যে বর্ণ পরিবর্তন করুন। শেষ হলে এন্টার দিন।
ট্র্যাক সিলেক্ট: সিলেক্ট ট্র্যাকে যান। অ্যারো কি দিয়ে সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন। এবার আরো একবার এন্টার চাপলে মেইন মেনুতে ফিরবেন।

গেমের মধ্যে-
এক্সেলারেশন: X
লেফট রাইট অ্যারো
ঘুষি: C
লাথি: ডাউন অ্যারো+C

গাড়ি ক্রয়
মেইন মেনু থেকে অ্যারো কি দিয়ে বাইক শপ সিলেক্ট করে এন্টার চেপে বাজেট বাইক থাকলে ক্রয় করুন।

গেম সেভ
গেম যদি আপনি সেভ না করেন তাহলে আপনি লেভেল আপ হতে পারবেন না। বারবার শুরু থেকে শুরু করতে হবে। সেভ করার জন্য F5 চেপে কম্পিউটারে সেভ করে রাখবেন। আর পরে F8 চেপে লোড করে সেখান থেকে খেলতে পারবেন।
আমার রেটিং
গ্রাফিক্স: ৭/১০
গেমপ্লে: ৮/১০
কন্ট্রোল: ৭/১০
অন্যান্য: ৮/১০
ওভারঅল: ৭.৫/১০

রোড রাশ ৩

এখন আমরা ১৯৯৫ সালে যাচ্ছি। ১৯৯২,...১৯৯৩,...,ব্রেইইক!  পৌছে গেছি!
এটা রোড রাশ ২ এর মতই। খুব বেশি পরিবর্তন নেই। গ্রাফিক্সের একটু পরিবর্তন আছে, কিন্তু এই পরিবর্তনটা আমার মোটেও ভালো লাগেনি। একটু কেমন-কেমন জানি। কন্ট্রোলটা হালকা উন্নতি করেছে বলে মনে হয়েছে। এই গেমটা ১৯৯৫ সালের ১৫মে  রিলিজ পেয়েছে।
Genre: Racing video game
Platform: Game Boy, Sega, Amiga, Master System
গেম ডিটেইলস
গেমপ্লে রোড রাশ ২ এর মতই। কিছু রেসারদের কাছে বেত আর চাবুক থাকবে। সঠিক টাইমিং করলে সেগুলো ঘুষি দিয়ে কেড়ে নিতে পারবেন। ৫টা ট্র্যাক, ৫ টা লেভেল। তবে কিছু পরিবর্তন আছে। আর বাইক ক্রয়ের দোকানে যুক্ত হয়েছে পার্টস ক্রয় করা বা গাড়ি আপডেট করা। গ্রাফিক্সটা একটু সাদা সাদা কেমন কাটা কাটা মনে হয়েছে। এর চেয়ে রোড রাশ ২-কেই আমার বেশি ভালো মনে হয়েছে। এখানে ট্র্যাকগুলো হলো বিভিন্ন দেশ-
১। ব্রাজিল
২। জার্মানী
৩। কেনিয়া
৪। ইউনাইটেড কিংডম/ইউ.কে/যুক্তরাজ্য
৫।  ইতালি
বলে রাখা ভালো ব্রাজিল আছে কিন্তু আর্জেন্টিনা নেই বলে আমি দায়ী না। এর জন্য ইলেক্ট্রনিক্ম আর্ট দায়ী থাকবে।
স্ক্রিণশট
জার্মান দেশে মামার সাথে

মাইরালাইছেরে!

ইটালিতে ১ দিন....
এত লাফানির কি দরকার?

মামা, এটা কি করলা?
ডাউনলোড
এই গেমটিও ডাউনলোড করে খেলতে পারবেন আবার অনলাইনেও খেলা যাবে। নিচের বাটনগুলোতে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন অথবা খেলুন। এটার সাইজ ১.৭ মেগাবাইট। অনলাইনে খেলতে সমস্যা হলে জুম বাড়িয়ে/কমিয়ে নিবেন। এটাও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমলের পিসি থেকে সুপার কম্পিউটারেও খেলা যাবে।
ইন্সটলের নিয়ম
স্বাভাবিক নিয়মে ইন্সটল করুন। শুধুমাত্র মাথায় রাখবেন, ডেস্কটপ শর্টকাট তৈরি করতে ভুলবেন না। নাহলে পরে সমস্যা হবে। বারবার লোড করে খেলতে হবে। ডেস্কটপে যদি শর্টকাট দেখতে ভালো না লাগে তবে কাট করে অন্য কোথাও রেখে দিন।
খেলার নিয়ম
মূল গেমের রোড রাশ (১) এর মতই। তবে মেনুর কি গুলো একটু ভিন্ন।
ডাউনলোড করে খেললে:
মেইন মেনু
সাউন্ড অন/অফ: স্পেস
নাম পরিবর্তন: অ্যারো কি দিয়ে গেম অপশন সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন। লেফট আর রাইট অ্যারোর সাহায্যে বর্ণ সিলেক্ট করুন। আপ আর ডাউন অ্যারোর সাহায্যে বর্ণ পরিবর্তন করুন। শেষ হলে এন্টার দিন।
ট্র্যাক সিলেক্ট: সিলেক্ট ট্র্যাকে যান। অ্যারো কি দিয়ে সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন। এবার আরো একবার এন্টার চাপলে মেইন মেনুতে ফিরবেন।

গেমের মধ্যে-
এক্সেলারেশন: স্পেস
লেফট রাইট অ্যারো
ঘুষি: শিফট
লাথি: ডাউন অ্যারো+শিফট

গাড়ি ক্রয়
মেইন মেনু থেকে অ্যারো কি দিয়ে বাইক শপ সিলেক্ট করে এন্টার চেপে বাজেট বাইক থাকলে ক্রয় করুন।

গেম সেভ
গেম যদি আপনি সেভ না করেন তাহলে আপনি লেভেল আপ হতে পারবেন না। বারবার শুরু থেকে শুরু করতে হবে। সেভ করার জন্য মেনু থেকে সেভ স্টেট এ ক্লিক করে সেভ করুন। আর পরে লোড স্ট্যাটে ক্লিক করে সেটি লোড করে খেলুন।
অনলাইনে খেললে:
মেইন মেনু
সাউন্ড অন/অফ: X
নাম পরিবর্তন: অ্যারো কি দিয়ে গেম অপশন সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন। লেফট আর রাইট অ্যারোর সাহায্যে বর্ণ সিলেক্ট করুন। আপ আর ডাউন অ্যারোর সাহায্যে বর্ণ পরিবর্তন করুন। শেষ হলে এন্টার দিন।
ট্র্যাক সিলেক্ট: সিলেক্ট ট্র্যাকে যান। অ্যারো কি দিয়ে সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন। এবার আরো একবার এন্টার চাপলে মেইন মেনুতে ফিরবেন।

গেমের মধ্যে-
এক্সেলারেশন: X
লেফট রাইট অ্যারো
ঘুষি: C
লাথি: ডাউন অ্যারো+C

গাড়ি ক্রয়
মেইন মেনু থেকে অ্যারো কি দিয়ে বাইক শপ সিলেক্ট করে এন্টার চেপে বাজেট বাইক থাকলে ক্রয় করুন।

গেম সেভ
গেম যদি আপনি সেভ না করেন তাহলে আপনি লেভেল আপ হতে পারবেন না। বারবার শুরু থেকে শুরু করতে হবে। সেভ করার জন্য F5 চেপে কম্পিউটারে সেভ করে রাখবেন। আর পরে F8 চেপে লোড করে সেখান থেকে খেলতে পারবেন।
আমার রেটিং
গ্রাফিক্স: ৫/১০
গেমপ্লে: ৮/১০
কন্ট্রোল: ৭/১০
অন্যান্য: ৮/১০
ওভারঅল: ৭/১০

রোড রাশ (৩২ বিট)/থ্রিডি-ও


এখন আমরা ১৯৯৬ সালে যাচ্ছি। ১৯৯৫,...১৯৯৬,....ব্রেইইক!  পৌছে গেছি!
অবশেষে যুগের পরিবর্তন হলো। এখন আমরা আছি ১৯৯৬ এ। রোড রাশ ৩২ বিট নামটা চিনলেন না? এটা সেই গেম যেটা আপনার শৈশবের অথবা কৈশোরের অনেকটা সময় অতিবাহিত করতে সাহায্য করেছে। এটার সময়ের তুলনায় অভাবনীয় উন্নত গ্রাফিক্স এর জনপ্রিয়তার বড় একটা কারণ।
গেম ডিটেইলস
গেমপ্লে আগের গেমগুলোর মতই এখানেও। কেমন আপনি তো জানেনই। আর কি বলবো? নতুন করে কিছু বলতে হবে কি? গেমের তিনটা মোড। থ্রাশ মোড, বিগ গেম মোড আর মনো-এ-মোড। দুর্দান্ত কিছু পৈশাচিক আনন্দভরা এই রেস। ঘুসি আর লাথি দিয়ে পুলিশকে ফেলে দিয়ে যেন বিশ্বজয়ের আনন্দ পেতাম। তবে গেমে একটা কাজ খুবই কঠিন! লাস্ট হওয়া! হাহাহাহা। ভীষণ মজার ছিলো, তাই না? আগের পর্বগুলোর কিছু ট্র্যাক ধরে রাখা হয়েছিলো এই গেমে। যথারীতি ৫টি ট্র্যাক ছিলো।
১। দি সিটি: সবচেয়ে সহজ সরল ট্র্যাক ছিলো, জ্যাম একটু বেশী।
২। দি প্যানজুয়েলা: এটা নিজেই একটা ইতিহাস! আহ! সেই ট্র্যাক। এখানেই তো খেলেছি সর্বোচ্চবার!
৩। প্যাসিফিক হাইওয়ে: আমার সবচেয়ে প্রিয় ট্র্যাক, ছিলো এবং এখনও।
৪। সিয়েরা নেভাডা
৫। নাপা ভ্যালি
স্ক্রিণশট
এটার আর কি স্ক্রিণশট দিবো? তাও কিছু দিই।
আমার প্রিয় ট্র্যাক ছিলো এটা!
এত লাফানির কি দরকার?
বিগ গেম মোড
গেমের তিনটি মোড। থ্রাশ মোডে শুধু সিঙ্গেল রেসের জন্য। আর বিগ গেম মোড ক্যারিয়ার মোডের মত। মনো-এ-মড অনলাইন মাল্টিপ্লেয়ার মোড। আমি ট্রাই করিনাই। শুধু বিগ গেম মোড নিয়ে একটু বলবো এখানে।
বিগ গেম মোডে আপনি ক্যারেক্টার সিলেক্ট করে নিয়ে খেলতে পারবেন। যে ক্যারেক্টার নিবেন, তার গাড়ি, টাকা ও চাবুক বা ছুরি থাকলে পাবেন এবং তাকে নিয়ে খেলবেন। সব জায়গায় কোয়ালিফাই করলে পরের লেভেলে যাবেন। পাঁচ লেভেল পার হলে চ্যাম্পিয়ন!
খেলার নিয়ম
এসব বলে লজ্জা দিব না।
ডাউনলোড

আমার রেটিং
গ্রাফিক্স: ৯/১০
গেমপ্লে: ১০/১০
কন্ট্রোল: ৯/১০
অন্যান্য: ৮/১০
ওভারঅল: ৯/১০

রোড রাশ এডিশন ২০১৬

একটু বর্তমানে তাহলে এখন ফিরে আসি। আমাদের অনেকেরই শৈশব জড়িয়ে রোড রাশ গেমটার সাথে। আর তাই তো আমি পুরনো কে একটু নতুন করলাম। যুগটা যে একটু বদলে গেছে!
গেমটি একজন অনভিজ্ঞ ব্যক্তির অদক্ষ হাতে ৪ দিনে এডিট করা হয়েছে। মোটামুটি আগের মতই আছে। বাইক শপ, রেস্টরুম এসবের ছবি পাল্টানো হয়েছে। গেমটা মডিফাইয়ের মেইন ক্রেডিট আমার ও গ্রিন রেঞ্জারস+ এর। আর যারা আমাকে উৎসাহ দিয়েছে তাদের, বিশেষ করে octacores.com এর এডমিন তৌহিদুর রহমানকে ধন্যবাদ। আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। আর যারা গেমের ভেতর আছে তাদেরও ধন্যবাদ।
গেমের ভেতরে আকাশ করেছি কালো। তবে এই কালো আকাশে রাতের চন্দ্র তারার সন্ধানী হলে ভুল করবেন।
বিগ গেম মোড অপশনটির সাথে হয়ত অনেকেই পরিচিত না। রোড রাশের ডেমো ভার্সনে এই অপশন নেই। ফুল ভার্সনে বিগ গেম মোড আছে। যা কিছুটা বর্তমানের বিভিন্ন গেমের ক্যারিয়ার মোডের মত। এই মোডের ক্যারেক্টারদের পরিবর্তন করা হয়েছে।

বগুড়া, ঢাকা, চিটাগাং, মুন্সীগঞ্জ ও রাজশাহী রাখা হয়েছে ট্রাকের নাম।


রাতের মত কালো আকাশে খেলতে হবে এই গেমে।
কিন্তু তাই বলে ভাববেন না পুলিশ আপনাকে ধরতে ব্যার্থ হবে।
আর কিছু পরিবর্তন বললাম না। সেগুলো বের করার দায়িত্ব আপনার। আশা করি ভালোই লাগবে।

রোড রাশ 3ডি

২০১৬...,২০১৫...,২০১৪...,২০১৩...,২০১২...,২০১১...,২০১০...,২০০৯...,২০০৮...,২০০৭...,২০০৬...,২০০৫...,২০০৪...,২০০৩...,২০০২...,২০০১...,২০০০...,১৯৯৯...,১৯৯৮,...ব্রেইইক!
এখন আমরা আছি ১৯৯৮ সালে। এই বছরের ৩১ মে রিলিজ পায় রোড রাশ থ্রিডি।
রোড রাশ প্রথমে টুডি গেম ছিল। কিন্তু যুগের সাথে তাল মেলাতে সেটিকে আনা হয় থ্রিডিতে। এটা পিসির জন্য না। প্লে-স্টেশন গেম। ইমুলেটর দিয়ে পিসির সাহায্যে খেলা সম্ভব বটে, আমিও খেলে দেখেছি,তবে এটা প্লে-স্টেশন গেম, প্লে-স্টেশন ছাড়া খেলে মজা পাওয়া যাবে না। গ্রাফিক্স টুডি থেকে করা হয়েছে থ্রিডি। এথানে আস্ত একটা ম্যাপের বিভিন্ন জায়গায় ট্র্যাক করা হয়েছে। তবে সাউন্ড সহ বিভিন্ন দিক দিয়ে ভালো লাগে নি। আর গেম প্লে অনেকটা রোড রাশ থ্রিডি-ও এর মতই। তবে ক্যারেক্টারে একটা অন্যরকম পরিবর্তন এসেছে। হাতে ট্যাটু লাগানো বডি বিল্ডার সব ক্যারেক্টারের রোড রাশে প্রবেশ শুরু হয়েছে এই গেম থেকে।
এটা খেলার জন্য প্লে-স্টেশন দরকার। আমার তা নেই। তাই এটা নিয়ে আমি কিছু বলবো না।
Initial release date: May 31, 1998
Genre: Racing video game
Platform: PlayStation
 
গেমপ্লে ভিডিও

ডাউনলোড
প্রথমে ইমুলেটর ডাউনলোড করুন। এখানে ৫টা ইমুলেটর আছে। পছন্দমত যেকোন একটা করুন। এবার গেম ফাইল। সাইজ কিন্তু ৪০০ মেগার বেশি বলে রাখলাম!
খেলার নিয়ম
উভয় ফাইল এক্সট্রাক্ট করে ইমুলেটর রান করুন। এখন মেনু থেকে ফাইল > রান আইএসও দিয়ে গেম ফাইল লোড করে খেলুন। Z দিয়ে এক্সেলারেট+হ্যাঁ-বোধক কাজ। আর X দিয়ে ঘুষি। ডাউন+X লাথি। আর অ্যারো কি এদিক-ওদিক করতে। স্পেস হ্যান্ড ব্রেক।
আমার রেটিং
 গ্রাফিক্স: ৮/১০
গেমপ্লে: ৮/১০
কন্ট্রোল: ৯/১০
অন্যান্য: ৭/১০
ওভারঅল: ৮/১০

রোড রাশ ৬৪

১৯৯৮...,১৯৯৯,...ব্রেইক....!

Initial release date: August 31, 1999
Genre: Racing video game
Platform: Nintendo 64
নিন্টেনডু কি চিনেছেন? সেই যে টিভি গেমস খেলতেন? এটা নিয়েও একদিন লিখবো ইংশাআল্লাহ। নিন্টেনডুর আপগ্রেডেড ভার্সন বলা যায় নেস ৬৪ বা নিন্টেনডু ৬৪। প্যাসিফিক কোয়াস্ট পাওয়ার আর লাইটের ডেভেলোপকৃত গেমটি রিলিজ করেছিলো টিএইচকিউ। এই কনসোলের জন্য রোড রাশের যে ভার্সন সেটাই রোড রাশ ৬৪। এই ভার্সনটা মোটেও খুব একটা ভালো লাগেনি আমার। ডিটেইলিং নেই বললেই চলে। তবে রোড রাশ তো, রোড রাশই। তবে হ্যাঁ, আরো কঠিন সব অস্ত্র আমদানি করা হয়েছে। সেসব খারাপ না
আমার মোটামুটি লেগেছে। ক্যারেক্টারদের জামা আর মটরসাইকেল গুলো অদ্ভুত। এটা ইমুলেটর দিয়ে খেলতে হবে। 
ডাউনলোড
Z দিয়ে এক্সেলারেশন, X ও  C দিয়ে হুইলি। IJKL দিয়ে পাঞ্চ।
তাহলে এবার রম ও ইমুলেটর ডাউনলোড করা যাক। এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন। এক্সট্রাক্ট করুন। এবার রম ও ইমুলেটর আবার এক্সট্রাক্ট করুন। ইমুলেটরে রম লোড করে খেলুন।

আমার রেটিং
 গ্রাফিক্স: ৬/১০
গেমপ্লে: ৭/১০
কন্ট্রোল: ৯/১০
অন্যান্য: ৮/১০
ওভারঅল: ৭/১০

রোড রাশ জেলব্রেক

১৯৯৯...,২০০০,...ব্রেইক....!
রোড রাশ সিরিজের শেষ অফিসিয়াল রিলিজ এটি। এটি সর্বপ্রথম প্লে-স্টেশনে রিলিজ পায় এবং পরবর্তীতে একে গেমবয় এডভান্সে রিলিজ দেওয়া হয়।
গেম সম্বন্ধে
Initial release date: February 1, 2000
Genre: Racing video game
Platforms: PlayStation, Game Boy Advance
এই গেমটা কিছুটা রোড রাশ থ্রিডির মত। তবে ভিজুয়ালি আরো চমৎকার। অনেক দিক দিয়ে উন্নত। মারামারি, গ্যাঙ এসব নিয়েই মূলত সাজানো হয়েছে এই গেম। প্রথমবার এই গেমে পুলিশ হিসেবে খেলা যাবে ফাইভ-ও মোডে। আমি এটা খেলিনাই। তাই এটা নিয়ে কিছু বলতে পারছি না।
ডাউনলোড
প্রথমে ইমুলেটর ডাউনলোড করুন। এখানে ৫টা ইমুলেটর আছে। পছন্দমত যেকোন একটা করুন। এবার গেম ফাইল।
খেলার নিয়ম
উভয় ফাইল এক্সট্রাক্ট করে ইমুলেটর রান করুন। এখন মেনু থেকে ফাইল > রান আইএসও দিয়ে গেম ফাইল লোড করে খেলুন। কি কনফিগ বলতে পারছি না।

ফিরে আসছে রোড রাশ?

আবার আমরা এখন বর্তমানে। এই বছরের ডিসেম্বরে Dark Seas Interactive নামক ডেভোলোপার কোম্পানী রোড রিডেম্পশন নামক একটি গেম রিলিজের ঘোষণা দিয়েছে। এর আর্লি অ্যাকসেস ভার্সন পাওয়া যাচ্ছে। গেমটির গ্রাফিক্স থ্রিডি এবং অনেক উন্নত। এর আর্লি একসেস ভার্সন খেলে খুব ভালো লেগেছে। রিলিজের পরেই বোঝা যাবে সমর্থকরা এটিকে রোড রাশের নতুন রূপ মানতে পারে কিনা। 

রোড রিডেম্পশন

রোড রিডেম্পশন এর সম্পর্কে বলা হয়েছে এটি রোড রাশ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছে। এর আর্লি অ্যাকসেস ভার্সন স্টিমে পাওয়া যাচ্ছে। এর দাম রাখা হয়েছে ১৯.৯৯ ডলার। আপনার সামর্থ্য খাকলে অবশ্যই কিনে খেলবেন। না থাকলে এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। এটা যতটা না রেসিং গেম তার চেয়েও বেশি আক্রমণাত্মক। এখানে রেসের পাশাপাশি মিশন খেলতে হবে। জবরদস্ত সব মোটরসাইকেল আর ক্যারেক্টার গেমটাকে করেছে আরো অসাধারণ।
গেমটা সম্বন্ধে ভালো ধারণা পাবেন এই গেমপ্লে ভিডিও থেকে।

অফিসিয়াল সাইট: রোড রিডেম্পশন
আজকের এই পোস্ট এখানেই সমাপ্তি টানছি। আমার মনে হয় আপনাদের হয়ত ভালো লেগেছে। শেষের দিকের গেমগুলো নিয়ে আরেকটু লেখা উচিৎ ছিলো। পারিনি বলে দুঃখিত।
এই পোস্ট যদি ভালো লাগে তবে-

  1. আপনার মন্তব্য জানাবেন।
  2. গ্রিন রেঞ্জারস+ এর সাথেই থাকবেন।
  3. আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিবেন।
  4. ডাউনলোড করতে সমস্যা হলে অবশ্যই মন্তব্য করবেন।
আল্লাহ হাফেজ।

শেয়ার করুন

লেখকঃ

আমি দুইটি করে হাত, পা কান, চোখ বিশিষ্ট একজন মানুষ। নাম তাহমিদ হাসান মুত্তাকী। আমি একজন মুসলিম। বাংলাদেশের অধিবাসী। বয়স ১৫ বছর। নবম শ্রেণিতে পড়ি।। গ্রিন রেঞ্জারস+ এর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। আমাকে ফেসবুকে পেতে এখানে যান।

Image result for facebook.icon 30x30   Image result for Google Plus.icon 30x30

পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট