তিন গোয়েন্দা রিভিউ (পর্ব-৯): প্রেতসাধনা কাহিনী সংক্ষেপ+রিভিউ+পিডিএফ

আসসালামু আলাইকুম।
অনেকদিন পরে না? ৬ মাস ৪ দিন পরে এই সিরিজে লিখছি। আসলে মাঝখানে অন্যান্য পোস্ট লিখলেও এই সিরিজটা মাথা থেকেই আউট হয়ে গেছিল। অবশ্য এর অন্যতম 'অযুহাত' হল পড়ার চাপে তিন গোয়েন্দা পড়ার সময় কোথায়? :P আজ হঠাৎ খেয়াল হল। তাই শুরু করলাম সিরিজের নবম পোস্ট লেখা।
আজকে যে কেসটা নিয়ে লিখব, সেটি হল প্রেতসাধনা। এই ভুত-প্রেত নিয়ে লেখা কেসগুলো আমার পছন্দের নয়। তাই এটিও আমার অপছন্দের তালিকায় থাকা একটি কেস।
এই কেসটা অপছন্দ করার অবশ্য আরো একটা কারণ আছে। জরজিনা পার্কার নামক বিরক্তিকর(হয়ত অন্যদের কাছে না। বাট আমার সিম্পলি কিশোর, মুসা আর রবিনের এডভেঞ্চারই ভাল লাগে।) চরিত্রের আগমন প্রথম ঘটেছে এই ভলিউমে। (আমার নিজের মতগুলোর সাথে আপনি একমত নাও হতে পারেন, বরং এটাই স্বাভাবিক। এটা নিয়ে বিতর্ক করবেন না।)
আগের পর্বগুলো পাবেন এখানে...
যে পর্ব ভাল লাগে না, সেটা নিয়ে লেখাও একটু বিরক্তি লাগে। তাই এটা একটু সংক্ষিপ্ত হবে।
কিশোরদের প্রতিবেশি, জিনা। মেয়েটা একাই থাকে, এবং কিশোরের মতে তার কমেট নামের প্রিয় ঘোড়া ছাড়া কারো সাথেই কথা বলে না। তাদের বাড়ি আর তাকে দেখাশোনা করে রুজ। আর এখন রুজের খালাও বেড়াতে এসেছেন। রুজের মতে, জিনার এই খালা অদ্ভুত এক 'ঘোড়া দুর্ঘটনায়' জিনা আহত হয়, মূলত কিশোরের মাধ্যমেই ঘোড়া ভয় পেয়ে পড়ে যায়। জিনার আঘাত সারাতে মাছির ডিম, মাকড়সার জালের মত সব উপাদান ক্ষতস্থানে লাগাতে চান তিনি।  কিন্তু না পেয়ে শেষে আমাবস্যার রাতে শেকড়-বাকল দিয়ে বানানো ওষুধ দিয়ে কাজ চালান। কিশোররা বুঝতে পারে কেন তিনি অদ্ভুত।
মিস্টার ভ্যারাডে নামক এক ব্যাক্তির আগমন ঘটে জিনার খালার কাছে। খালা অদ্ভুত হলেও ভাল মানুষ, কিন্তু মিস্টার ভ্যারাডেকে সহ্য করতে পারে না জিনা। অদ্ভুত গানের অদ্ভুত অত্যাচার শুরু হয়। আর এতে রীতিমত অতিষ্ট রুজ আর জিনা। এমন অদ্ভুত কিছু ঘটনা ঘটতে থাকে। তিন গোয়েন্দার লুকানো হেডকোয়ার্টারের একটা গোপন পথ খুঁজে পায় সে। কিছুটা ব্লাকমেইল করেই সাহায্য চায় তিন গোয়েন্দার কাছে।
ডাউনলোড
তিন গোয়েন্দার ভলিউম ২/১ এর দ্বিতীয় গল্প এটি। ডাউনলোড করতে এখানে অথবা নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।
Image result for তিন গোয়েন্দা ভলিউম ২

শেয়ার করুন

লেখকঃ

আমি দুইটি করে হাত, পা কান, চোখ বিশিষ্ট একজন মানুষ। নাম তাহমিদ হাসান মুত্তাকী। আমি একজন মুসলিম। বাংলাদেশের অধিবাসী। বয়স ১৫ বছর। নবম শ্রেণিতে পড়ি।। গ্রিন রেঞ্জারস+ এর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। আমাকে ফেসবুকে পেতে এখানে যান।

Image result for facebook.icon 30x30   Image result for Google Plus.icon 30x30

পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট